আমি নিজে ছবি তুলছি।
আমি বাংলাদেশর নাগরিক । আমার জেলা কুড়িগ্রাম, উপজেলা রাজারহাট, ডাকঘর সিংগার ডাবড়ী হাট। গ্রাম গতিয়াশাম। আমার পরিবারের পাঁচ জন সদস্য। আমরা তিন ভাই এক বোন। আমার বড় ভাই আছে এবং ছোট ভাই আসে। আর সবার বড় বোন। এবং মা আর বাবা নিয়ে আমাদের পরিবার। আমি এবার HSC পাস করলাম। এবং আমার উচ্চতা পাচঁ ফুট ৭ ইঞ্চি। ওজন ৫৫ কেজি। আমি ছোট বেলা থেকে অনেক সপ্ন দেখি যে আমি লেখা পড়া করে অনেক ভালো চাকরি করব। কিন্তু আমার প্রতিনিয়ত কোন না কোন সম্যসা হয়। এবং এই করোনার মাঝে অনেক সম্যসা বেড়ে গেছে।
আমি অনলাইন মোবাইল দিয়ে কিছু কাজ করি।যা আমি অনেক আলন্দ ভাবে কাজ করি। আমি খুব মজা পাই কাজ গুলো করতে। আমার ইচ্ছা অনলাইন থেকে অনেক টাকা ইনকাম করব ইনশাআল্লাহ।
শেষ দু টি বছর আমি অনেক বুঝতে পারছি যে পৃথিবীরতে অনেক কষ্ট করতে হবে। এবং সময় কে মূল্য দিতে হবে তা হলে ভালো কিছু করা সম্ভব।
আমি ছোট বেলা থেকে অনেক কষ্ট করে লেখা পড়া করে আসতেছি। যা আমার জন্য অনেক কষ্ট হয়েছিল যা ভাষায় প্রকাশ করা যাবেনা। এক বেলা খাবার খেতে পারছি অন্য বেলা খাবার খেতে পারি নি। তখন অনেক কষ্ট হতে। আজ একটু ভালো ভাবে খেতে পারছি। মাঝে মাঝে আগের মত হয়। আবার মাঝে মাঝে আগের কথা মনে পরলে অনেক কষ্ট হয় মনে।
দুঃখ আর সুখ মিলে কিন্তু পৃথিবীর সৃষ্টি এটা কিন্তু মানতে হবে। আর যেখানে দুঃখ আছে সেখানে সুখ আছে। পৃথিবীর আধুনিক হয়েছে কিন্তু গ্রাম আগের মত আছে। বাংলাদেশের দরিদ্র জেলা হচ্ছে আমাদের কুড়িগ্রাম জেলা। এই জেলার মানুষ অল্প শিক্ষিত তাই এই জেলা বেশি উন্নত নয়। আমরা যদি সবাই মিলে পড়া লেখা সম্পকে সবাইকে বুঝাতে পারি তা হলে আমরা অনেক তাড়াতাড়ি ভালো জায়গায় যেতে পারব ইনশাআল্লাহ। আমরা যদি আমাদের সরকার কে বলতে পারি আমরা ভালো ভাবে বাঁচতে পারি আপনি সেই কাজ গুলো করেন।
পরিশেষ বলা যায় যে, আমাদের দেশ যদি এগিয়া যায় তা শুধু শিক্ষত লোক গুলো দারাই বেশি সম্ভব। আমি প্রতিদিন বাংলাদেশের সব কিছু সম্পর্কে অনেক কিছু বলার চেষ্টা করব এবং ভালো ভালো কথা বলব। এবং আমার জীবনের অনেক ঘটনা বলব। যা আমার জীবনের পরিবর্তন রূপ।

