অপবাদ
ইবনে আঃ ওয়াহ্হাবের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। এ সূত্র ধরেই সউদ পরিবারের সাথে তিনি বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হন। মহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহ্হাব এর আদর্শিক চেতনায় সমৃদ্ধ জনগোষ্ঠী মুহাম্মদ আস-সউদের নেতৃত্বে একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক শক্তি হিসাবে বিকশিত হয় এবং এটি একটি গতিশীল আন্দোলনের রূপ পরিগ্রহ করে। তারা খণ্ড খণ্ড যুদ্ধাভিযান পরিচালনা করে নজদ ও তার আশপাশের গোত্র শাসিত অঞ্চলগুলো দখল করে নেয়। সুদীর্ঘ ২৮ বৎসর পর্যন্ত তাদের এই যুদ্ধাভিযান অব্যাহত থাকে এবং এক বিশাল ভূ-খণ্ড তারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। বিজিত অঞ্চলসমূহে এই আদর্শিক চেতনার প্রতিফলন ঘটানো হয় এবং কুরআন সুন্নাহর আলোকে প্রশাসনিক অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়। সর্বত্র মজবুত দুর্গ নির্মাণ করা হয় এবং শরয়ী প্রথায় কাজী ও মুফতী নিয়োগ করা হয়। ১৭৭৩ সালে এই বাহিনী একটি চূড়ান্ত যুদ্ধে রিয়াদের শাসক শায়খ দাহহামকে পরাজিত করে সেথায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। ১৭৮৭ সালে এই মহান সংস্কারক ইহধাম ত্যাগ করেন।
মক্কা মদীনা তখন তুরস্কের বিশাল উসমানী সাম্রাজ্যের শাসনাধীন ছিল। তুরস্কের উচ্চ পরিষদের পক্ষ থেকে এদেরকে অবদমিত করার জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করা হয় এবং হজ্জ পালনের জন্য তাদেরকে মক্কায় আগমন নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে ইরাক ও পারস্য অঞ্চল থেকে আগত হাজীদের উপর চড়াও হয়ে তারা তাদের মাল সম্পদ লুণ্ঠন করে নিয়ে যেত এবং তাদেরকে নানাভাবে হয়রানী করত। এহেন কারনে ১৭৮৫ সালে এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। ক্রমেই এ দলটি আরব্য অঞ্চলে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠে। ১৮০২ সালে তাঁরা আক্রমণ চালিয়ে কারবাল, নজদ ও বালাদুল হুসাইন ইত্যাদি অঞ্চল দখল করে নেয় এবং যুদ্ধ ঘোষিত অঞ্চলকে দারুল হরব ও লুণ্ঠিত সম্পদকে গনীমতের সম্পদ বিশ্বাসে তাঁরা দখলকৃত এলাকায় ব্যাপক হত্যা ও লুণ্ঠন চালায় এবং জনগণের উপর ব্যাপক অত্যাচার করে। ১৮০৩ সালে তাদের অন্যতম নেতা শায়খ আব্দুল আযীয ইবনে সউদ জনৈক শিয়া গুপ্ত ঘাতক কর্তৃক নিহত হলে তার পুত্র ক্ষমতা গ্রহণ করেন। এসময় ইরাকের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে একটি আক্রমণ পরিচালনা করা হলে ইবনে সউদ তা ব্যর্থ করে দেয়। ১৮০৪ সালে তারা মদীনা ও ১৮০৬ সালে তারা মক্কা নগরীর উপর আক্রমণ করে তা দখল করে নেয় এবং এখানেও ব্যাপক লুণ্ঠন চালায়। তারা বিদ'আত উচ্ছেদের নামে এসকল অঞ্চলে বিদ্যমান সাহাবী ও মনীষীগণের মাযারসমূহকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়। তাদের এসকল আচরণে বিশ্ব মুসলিমের অন্তরে তাদের প্রতি বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে বালাদুল হুসাইনে সংঘটিত লুণ্ঠন তৎপরতা ও সাহাবীগণের মাযার ধ্বংসের কারণে শিয়ারা তদের প্রতি ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়।
অবশ্য তুর্কী সরকার মিশরের গভর্নর মুহাম্মদ আলী পাশাকে মক্কা মদীনা পুনরুদ্ধারের জন্য প্রেরণ করে। ১৮১২ সালে সে মক্কা এবং ১৮১৩ সালে মদীনা ওয়াহাবীদের হাত থেকে পুনঃ দখল করে নেয়। পরে মুহাম্মদ আলী পাশার পুত্র ইব্রাহীম পাশাকে ওয়াহাবীদের নির্মূল করার জন্য প্রেরণ করা হলে সে প্রথম দিকে


আপনার পোস্টের লেখা সুন্দর হয়েছে। কিন্তু ছবি না ব্যবহার করার কারণে পোস্টের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় নাই। নিচের দেওয়া লিংকে ক্লিক করে নিয়মগুলো পড়ে নিন
https://serey.io/bn/authors/sereybd/7463atxgc-h4en8n3qxd-im6x6pfdo
যেকোন প্রয়োজনে আমাদের ডিসকোর্ড চ্যানেলে যোগাযোগ করতে পারেন। - https://discord.gg/P4UFyjaZ
আপনার পোস্ট @sereybd দ্বারা কিউরেট করা হয়েছে। Serey Bangladesh কমিউনিটিতে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ
realsort-elyas দ্বারা ম্যানুয়ালি কিউরেট করা হয়েছে