লাবণ্য এর গল্প পর্ব 1

A
arif567
লাবণ্য এর গল্প পর্ব 1

একটি মেয়ের নাম ছিল লাবণ্য সে গ্রামে বসবাস করতো তার বয়স যখন ছয় বছর তখন তিনি তার বাবা-মার সাথে গ্রামে বসবাস করতেন তার বাবা তার মাকে অনেক নির্যাতন করত অনেক মার তো অনেক কঠিন শাস্তি দিত এটা লাবণ্য দেখতো আর সে লুকিয়ে লুকিয়ে কান্না করত তার বাবা কি কিছু বলতে পারতোনা কারণ যদি সে কোন কিছু বলে তাহলে হতে পারে তাকে মারধর করবে এজন্য সে কিছু বলতো না।
এদিকে ছোটবেলায় তার দাদার একটি ওষুধের ফার্মেসি ছিল সেখানে সে তার দাদুর সাথে বিকাল বেলায় যেত এবং তাদের সাথে গল্পগুজব করত এবং দাদুকে তার কাজে সাহায্য করতো তার দাদুর কাছে সে অনেক ভালো ছিল এবং তার দাদু তাকে অনেক আদর করতো বাসায় যখন আসছো তখন তার মাথায় চুলে তেল দিয়ে দিতো দিয়ে দিতো ছোটবেলায় সে শুধুমাত্র তার মায়ের এবং তার দাদুর এতোটুকুই পেয়েছিল তার বাবার আদর্শ পাই নাই কারণ তার বাবা ছিল অন্য মেজাজের মানুষ তার বাবা শুধু তাকে শাসন করতো।
একদিন তার বাবা তার মাকে অনেক টর্চার করেই অনেক মারধোর করে এ কারণে সে তার নানার বাড়িতে চলে যায় সেখানে লাবণ্য চলে যায় সেখানে গিয়ে তারা থাকতে থাকে একপর্যায়ে তাদের তারা একটি মামলা করে আদালতে সেখানে তাদের একজন লোক সাহায্য করে লোকটিকে তার বোন বানায় এই হিসেবে লাবণ্য এর মামা সেই মামা তাকে বলে যে যে আমি এই কাজটি ব্যাপার আপনাদের সাহায্য করবো কিভাবে আপনি আপনার স্বামীর ঘরে যেতে পারেন ভালোভাবে সে ব্যাপারে আমি আপনাকে সাহায্য করবো।
এ কথা বলার পর তার মামার সাথে তারা তার মামা বলে তাদেরকে রাখা নিয়ে যাবে এবং কিছুদিন সেখানে থাকবে তারপর তারা চলে আসবে তার মামার একটি ছেলে ছিল তারা শহরে থাকতো বাসায় যাবার পর সেখানে লাবণ্যর সাথে খারাপ আচরণ শুরু করে ইভটিজিং এর মত কাজ লাবণ্যর এটা ভালো লাগতো না এভাবে চলতে ছিল একদিন লাবণ্য তার মাকে বলে তিনি আমার সাথে এমন কাজ করে তখন বলে এটা কোনভাবেই সম্ভব না কিছুদিন পর তার মা অসুস্থ হয়ে যায় তার মাকে তার মামা হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং তার মা গর্ভবতী এটা ধরা পড়ে।
কিছুদিন পর লাবণ্য তাদের বাসায় চলে আসে তার বাবা তাদেরকে আবার পুনরায় নিয়ে আসে নিয়ে আসার পর লাবন্যর বয়স যখন 14 হয়ে যায় তখন লাবণ্যর বাবা লাবণ্যকে বিয়ে দেয়ার জন্য উঠেপড়ে কিছুদিন পর লাবণ্যর বিয়ে হয়ে যায় বিয়ে হওয়ার পরে বিয়ের প্রথম রাত্রেই লাবণ্যকে বলে তোমার বাবার 2 লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা ছিল আমাকে তো কোন টাকায় দিল না তখন লাবণ্য বলে দিবে তো তখন বলে কবে দেবে কথা বলার পর লাবণ্য কে মারধর শুরু করে প্রথম রাত্রে পরেরদিন সকালেই লাবণ্য লাবণ্য কে বলে যে পাড়া-প্রতিবেশীরা এসেছে তোমাকে দেখতে তোমার বাবা তোমাকে কত স্বর্ণ দিয়েছে এগুলো দেখাও এদিকে লাবণ্য লাবণ্য স্বর্ণ গহনা কিছুই দিতে পারে নাই এজন্য লাবণ্য অনেক লজ্জা পাই দুদিন পরে বিভিন্ন কথা বলে লাবণ্য করে লাবণ্য বাড়িতে চলে আসে আসার পরে তারপরে লাবণ্য বাড়িতে থাকে তার বাবাকে সবকিছু খুলে বলে তার বাবা বলে একটু কষ্টকর মা আমি সবকিছু ঠিক করে দিব তারপর লাবণ্য আবার পুনরায় চলে আসে আসার পরে সে আবার তার শ্বশুর বাড়িতে থাকতে শুরু করেন কিন্তু শ্বশুরবাড়ির সবাই তাদেরকে অনেক নির্যাতন করে।
এভাবে কিছুদিন পর লাবণ্য তাদের বাড়িতে চলে আসেন এবং তার বাবাকে সবকিছু খুলে বলে এদিকে স্বামীর সাথে যখন তার ঝগড়া হয় তখন বলে তোমার ফুপিকে আমি এই কারণেই অনেক মারধোর করেছে তোমার ফুপিকে আমি বিয়ে করেছিলাম সে আমাকে কোন টাকা পয়সা দিতে পারে নাই এজন্যই তোমার পিক আমি ছেড়ে দিয়েছি এ কথা শোনার পর লাবণ্য তার বাবাকে সবকিছু বলে তখন লাবণ্যের বাবা বলে তাহলে আর তোমাকে তার বাড়িতে যেতে হবে না।

Comments