গরিব পরিবারে একটি ছেলের সাথে একই গ্রামের একটা গরীব মেয়ের বিয়ে হয় ছেলেটার বয়স 21 বছরের মত আর মেয়েটা তখন ষোলো বছর বিয়ের পর ছেলেটা মেয়েটিকে বললেন তোমাকে কোন ইচ্ছে আছে মেয়েটা বন্ধু আমার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার বড় আশা ছিল এরপর ছেলেটা মেয়েটাকে নিয়ে ঢাকায় চলে আসে মেয়েটিকে ভার্সিটিতে ভর্তি করে পড়ালেখা করাই ছিল চারটা থেকে রাত 9 টা পর্যন্ত পরিশ্রম করে মেয়েটার পড়ালেখার খরচ আর সংসারের জ্বালায় অনেকদিন হওয়ার পর তাদের মধ্যে কোন স্বামী স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক হয় না মেয়েটার বন্ধুবান্ধবরা সনের করে ছেলেটাকে মেয়েটার উত্তর দেয় সে আমার ভাই ছেলেটা এখন রিকশা চালায় কখনো দিনমজুরি করে কখনো ইটভাটার কাজ করে আবার কখনো কুলির কাজ করে এভাবে মেয়েটার জন্য নিজের কথা না ভেবে তার জন্য টাকা রোজগার করে মেয়েটাকে ইঞ্জিনিয়ার বানানোর জন্য হঠাৎ পরীক্ষা চলে আসলো ছেলেটার কারোর চোখে ঘুম নেই ছেলেটা রাতে মিলে 20 ঘন্টা
কাজকর্ম করে বাকি চার ঘণ্টা সংসারের সব রান্নাবান্না থেকে শুরু করে সব কাজ করে এভাবে মেয়েটার পরীক্ষা শেষ হয়ে গেল এরপর ছেলেটা একটু কাজ কমায় পরীক্ষার ফলাফল মেয়েটির পাস করল ভালো ছেলে চাকরি পেল অনেক টাকা পয়সার মালিক হল বড় বাড়ি গাড়ি আরো অনেক কিছু হলো মেয়েটার বিভিন্ন জায়গা থেকে মেয়েটার বিয়ের প্রস্তাব দেয় কেউ জানেনা তার বিয়ে হয়েছে কিনা বা স্বামীকে মেয়েটা বড়বাড়ি লাইটিং করে পার্টি দিয়েছিল কিন্তু কেউ জানে না কিছুনা পার্টির আয়োজন সবাই একই প্রশ্ন কিসের বাড়িটি সবাই মিলে মেয়েটিকে প্রশ্ন করলো এ পার্টি কিসের জন্য বলবেন বারোটার সময় বলব কিসের পার্টি ছেলেটা সেই লুঙ্গি-গামছা আর্চের একটা জামা পড়ে বাড়ির কোণায় কোণায় দাঁড়িয়ে আছে বারোটা বেজে গেল এরপর মেয়েটা ছেলেটার হাত ধরে সেখানে রাখা কে একসাথে নিয়ে এলো সেখানে এসে সবাইকে বললেন ভদ্র পুরুষ ও মহিলা গান একে একে চেনেন যার মাথার ঘাম পায়ে ফেলে নিজে না খেয়ে আমাকে পড়ালেখা করেছে তার জীবনের সব সুখ আমার জন্য বিসর্জন দিয়ে এই আমার স্বামী যার সাথে আমার বিয়ে হয় কিন্তু আমাদের শারীরিক সম্পর্ক হয় না তাকেই কাপড় রেখেছে যাতে আপনারা তাকে চিনতে পারেন
এই বাড়ি গাড়ি টাকা তার গায়ের এক ফোঁটা ঘাম এর দাম না আমি তার স্বামী আমার যা কিছু আছে দিলেও আমি আমার স্বামীকে ছেড়ে কোথাও যাব না এটাই স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসা


