টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তুমুল জনপ্রিয় একটি ম্যাচ এশিয়া কাপের আন্ডারডগ শ্রীলঙ্কা আবারও প্রমাণ করল ভারতের মতো দলকে মরুভূমির বুকে ৬ উইকেটে হারিয়ে। চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা এখন ফাইনালিস্ট। ভারতের কাছে হেরে বছরের শুরুতে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল শ্রীলঙ্কা। বিশ্বকাপ প্রস্তুতি নিয়ে গেয়েছেন অধিনায়ক রোহিত সাফাই। ভারতের ভাবনা একটা নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে যে বাংলাদেশের সাথে মিলে গেলে ভারত জিতবে। ভারত তাই অবিশ্বাস্য মনে হলেও ১৭তম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৭২ রানের ইনিংস খেলে দলকে জিততে পারেনি। ভারতের রোহিত শর্মা ছাড়া দলের বাকিরা মাঠে দাঁড়াতে পারেনি। একটি বন্ধু পূর্ণ নাম লিখুন
এশিয়া কাপে যখন ভোমরা হাসপাতালের মতো পোলাররা ইনজুরির কারণে ছিটকে গিয়েছিল, তখন ভারত তাদের 10003 ওয়্যারলেস ভুবনেশ্বর কুমার অল অ্যাপিয়ারেন্স বেশ কিছু পেস বোলিং অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ড্য প্রাক্তন ভারতীয় কোচ শাস্ত্রী বলেছিলেন যে ভারতের খেলা পরিকল্পনা দলটিকে ডুবিয়ে দিয়েছে আমি মনে করি নির্বাচন করা উচিত। ভালো হয়েছে বিশেষ করে পেস বোলার নির্বাচনের পরিস্থিতি সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। স্পিনারদের এখানে বেশি কিছু করার নেই। আমিও ভাবছিলাম কেন তারা মাত্র চার পেসার নিয়ে এসেছে। মহম্মদ সামির মতো বোলার ঘরে বসে আছে। আমি ভাবছি একজন অতিরিক্ত ফাস্ট বোলার রাখা উচিত ছিল কিনা। জ্বর থাকলে বা অসুস্থ হলে অন্য কোন উপযুক্ত বিকল্প না থাকলে এটি কখনই পড়া উচিত নয়। প্রেসারের পরিবর্তে একজন স্পিনার ম্যাচ শেষে রোজ শর্মার বিবর্ণ চেহারা দেখে হতাশ হয়েছিলেন। কাপ ট্রফির ম্যাচ শেষে রোহিতের বক্তব্যে সমালোচনা আরও বেড়েছে যে বাংলাদেশ শ্বকাপা টি-টোয়েন্টি বি দলের মতো।
এশিয়া কাপের প্রস্তুতি হিসেবে আমরা বিভিন্ন দেশ সফরের সময় আমাদের দলে চারজন চাপের খেলোয়াড় রাখতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আমরা এটাও দেখতে চেয়েছিলাম যে তিনজন খেলোয়াড় খেললে কী হতে পারে। "আমরা সবসময় তিনজন পেসারের সাথে খেলেছি। ফিন্যান্স চতুর্থ পেশা হিসেবে খেলছে কিন্তু আমাদের সব বিকল্প নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে।" এটা সত্যি যে, এমন কোনো দল নেই যারা শুধু মনে করে যে তারা বাকি সব ম্যাচ হেরেও বিশ্বকাপ জিতবে, এটা হতে পারে না। এশিয়া কাপ থেকে ভারত এখনও 100% ছিটকে যায়নি। দলটির ফাইনালে খেলার ভাগ্য নিয়েই এখন চলছে আলোচনা। বাজি বাড়াতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হারতে হবে এবং জিততে হবে ভারতকে
ভারতের ফাইনালে ওঠার কোনো সম্ভাবনা নেই


