এক্সচেঞ্জ
একটি ছিলেন তারা ছেলে দুই ভাই এবং তাদের ফ্যামিলিতে মা-বাবা আছে তো ছেলেটি ছিল একটু বকাটে টাইপের সে ছিল দুই নাম্বার ছেলে সে রাস্তাঘাটে মেয়েদেরকে উত্ত্যক্ত করতো এবং মেয়েদের কে দাঁড় করিয়ে কথা বলতো একটি মেয়েকে অনেক ভালবাসতাম তাকে রাস্তার মাঝখানে দাঁড় করিয়ে কথাবার্তা বলত কিন্তু মেয়েটি এগুলো পছন্দ করত না।
তো একদিনের ঘটনা ছেলেটি রাত্রে দেরিতে বাড়িতে আসে তখন ছেলের বাবা বলেন এত দেরিতে বাড়িতে কোন ছেলে আছে এখন বাজে রাত বারোটা তুমি এতক্ষণ সময় পর্যন্ত বাইরে কি করো তখন ছেলেটির মা বলে মাত্র বারোটা বাজে অনেক তাড়াতাড়ি চলে এসেছি আর দেরিতে আসা দরকার ছেলের বাবা অনেকগুলো প্রশ্ন করেন তখন ছেলেটি বলে এতগুলো প্রশ্ন আমি এখন কিভাবে দিব সকালে ঘুম থেকে উঠি তারপর ঠান্ডা মাথায় আমি তোমার সবগুলো প্রশ্নের উত্তর দেব।
ছেলেটি ঘুমিয়ে পড়েন রাত্রে স্বপ্ন দেখতে পায় সবকিছু উল্টোটা ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখে তার বাবা তাকে সকালে ডাক দিয়ে তুলতেছেন এবং বলতেছে তোমার ভাইকে দেখতে এসেছে তাড়াতাড়ি উঠ তারপর ছেলেটি উঠে উঠে তার ভাইকে নিয়ে যাবে তার বাই রাজি হচ্ছে না কারণ তার ভাই একটি মেয়েকে ভালবাসত অনেক বুঝিয়ে শুনিয়ে তার ভাইকে নিয়ে যায় তার ভাই শরবত নিয়ে যায় যে তাদেরকে সালাম দেয় তখন মেয়েরা ছেলেকে বলে তোমার চুলগুলো একটু দেখাও তো তুমি একটু হেঁটে দেখাও তো তখন মেয়েপক্ষ বলে ছেলে আমাদের চলবে সে সংসারে সবকিছু গুছাতে পারবে।
ছেলেটি আশ্চর্য হয়ে যায় এবং তার বাবাকে বলে এইভাবে তো মেয়ে দেখে ছেলে দেখে নাকি তখন ছেলের বাবা বলে তোর মা যখন আমাকে দেখতে গিয়েছিল তখন আমাকে এভাবে দেখে ছিল আমি ঘরের সবকিছু পারি কিনা সব কিছু করতে পারি কিনা এসব কিছু দেখেছি আমাকে দেখে নাই ভালো করে এগুলো শুনার পর ছেলেটি সেখান থেকে রাগ করে চলে আসে।
তারপরে সে তার বন্ধুকে ফোন দেয় এবং বলে তুই কি করতেছিস তখন ছেলেটি তার বন্ধু বলেন আমি রান্না করতেছি তখন বলল তুই রান্না করতেছিস মানে এটা তো কাজের বুয়ারা করে তখন বলে কিছুদিন পরে আমার ছোট ভাই বিয়ে করবেন তারপর আমার বিয়ে নিয়ে পক্ষ যখন দেখতে আসবে তখন আমাকে জিজ্ঞেস করবে না আমি রান্না করতে পারি কিনা এজন্য রান্না শিখতে চাই তখন বলে ছেলেটি তোরা কি সবাই পাগল হয়ে গিয়েছিস নিয়ে পক্ষ দেখতে আসবে মানে তোকে বিয়ে করে নিয়ে যাবে নাকি তখন বলে তারপর ছেলেটি কিছুক্ষণ পর তার বন্ধুকে আবার ফোন দেন তখন বলে কি করতেছিস তখন বলে আমি ফেসিয়াল করতে চাই আমার স্ক্রিনটা করে যাচ্ছে যখন মেয়েপক্ষ দেখতে আসবে উনারা যদি খারাপ থাকে তাহলে আমাকে পছন্দ করবে না তারপর ছেলেটি বলে তাদের বাড়িতে আসতে তখন তার বন্ধু বলেন আমাকে বাইরে যেতে দিবে না কারণ বাহিরে অনেক রোদ আমার স্ক্রিন খারাপ হয়ে যাবে তারপরে ছেলেটি বলে আচ্ছা ঠিক আছে আমি আসতেছি তোর আসতে হবে না।
তারপর ছেলেটি তার বাসায় যায় এবং দেখা সাক্ষাৎ করে চলে আসে এদিকে ছেলেটি যখন আসতেছে তখন যে মেয়েটিকে ছেলেটি ডিস্টার্ব করত সেই মেয়েটি ছেলেটিকে টা কোথায় বলে হ্যান্ডসাম জানেমন কোথায় যাচ্ছ ছেলেটা অনেক খারাপ হয়ে যায় এবং ছেলেটি মেয়েটিকে বলে এত নোংরা কেন আপনি আপনার বাসায় কি বাপ-ভাই নেই তখন এ কথা বলে ছেলেটি চলে আসে।
এদিকে ছেলেটি বাসায় আসার পর মেয়েটি অনেক ফোন দেয় অনেক নাম্বার দে ফোন দে ছেলেটিকে ছেলেটি ধরে নেয় এবং কিছুক্ষণ পর ফুল ধরে ভুল অনেক গালাগালি করে বলে আপনার বাসায় কি বাপ-ভাই নেই এভাবে একটি ছেলেকে আপনি উত্তপ্ত করতেছেন।
একদিন রাত্রে ছেলেটি এবং তার বাবা রাস্তা দিয়ে হেঁটে আসতেছি তখন মেয়েরা তাদের জ্ঞান নিয়ে বসে আছে এবং শিস দেয় ছেলে কে আটকায় এবং বলে হ্যান্ডসাম তোমাকে ফোন দিতেছি তুমি আমার ফোন ধরতেছে না কেন অনেক কিস করে ছেলেটি সেখান থেকে চলে আসে মাথা নিচু করে আসার পরে ছেলেটি বাড়ি তে কিছুই বুঝতেছে না এই সব এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে কেন।
তারপরে যেটা হয় একদিন ছেলেটি রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছে তার বন্ধসহ তখন তার বন্ধুকে বলে হ্যান্ডসাম তুমি আমার জানেমন কে নিয়ে এভাবে হেঁটে যাচ্ছ কেন তাকে এখানে ছেড়ে যাও তখন ছেলেটি বলে কি হ্যান্ডসাম কাকে জানেমান বলতেছেন আমি আপনাকে ভালোবাসি না তখন ছেলেটি বলে তুমি আমাকে ভালো আমি তোমাকে ভালোবাসি না তখন মেয়েটির বলে ভালোবাসো না এ কথা বলার পর ছেলেটি মেয়েটি তার ব্যাখ্যা কি একটি এসিডের বোতল নিয়ে ছুড়ে মারতে যাবে তখন ছেলেটির ঘুম ভেঙ্গে যায় ঘুম থেকে উঠেই ছেলেটি বুঝতে পারে এগুলো ঠিক না মেয়েদের উত্ত্যক্ত করা ঠিক নয় করা ঠিক না তারপর তার বন্ধুদের নিয়ে সকালে ছেলেটি মেয়েদের সামনে যায় এবং কান ধরে বলে এবং বলে আমরা আপনাদেরকে কখনো ডিস্টার্ব করবো না সবাই একসাথে বলে সরি।

