প্রিয় বন্ধুরা,
সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন। হ্যাপি নিউ ইয়ার ২০২৩.
এবং আমার লেখা ব্লগে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। পরম করুণাময় মহান আল্লাহতালার নামে শুরু করলাম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। প্রিয় বন্ধুরা আশা করি সকলে ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহ তাআলার অশেষ মেহেরবানীতে খুব ভালো আছি। বন্ধুরা আমি আজকে উপস্থিত হয়ে আপনাদের মাঝে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার মুহূর্তে কিছু ছবি তুলেছি তা নিয়ে আলোচনা করব ।

ছবিতে দেখতে পারছেন আমিও আমার সেম ইয়ার একজন বন্ধু ছবি তুলেছি। গত শুক্রবার আমাদের শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা ছিল । এই শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা টি ছিল ১৭ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা। এই পরীক্ষাটি হওয়ার কথা ছিল দুই বছর আগে অর্থাৎ আমরা এই ১৭তম পরীক্ষার জন্য আবেদন করেছিলাম ২০২০ সালে।
কিন্তু পরীক্ষাটি হওয়ার কথা ছিল আবেদন করার ৩ বা ৪ মাস পর । কিন্তু ভাগ্যের কি পরিহাস করোনার কারণে পরীক্ষাটি পিছিয়ে যায় অর্থাৎ করোনার কারণে শিক্ষা ব্যবস্থায় অনেক পিছিয়ে গিয়েছিল তাই আমাদের এই ১৭ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষাটি দীর্ঘ দুই বছর পর অনুষ্ঠিত হলো। আমি যখন ভার্সিটিতে পড়তাম তখন আমি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং দিয়ে আইসিটির উপরে সহকারী শিক্ষক পোস্টে আবেদন করি।
আলহামদুলিল্লাহ এখন আমি বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেছি । তাই এই ১৭ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা দেওয়ার জন্য আমি ঢাকা আসি আমার আপুর বাসায়। আমার পরীক্ষা কেন্দ্র টা পড়েছিল ঢাকা গুলিস্তান নাজিমুদ্দিন রোডের পাশে আনোয়ারা বেগম মুসলিম বালিকা স্কুল এবং কলেজে। আমার আপুর বাসা হতে পরীক্ষার কেন্দ্র টা দূরে ছিল তাই আমি আপুর বাসা হতে বৃহস্পতিবার বিকালে গিয়ে হেমায়েতপুরে আমার মামাতো ভাই অর্থাৎ আমার ছোট ভাইয়ের বাসাতে গিয়ে রাতে থাকি।
পরীক্ষা ছিল সকাল দশটায় তাই আমি ছোট ভাইয়ের বাসা থেকে খুব ভোরে অর্থাৎ সকাল সাড়ে সাতটার দিকে বের হয়। বের হয়ে হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ড হতে গুলিস্থানের বাসে উঠি। বাসে উঠে বাসের সুপারভাইজার কে বললাম গুলিস্তান যেতে কতক্ষন লাগবে। তখন সুপারভাইজার আমাকে বলল ৫০ মিনিট লাগবে। কিন্তু ঢাকা শহরে খুব জ্যাম তাই ৫০ মিনিট এর রাস্তা ১:৩০ মিনিট লেগেছে।
এজন্য আমি খুব ভোরে বের হয়েছিলাম কারণ ঢাকা শহরে খুব জ্যাম থাকে। কারণ আপনারা বুঝতে পারছেন আমার পঞ্চাশ মিনিটের রাস্তা এক ঘন্টা ত্রিশ মিনিট লেগেছে। আমি যখন পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছলাম তখন দেখি সকাল ৯ টা বাজে।এরপর আমার সাথে এক বন্ধু বলল এখন সিট কোথায় পড়ল এটা চেক দেন তখন আমি রোল চেক দিয়ে দেখি সিট কোথায় পরছে এবং এই সময় কিছু ছবি তুলি ।

এই সময় রোল চেক দিয়ে দেখি আমাদের সিট পরেছে ২ তলা ভবন এর ২০৯ এবং ২১০ নাম্বার রুমে। তখন আমরা ২ জন রুমে গেলাম রুমে গিয়েও কিছু ছবি তুলি।

ছবি তোলার মাঝে এক স্যার বলল যে যারা ফোন নিয়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করেছেন তারা ফোন সামনে জমা দিন ।তখন আমরা সবাই ফোন সামনে জমা দেই। ফোন জমা দিয়ে যার যার মত সিটে চলে গিয়ে ���রীক্ষা দেই।
আলহামদুলিল্লাহ পরীক্ষা আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহর রহমতে ভালো হয়েছে। আপনারা সবাই দোয়া করবেন আমি যাতে রিটেন পরীক্ষাতেও টিকতে পারি। বন্ধুরা আমি যে নতুন বছরের প্রথম দিনে কথাগুলো শেয়ার করলাম আশা করি আপনাদের সবার ভালো লাগবে। আজকের মত এখানেই শেষ করছি। ভালো থাকবেন সবাই।
আজকের মত এ পর্যন্তই সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে আমি আমার কথাগুলো শেষ করছি সকলেই ভাল থাকবেন এবং আমার জন্য দোয়া করবেন যাতে করে আমি পরবর্তীতে আপনাদের মাঝে আমার নিজের লেখা গুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে পারেন। আল্লাহ হাফেজ।
বন্ধুরা আমি যে ছবিগুলো তুলেছি এগুলো আমার নিজস্ব মোবাইল দিয়ে তুলেছি।
Location: Dhaka, Gulisthan
Camera Used:
Quad 13 MP, f/2.2, (wide), PDAF
8 MP, f/2.3, 119˚ (ultrawide)
2MP B/W, f/2.4
2MP, f/2.4
Mobile Name: Realme C15


Thank you so much dear for your support.