সূরা মসজিদ পরিচিতি

F
farhad555

সূরা মসজিদ ১৬০০ শতকের মাঝামাঝি এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। এই মসজিদটি দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত। এই মসজিদে আমি নামাজ আদায় করার সুযোগ হয়েছে দুইদিন। আমার বাড়ি থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে এই মসজিদটি রয়েছে। এই মসজিদের নির্মাণ কাজ অনেক সুন্দর আর নিখুদ। মসজিদ টি আকারে বেশি বড় না। কিন্তু মসজিদ গায়ে পাথর গায়ে খোদাই করা আছে। দূর থেকে দেখতে অনেক সুন্দর লাগে। এই মসজিদে বড় একটি গম্বুজ আছে আর ছোট তিনটি গম্বুজ আছে। 

এই ছবিটি আমার নিজের তোলা...

এই মসজিদের সামনে তিনটি দরজা আছে আর মুল ফটকে একটি বড় দরজা আছে। এই মসজিদের গায়ে এত সুন্দর করে কারুকাজ করা আছে যা যেই দেখবে সেই মুখধ হয়ে যাবে। 

এই ছবিটি গোগোল থেকে নেয়া 

এই মসজিদের পাশে একটি বড় পুকুর আছে। এই পুকুরের পানি অনেক পরিষ্কার। এই পুকুরের একটি ঘাট আছে। এই ঘাট টি অনেক সুন্দর। এই ঘাট বর্তমান তৈরি করা হয়েছে। এই পুকুরের চারপাশ দিয়ে আমি ঘুরে বেড়িয়েছি। কিছুদিন আগে খুব রোদ ছিলো। এই পুকুর পারে গাছ এখন লাগানো হইছে সেই গাছগুলো বড় হয়নি বড় হইলে আর একটু ভালো লাগবে। এই মসজিদের আশেপাশে মানুষের কাছ থেকে আমি শুনলাম এই পুকুর কোনোদিন পানি শেষ করতে পারেনি। যে এই পুকুরের পানি সেগতে চেয়েছে তার কোনো না কোনো ক্ষতি হয়েছে। সেই থেকে এই পুকুরের মাছ চাষ করা হয় কিন্তু কখনো পানি শুকানো হয়না। পুকুরটি আকারে অনেক বড়। 

এই ছবিটি গোগোল থেকে নেয়া

এই মসজিদ কে কেন্দ্র করে আখানে অনেক দোকান বসেছে। এই মসজিদ দেখতে অনেক দূর দূরান্তে থেকে মানুষ আশে এই মসজিদ দেখতে। এই মসজিদে মানুষ অনেক কিছু মানত করে। এখানে রান্না করার মতো জায়গা আছে। সেখানে যারা মানত করে তারা এসে রান্না করে। অনেকে বাড়ি থেকে রান্না করে নিয়ে এসে এখানে দিয়ে যায়। মানুষের বিশ্বাস হচ্ছে অনেক বড় একটি জিনিস । একটা কথা আছে বিশ্বাসে মিলায় বস্তু। 

 

এখানে একটি জিনিস আমি খারাপ দেখলাম সেটা হচ্ছে এই মসজিদে যাইতে যে রাস্তা গুলো আছে সেই রাস্তা গুলো অনেক ভেজ্ঞা চুরা । সেই রাস্তা দিয়ে আমার যাইতে অনেক কষ্ট হয়েছে। এই রাস্তা গুলো যদি ভালো করা হয় তাহলে। এক্ষণে অনেক দূর দূরান্ত থেকে মানুষ দেখতে আসবে। 

 

এই মসজিদে প্রতি শুক্রবার করে অনেক বড় জামাত আদায় হয় । অনেক দূরে থেকে মানুষ আসে এখানে জুম্মা নামাজ আদায় করার জন্য। শুক্রারের অনেক মানুষ তাদের মানত শোধ করতে আসে। 

 

মোঃ ফরহাদ রেজা 

Comments