হ্যালো সবাই কেমন আছেন বাড়িতে সবাই ভালো আছেন আশা করি। ভালো খাবার আমাদের শরীর ও মন দুটোই ভালো রাখে। আজ আপনাদের বিরিয়ানি রান্নার রেসিপি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। বিরিয়ানী কার না প্রিয় কমবেশি সবাই প্রচন্দ করে। বিরিয়ানির রান্না করার জন্য প্রথমে আমাদের একটি পাত্রে মুরগী নিয়ে তাতে একে একে আদা বাটা, রসুন বাটা, জিরা গুড়া, ধনিয়া গুড়া, টক দই, মরিচের গুড়া, জায়ফল-জয়ত্রী গুড়া, গরম মসলা গুড়া, লবণ, এবং পেঁয়াজ মরিচ বাটা মাখিয়ে এক ঘন্টা রেখে দিতে হবে।
ছবির উৎস
তারপর তেল গরম হয়ে গেলে দারুচিনি, এলাছ, তেজপাতা ও পেয়াজ কুঁচি গরম তেলে ভাজতে হবে। পেয়াজ কুঁচি দুই কাপ ও পেয়াজ বাটা এক কাপ পরিমাণ নিতে হবে। আপনারা রান্না অনুযায়ী কম বেশি করে নিবেন। পেঁয়াজ সামান্য ভাজা হয়ে গেলে তাতে মেরিনেট করে রাখা মুরগী সব মসলাসহ দিয়ে দিতে হবে।
ছবির উৎস
তারপর মুরগী ভাজা হয়ে গেলে নামিয়ে রেখে দিবেন। রাইস রান্নার করার জন্য আমাদের যা যা লাগবেঃ
প্রথমে এক কেজি পোলাও চাল এর সাথে আধা কাপ পেয়াজ কুঁচি। তার সাথে তেল লাগবে তিন টেবিল চামচ। আদা বাটা দুই টেবিল চামচ। ঘি দুই টেবিল চামচ। রসুন বাটা দুই টেবিল চামচ। দারুচিনি দুই টা, তেজপাতা পাঁচ টা, এলাছ তিন টা, লবন স্বাধ অনুযায়ী দিবেন। গরম পানি চালের দুই গুণ লাগবে।
ছবির উৎস
রান্না করার পদ্ধতিঃ
প্রথমে চাল ধুয়ে পানি ছেঁকে নিতে হবে। তারপর একটি কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুচি, এলাচ, দারচিনি, তেজপাতা দিয়ে ভেজে নিতে হবে। ভাজা হয়ে গেলে আদা বাটা ও রসুন বাটা দিয়ে নাড়তে হবে কিছু সময়। ভাজা হয়ে গেলে তাতে গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিয়ে অল্প আঁচে রান্না করে নিব কিছু সময়। পানি কমে আসলে তাতে আগে থেকে রান্না করা মুরগী দিয়ে নেড়ে আরো কিছুক্ষণ অল্প আঁচে রান্না করে নিতে হবে যতহ্মন পর্যন্ত না গন্ধ আসে। ব্যাস তারপর তৈরি হয়ে গেল চিকেন বিরিয়ানি।


বিরিয়ানির নাম শুনলে জিভে জল চলে আসে। এনেক সুন্দর একটা পোস্ট করেছেন
তোমার পোস্ট টা অনেক ভালো হয়ছে
বিরিয়ানির নাম শুনলে জিভে জল চলে আসে। এনেক সুন্দর একটা পোস্ট করেছেন