দুষ্ট স্বপ্না পরী ও যুবকের রহস্যময় কাহিনী!

furkan

এটা ছিল গরমের দিন আমাদের পাশের গ্রামে এক বন্ধুর বাবা মারা গিয়েছিলেন আজকে তার রুহের আত্মার জন্য মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছিল আমি সকাল সকাল নিজের সাইকেল করে তার বাড়িতে চলে গিয়েছিলাম এরপর আমার বন্ধুর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাড়ির দিকে আসতে শুরু করে প্রায় এক কিলোমিটার সাইকেল চালানোর পরে আমি আবার সাইকেল একটা কাঁচা রাস্তার দিকে নিয়ে যায় আমি শর্টকাট রাস্তা ব্যবহার করে জলদি বাড়ি পৌঁছাতে চেয়েছিলাম এ কাঁচা রাস্তা দিয়ে নদীর ধার দিয়ে চলে গিয়েছিল রাস্তাটির পাশে অনেক বড় বড় কাজ ছিল এজন্য আমি সাইকেল চালানোর সময় গাছে সুশীতল ছায়া পাচ্ছিলাম কিন্তু কিছুক্ষণ সাইকেল চালানোর পরে যখন আমি ক্লান্ত হয়ে পড়লাম তখন আমি একটা গাছের নিচে বিশ্রাম করার সিদ্ধান্ত নিলাম এরপর একটা পুরাতন গাছের নিচে দাঁড়িয়ে সাইকেলে হাওয়া চেক করলাম আর গাছটির নিচে বসে পড়লাম গাছটি অনেক পুরাতন এবং পাতায় আচ্ছাদিত ছিল অনেক বয়স হয়ে যাওয়ার কারণে গাছটি একটা কালো হয়ে গেছিল আমি গাছটির ছায়ায় বসে অনেক প্রশান্তি পাচ্ছিলাম আমার মনে খান থেকে অন্য কোথাও যেতে চাইছিল না আমি দুই থেকে তিনবার উঠার চেষ্টা করেছি কিন্তু আমার মন এখান 

 

থেকে উঠতেই চাইছিল না এভাবেই অনেকটা সময় এখানে কাটিয়ে দিলাম এভাবে এক পর্যায়ে আমার ঘুম চলে আসলো ঘুমের ঘরে হঠাৎ করে আমার একটা ঝটকা লাগলো আমি তার দিকে তাকিয়ে দেখলাম আমার সাইকেল ছাড়া আশেপাশে জনমানব নেই এরপর আমি সেখান থেকে ওঠা সিদ্ধান্ত নিলাম আমি সাইকেল নিয়ে বের হতে দেখলাম সাইকেলের পিছনে চাকার খানের করার আমি হাঁটতে শুরু করলাম কিছুক্ষণ পর আমি পাকা রাস্তায় উঠলাম বারবার আমার গাছের নিচে যেতে ইচ্ছে করছিল হাঁটতে হাঁটতে আমি একটু ঢাকায় আসলাম ওখানে আমার এক বন্ধু খাটনিতে শুয়ে থেকে সিগারেট খাচ্ছিল আমাদের ঠান্ডা পানি খাওয়ানো এরপর সে বলল তুমি অপেক্ষা করো আমি সাইকেলের চাকায় হাওয়া ভরা মেশিন নিয়ে আসছি এমনও হতে পারে যে তোমার সাইকেলের চাকা লিক হয়নি এরপর সে হাওয়া ভরা মেশিন নিয়ে নিয়েছি আমার সাইকেলের চাকায় হাওয়া করে দিল এবার আধাঘণ্টায় আমি বাড়িতে পৌঁছে গেলাম কিন্তু আমি এটা ভেবে অবাক হয়ে গেলাম যে চাকা যদি লিখলে হয় তাহলে সাইকেলের চাকার হাওয়া কিভাবে গায়েব হয়ে গেল বাড়িতে পৌঁছে আসরের নামাজ পড়ে আমি খুন দিলাম ঘুম থেকে উঠে সাইকেলের চাকার হাওয়া চেক করে দেখলাম এখনো হওয়া রয়েছে যাইহোক এশার নামাজ 

 

আদায় করার পরে আমি কোরআন তেলাওয়াত করতে থাকলাম আমি প্রতিদিন এশার নামাজ পড়ে আবার মৃত মায়ের জন্য কোরআন তেলাওয়াত করতাম এরপর আমি খাটে উঠে শুয়ে কি করতে থাকলাম আমি সচরাচর রাতের বেলা অনেক দেরি করে ঘুমাতাম কিন্তু আজ মনে হচ্ছিল কেউ একজন আমাকে জোর করে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করছে হঠাৎ করেই আবার চোখ বন্ধ হয়ে গেল আমি আর ছটকা দিয়ে খাট থেকে উঠে বসলাম আমি দেখলাম আমার বাড়ির লোকজন সবাই শুয়ে আছে আমি কিছু বুঝতে না পেরে আবার শুয়ে পড়লাম কিন্তু এবারও আমার চোখ বন্ধ হয়ে আসলো আর চেষ্টা করেও আমি উঠতে পারলাম না আসলে আমি জেগে ছিলাম আর আমার আশেপাশে যা কিছু ঘটছে সবকিছু আমি অনুভব করতে পারছিলাম কিন্তু আমি উঠতেও কিছু বলতে পারছিলাম না আমি দেখলাম আমার সামনে দুটো মেয়ে দাড়িয়ে আছে তার মধ্যে একজন বৃদ্ধা মহিলা ছিল আরেকজন অনেক সুন্দর একটা মেয়ে ছিল তখন ওই যুবতী মেয়েটা জিজ্ঞেস করল আমি এই সুদর্শন যুবকটিকে উত্তরের বৃদ্ধা মহিলা বলল তোর কি মনে নেই এটা সেই ছেলে যে কিনা আমাদের ঘরের কাছে শুয়েছিল তাকিয়ে দেখি আমার ভালো লেগেছে আমি তোর সাইকেলের চাকার হাওয়া বের করে দিয়েছিলাম যাতে করে সে ওখান থেকে চলে যেতে না পারে তবুও তাকে আটকানো 

 

যায় নি তাই আমিও তার সঙ্গে সঙ্গে তার বাড়িতে চলে এসেছি আর এরপর স্বপ্নে আমি তোকেও নিয়ে এসেছি আশাকরি ছেলেটিকে তোর ভালো লেগেছে তোর জন্যই ছেলেটিকে আমি পছন্দ করেছি এ কথা শুনে ও যুবতী মেয়েকে বলল আমি ছেলেটিকে আমার অনেক পছন্দ হয়েছে ওর আর আমার মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে তুমি তো দেখেছ ছেলেটি নামাজ পড়েছে কোরআন তেলোয়াত করেছে অর্থাৎ ছেলেটি মুসলমান আমরা তো মুসলিম নয় একথা শুনে বৃদ্ধা মহিলাটি বলল মা স্বপ্না তুই কোন চিন্তা করিস না আমরা ছেলেটির উপরে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেব এরপর ছেলেটি আমাদের আদেশ অনুযায়ী চলবে নিজের ইচ্ছে অনুযায়ী কোন কাজ করতে পারবে না এ কথা শুনে পুতির মেয়েটির খুশী হয়ে বললো কিন্তু আমি এটা কিভাবে হবে তখন বৃদ্ধা মহিলাটি বলল অপেক্ষা কর তোকে দেখাচ্ছি এরপর সে তার হাত আমার বুকের উপরে রাখলাম তখন আমার বুকে অনেক কষ্ট হচ্ছিলো আমি চিতকার দিয়ে উঠে বসলাম আমার চিৎকার শুনে বাড়ির সকলে উঠে পড়লেন আব্বু আমাকে তার বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে নিয়ে জিজ্ঞেস করলে বাবা আবি হয়েছে খারাপ স্বপ্ন দেখেছে নাকি কিছু বলার মতো পরি���্থিতিতে আমি ছিলাম না আমার এখন নিজের বাড়িতে থাকতে ভয় করছিল আমি আমাদের বাড়ির লোকজন 

 

ছাড়াও গাইবে মাখলুকের উপস্থিতি অনুভব করছিলাম আব্বু আমাকে দ্বিতীয়বার কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই আমি তাকে বললাম আব্বু আমাকে বাড়ি থেকে অন্য কোথাও নিয়ে চলুন আমার বাড়িতে অনেক কাজ করছে আব্বু কোনো কিছু না বলে আমাকে চাচার বাড়িতে নিয়ে গেলেন এরপর সবাই মিলে আমাকে আতুল কুরসি পড়ে ঘুমোতে বলে কিন্তু আমি তাদের এটা কোন ভাবেই বুঝাতে পারব না যে আমি স্বপ্ন দেখি নি বরং যা কিছু দেখেছি সত্যি আমি আমার বুকের কিছুটা ব্যথা অনুভব করছিলাম আর আশেপাশেও অন্য কারো উপস্থিতি করছিলাম এরপর সবাই ঘুমিয়ে পড়লেও আমি ঘুমোতে পারলাম না কেউ একজন আমাকে ঘুমোতে নিষেধ করছিল সে বলছিল তুমি যদি ঘুমোনোর চেষ্টা করো তাহলে তোমার সঙ্গে খারাপ কিছু ঘটবে আমি এবার নিশ্চিত হয়ে গেলাম যে আমার মন এবং হৃদয় কারো নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে আমি দেখতে পেলাম একটা ছাড়া আমার সামনে দিয়ে পার হয়ে যাচ্ছে দেয়ালের কাছে গিয়ে ছায়াছবি কল কর রুপ ধারণ করলো আমি এটা সহ্য করতে না পেরে চিৎকার দিয়ে উঠলাম এবার আমার চিৎকার শুনে আশে পাশের বাড়ির লোকজন চাচার বাড়িতে জড়ো হলেন তাঁরা আমার চিৎকারে ���ারণ জিজ্ঞাসা করলে আব্বু তাদের পড়লে সে খারাপ স্বপ্ন দেখেছিল এরপর গ্রামবাসীরা 

 

আমাকে বলে তুমি আজ কোথায় কোথায় গিয়েছিলে সবকিছু খুলে বল আমি তাদের সবকিছু খুলে বললাম তখন কয়েকজন বললেন এসব জায়গায় গাইবি মাইক্রোবাসে করে তারা হয়তো তোমার ওখানে বসে থাকাটা পছন্দ করেনি তাই তোমাকে খারাপ স্বপ্ন দেখাচ্ছে সারারাত আমার আর ঘুম আসেনি আমার সঙ্গে আমার আব্বু জেগে ছিলেন তিনি আমাকে বললেন বাবা তুমি কোন চিন্তা করো না সকাল হতেই তোমাকে আমি একটা পীর সাহেবের কাছে নিয়ে যাবো সকাল হতেই আব্বু আমাকে একটা পীর সাহেবের কাছে নিয়ে যেতে থাকলেন তখন আমার হৃদয় ছটফট করছিল মাথা অনেক ব্যথা করতে শুরু করল তখনই মাখলুক আমার ভেতর থেকে বলল তুমি পেশাবের কাছে গিয়ে ভালো কাজ করছে না তুমি এখান থেকে চলে যাও নইলে পড়ে তোমাকে পস্তাতে হবে তুমি যদি পীর সাহেবের কাছে যাও তাহলে সে আমাদের অনেক কষ্ট দেবে কিন্তু এর বদলা আমরা পরবর্তীতে তোমার ওপরে নেব আমরা অবশেষে পীর সাহেবের কাছে পৌঁছে গেলাম আমার বাবা পীর সাহেবের কাছে সবকিছু খুলে বলে পীর সাহেব আমাকে তার সামনে বসে কিছু একটা করতে থাকলেন তখন আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেললাম এরপর যখন আমার জ্ঞান ফিরল তখন পীর সাহেব আমাকে জিজ্ঞেস করলেন এবার বলতো তোমার সঙ্গে এতক্ষণ ধরে কি ঘটেছে তার কিছু কি 

 

তুমি জানো আমি তাকে বললাম না আমার তো কিছু মনে নেই আমার মনে হয় অনেক জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলাম এবার পীর সাহেব বলেন তোমাকে একটা পরী ভালোবেসে ফেলেছে সে বলেছে তার নাম মরিয়ম কিন্তু সে তোমাকে আর জ্বালাতন করবে না তার নিয়ন্ত্রণ আমি তোমার উপর থেকে সরিয়ে ফেলেছি সেই সত্যের তোমাকে ছেড়ে দিতে রাজি হয়েছে মাসের 23 শে তোমার সঙ্গে দেখা করবে সে তোমার কোনো ক্ষতি করবে না বরং তোমার অনেক উপকার হবে তোমার আব্বু পরিচয় কথা রাজি হয়েছেন বলছি তোমাকে আর কখনোই ভয় দেখাবেনা পীর সাহেব এই কথা বলতেই আমি মনে মনে বললাম আপনি এটা কি করলেন পড়িতে কখনোই আমাকে ছাড়বে না সে এখনো আবার নিয়ন্ত্রণ করছে আপনি তাকে ছেড়ে দিয়ে অনেক বড় ভুল করেছেন কারণ সে মুসলমান নয় এজন্য কখনোই সে কথা দিয়ে কথা রাখে না সে কখনোই আমার কোন উপকার করবে না বরং আপনার কাছে আসার জন্য এখন সে আমার ক্ষতি করার চেষ্টা করবে জ্ঞান ফিরতেই আমি আমার ভেতরে স্বপ্না নামের ওই পরীটির উপস্থিতি ভাব করলাম সে আমাকে বলল আমি তোমার থেকে ধোকা দিতে সক্ষম হয়েছে এরপর আমরা আমাদের গ্রামে ফিরে আসলাম আব্বু আমাকে আমাদের বাড়িতে যেতে বলেন বাড়ির নাম শুনলেই অনেক ভয় পেয়ে গেলাম কারো স্বপ্ন 

 

ভেতর থেকে আমাকে বলছিল বাড়িতে গেলে তোমাকে অনেক পস্তাতে হবে আমি আব্বুকে বললাম আব্বু আমি সম্পূর্ণরূপে ঠিক না হওয়া পর্যন্ত বাড়িতে যাব না এটা আমাকে বোঝানোর চেষ্টা করলেন যে এখন সম্পূর্ণরূপে সুস্থ্য বাড়িতে গেলে কোন সমস্যা হবে না এটা বলার পরে না জানি আমার কি হয়েছিল আমি অনেক ভয়ঙ্কর চোখের দিকে তাকালাম তখন আব্বু বলে উঠলেন ঠিক আছে তুই যেখানে থাকতে পারো আবুল মুখে এ কথা শুনে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম আপনি তো এইমাত্র আমাকে বাড়ীতে যেতে বলছিলেন হঠাৎ করে কি এমন হল যে আমাকে যেখানে ইচ্ছা সেখানে থাকতে বলছেন তখন আমার আব্বু বললেন আমি তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে দেখলাম তোমার চোখ অনেক লাল হয়ে গিয়েছিল তোমার চোখ অনেক ভয়ঙ্কর দেখাচ্ছিলো তাই আমি তোমাকে যেখানে ইচ্ছা সেখানে থাকার অনুমতি দেয়ার চেয়ে তোমার চোখ আগে কখনো এমন রূপ ধারণ করেনি আমি বুঝতে পেরেছিলাম এটা আমার চোখ ছিল না আমার চোখের মধ্যে আরো দুটো চোখ রয়েছে এরপর থেকে এমন হতেই থাকলো যে যে একবার আমার চোখের দিকে তাকাতে আর কখনো আমার চোখে চোখ রেখে কথা বলার সাহস পেত না আমাকে আমার অনেক বন্ধু আত্মীয়স্বজন বলেছেন আবির তোমার চোখের দিকে তাকালে ভয় লাগে চোখে কি হয়েছে কিন্তু 

 

তাদেরকে আমি আর কি বলতাম নামের ওই পরীটি আমাকে কাউকে কিছু বলতে নিষেধ করে দিয়েছিল আমি যদি কাউকে কিছু বলি তাহলে সে আমার ক্ষতি করবে বলেছিল সে কখনোই আমাকে ছাড়বে না সে আমার সম্পূর্ণ শরীরের নিয়ন্ত্রণে ছিল সে আমাকে বলেছিল তুমি কারো সঙ্গে কোনো কথা বলতে পারবে না তুমি শুধু আমার হুকুম মেনে চলবে নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী তুমি কিছুই করবে না আমি চাইনি তোমাকে দিয়ে যা ইচ্ছে তাই করে নিতে পারি একবার আমি নামাজ পড়তে দাঁড়ালে হঠাৎ করে আমার ঘুম চলে আসলো আমি চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকলাম আমি কিছুই বুঝতে পারছিলাম না যে নাম আছে আমি কি করছি কিন্তু আমি নিজে থেকে এসব করছিলাম না আমার ভিতর বসবাস করা পুরিটি আমাকে দিয়ে সব করা ছিল কখনো কোরআন শরীফ পড়তে বসলে আমার ঘুম চলে আসছে এমনকি মুখ দিয়ে বের হতে শুরু করলো ওরা মুসলিম পরীটির কারণে আমি নামাজ কোরআন তেলাওয়াত করা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়ে আমি সারারাত জেগে থাকতাম সে আমাকে ঘুরতেই দিত না আমি মাঝেমধ্যে শুনশান জায়গায় চলে যেতাম আর পুরাতন পুরাতন সব কাছে থেকে চেয়ে থাকতাম আমি অনেক দূর দুরান্ত পর্যন্ত চলে যেতাম আমি ক্লান্ত হতাম না সে নিজের ইচ্ছামত আমাকে দিয়ে সবকিছু করে নিচ্ছিল আমি তার আর 

 

কোন কাজ করতে না চাইলে তার কথা শুনতে না চাইলে ভয় দেখিয়ে আমাকে তো করিনি তো প্রতিদিন আমাকে দিও অনেক গুনাহের কাজ করিনি ছিল কিন্তু আমি এসব করতে না চাইলে কখনো গলাটিপে ধরতাম কখনোবা আর নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যেত অনেক কষ্ট হতো আমি এতটাই কষ্ট ছিলাম যে আল্লাহর কাছে সব সময় এই দোয়া করতাম আল্লাহ হয় তুমি আমাকে এর জালিম বাত রোগের হাত থেকে রক্ষা করো নইলে আমাদের মৃত্যু টাও কিন্তু আমার এই দোয়া কবুল হয়নি আমাকে আরো অনেক অত্যাচার সহ্য করতে হচ্ছিল খুব ভাল করে মনে আছে আমি একটানা দুই বছর শান্তিতে ঘুমোতে পারিনি একদিন হাঁটতে হাঁটতে আমি সে গাছের নিচে চলে যাই তখন আমার অদ্ভুত ধরনের একটা অনুভূতি হতে শুরু করে মনে হচ্ছিলো এই জায়গা আমার চিরচেনা হঠাৎ আমি নিজেকে কিছুটা হালকা অনুভব করলাম তখন আমি সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে থেকে বললাম হে আল্লাহর গায়েবী আমি একটু শান্তির জাতি এ জায়গায় বসে ছিলাম এতে আমার কি এমন দোষ ছিল কেন আমাকে এত কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে তখন সে গাছের ভেতর থেকে আওয়াজ আসলো তোমার ভেতরে যে বসবাস করে সে হচ্ছে আমার স্বপ্ন আমি তাকে কথা দিয়েছি সে তোমাকে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করবে সে তোমাকে দিয়ে সেইসব কা��� করাবে না তোমার 

 

সৃষ্টিকর্তার পছন্দ নয় এক শর্তে তোমাকে আমরা ছেড়ে দেবো এটা হচ্ছে তোমাকে তোমার ধর্ম ত্যাগ করতে হবে এরপর এটুকুই আমার মনে আছে যে আমি অজ্ঞান হয়ে সেখানে পড়ে গিয়েছিলাম যখন আমার জ্ঞান ফিরে তখন আমি আমার চাচার বাড়িতে থাকলে তিনি নিজেকে দেখতে পেলাম কয়েকজন মানুষ আমাকে এখানে নিয়ে এসে ছিলেন এরপর আমাকে প্রতিদিন অনেক অত্যাচার সহ্য করতে হচ্ছিল সপ্নার এই অত্যাচার থেকে নিস্তার পেতে একদিন আমি একটা মুফতি সাহেবের কাছে গেলাম আমি তার কাছে সবকিছু খুলে বললাম আমার সব কথা শুনে মুফতি সাহেব আমাকে অভয় দিয়ে বলেন কোন চিন্তা করো না সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে তুমি যা কিছু করেছ তারও তোমার কোন দোষ নেই কারণ তোমার ব্রেইন এবং অন্য কেউ নিয়ন্ত্রণ করছিল এখন তোমাকে কিছুদিন বেঁচে থাকতে হবে কারণ তুমি মসজিদ থেকে বাইরে বের হয়ে গেলে ওই পরিচিত মাকে নিয়ে আবারও খারাপ কাজ করাতে শুরু করবে সে তোমাকে আর নামাজ পড়তে দেবেনা কোরআন তেলাওয়াত করতে দিবেনা কিন্তু বসে থাকলে সে তোমার ধারে কাছেও যেতে পারবেনা মসজিদে রেখেই আমি তোমার চিকিৎসা করব আমি 15 দিন মসজিদে ছিলাম আর মুফতি সাহেবের কথা মত আমল করেছিলাম আর তাই অবশেষে অমুসলিম স্বপ্না নামক বইটির হাত 

 

থেকে রেহাই পেয়ে ছিলাম এখন আমি বাড়ি থেকে বের হলে আল্লাহর কালাম পড়ি বের হই আর কখনোই আমি কোন শুনছেন জায়গায় গিয়ে গাছের নিচে বসা ভুল করিনি 

Comments

mdrasel442
আসসালামুআলাইকুম ভাই আসলেই কি ভাই সত্যিকারে এরকম পড়িয়াছে পরী আর মানুষের মধ্যে কি সম্পর্ক হয়