কুমার পোকার জীবনী || The Life Story Of Potter wasp

furkan
এক ব্যক্তির ঘরের দেওয়ালে মাটি দিয়ে কি যেন একটি তৈরি করছে ছোট্ট একটি পোকা আপনারা এখন অনেকেই ভাবছেন সে থাকার জন্য তার ঘর তৈরি করছে কিন্তু ঠিক তেমনটা নয় সে ঘর তৈরি করছে ঠিক কিন্তু তার নিজের থাকার জন্য নয় এই দক্ষ কুমারের কর্মকাণ্ড দেখতে হলে আমাদের কিছুটা পেছনে যেতে হবে অনেকটা অস্থির অস্থির ভাব নিয়ে এই পোকাটি কি যেন মাঠে থেকে কুড়িয়ে নিচ্ছে সে মূলত মাটি থেকে অন্য কিছু সে মুখে করে নরম কাঁদা মাটি কুড়িয়ে নিয়েছে কারণ তার ডিম পাড়ার সময় ঘনিয়ে এসেছে এভাবেই মুখে করে নরম কাঁদা মাটি কুড়িয়ে নিয়ে মানুষের ঘরের দেওয়ালে টেবিলে বা চেয়ারের নিচে অথবা আলমারির কোন এক কোণায় তারা ঘর বাঁধে ঘর বাঁধার পুরো কাজটি করে থাকে স্ত্রী পোকাটি আর পুরুষ কি স্ত্রীর সাথে সহবাসের পর পরই কোথায় যেন পালিয়ে যায় কারণ হয়তো বা পুরুষ পোকাগুলো তাদের সন্তানদের দায়িত্ব নিতে নারাজ তাই এই প্রজাতির ইস্ত্রি পোকাগুলো করে অল্প অল্প মাটি নিয়ে তাদের এই ছোট্ট মাটির ঘরে তৈরি করে থাকে তাদের এই নিপুন কারুকার্যের জন্য তাদেরকে অনেকেই কুমার পতঙ্গ বলে থাকেন কোন জায়গা থেকে মাটি নিয়ে ঘর বাধলে তাদের ঘরটির শক্তপোক্ত হবে এটা 

source
খুব ভালোভাবে জানা আছে তাদের এভাবেই মুখে করে অল্প অল্প মাটি নিয়ে এসে টানা চার থেকে পাঁচ দিন লেগে যায় তাদের ঘর বানাতে অনেক সময় উপযুক্ত মাটি না পেলে তারও বেশি সময় লাগে তাদের ঘর বানাতে যতদিন না পর্যন্ত তার ঘর তৈরি করার সম্পূর্ণ হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত চলতে থাকে তার এই নিরলস কাজ অবশেষে অক্লান্ত পরিশ্রমের পর স্ত্রী তার ঘর ভাদা সম্পন্ন করে তবে এখনো যে মিস্ত্রির কাজ সম্পন্ন হয়নি সে উড়ে গিয়ে স্বীকার করে অন্য কোন পোকা কে আর মুখে করে নিয়ে এসেছে ওই পোকাগুলো কে ঢুকিয়ে দেয় তার তৈরি করা ঘরটিতে এভাবে প্রায় দু-তিন বার উড়ে গিয়ে দু-তিনটি শুয়োপোকা বা অন্য কোন প্রজাতির পাখি শিকার করে নিয়ে আসে সে এমনভাবে হুল ফুটিয়ে দেয় যেন পোকাগুলো নড়াচড়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে তবে সে একেবারে মেরে ফেলে না তাদের ঘরের ভেতর ঢুকিয়ে দেওয়ার পর সে তার শরীরের নিচের অংশটি কিভাবে মাটির তৈরি এই ঘরের ভিতরে ঢুকিয়ে ডিম পাড়া সম্পন্ন করে এমন কর্মকান্ড দেখে আপনারা অনেকেই অবাক হচ্ছেন তার এমন কর্মকাণ্ডের কারণ হলো এ প্রজাতির পোকাগুলো তাদের ঘর তৈরি করার সম্পূর্ণ হলে ঘরের ভিতরে ডিম পেরে তারা উড়ে চলে যায় তারা আর কখনোই তাদের ছানাদের 

খবর নিতে আসে না তাই তারা এভাবেই অন্য কোন প্রজাতির পোকাদের ডিম ফুটানোর কাজে ব্যবহার করে থাকে আর দিনগুলোর গায়ের উষ্ণতা নিয়েই ডিম ফুটে বেরিয়ে আসে তবে কথা হচ্ছে ডিম ফুটে ছানাগুলো বের হলে এরা কি খাবে তাই হিস্ট্রি কুমার প্রোটিন r34 টিস্যু পোকা বা অন্য কোন জাতের পোকাদের স্বীকার করে নিয়ে এসে তার ঘরে ঢুকিয়ে দেয় যেন ডিম ফুটে ছানাগুলো বেরিয়ে এলে এই পোকা গুলো খেয়ে তারা জীবন ধারণ করতে পারে মাটির কাজ প্রায় শেষ হয়ে এসেছে এখন বিদায়ের পালা তবে যাওয়ার আগে আরো কিছু কাদামাটি এনে মাটির ঘরের মুখ বন্ধ করে দেয় আর মাটির সাথে মিশিয়ে দেয় তার মুখের লালা যেন মাটিগুলো আরো শক্তপোক্ত হয় মিস্ত্রির কাজ সম্পন্ন হলে সে হয়তো বা চিরদিনের জন্যই তার সন্তানদের কাছ থেকে কারণ সে হয়তো আর কখনোই তার সন্তানদের খোঁজখবর নিতে আসবে না।

Comments

mdrasel442
আসসালামুআলাইকুম ভাই ভাই একদম ঠিক কথা বলছেন ভাই আমাদের ঘরের কোণায় কোণায় এরকম বাসা অনেক কাপড়ে দরজার পদ্মায় টেবিলের কন্নারে অনেকগুলো এরকম ভাটির বাসা পাওয়া যায়