photo Source By
এভাবে আলেম সুষ্ঠু অর্থনীতির বিকাশের পথে সকল অন্তরায়কে দূরীভূত করে একটি সুষ্ঠু অর্থনীতি বিকাশের পথকে প্রশস্ত করে তুলছেন । তাদের এই ভূমিকাকে খাটো করে দেখার মত নয়।
তাছাড়া নিজেরা চরম দৈন্যের মাঝ দিয়ে জীবন অতিবাহিত করা সত্ত্বেও তারা সমাজের যে বিরাট অর্থনৈতিক খিদমাত আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছেন, তার নজির মিলা দুষ্কর। বিশেষ করে উলামায়ে দেওবন্দ প্রতিটি দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাথে একটি করে এতিম খানা খুলে সমাজের অগণিত এতিম, অসহায় ও দুস্থ মানুষকে থাকা খাওয়া এবং সম্পূর্ণ অবৈতনিকভাবে শিক্ষা দ্বীক্ষা দান করে তাদেরকে সমাজে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে যাচ্ছেন। কোন রূপ সরকারী সাহায্য সহযোগিতা ছাড়াই সমাজের অগণিত মানুষকে আদর্শ মানুষ হিসাবে পুর্ণবাসনের এই যে বিরাট খিদমাত তারা আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছেন, তা সত্যিই তুলনাহীন।
এটা যে তাদের কত বড় অর্থনৈতিক অবদান তা বোধ হয় চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানোর প্রয়োজন নেই। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে তাদের সিকি ভাগ মানুষকেও পুনর্বাসন করতে পারছে না। অথচ সমাজের মানুষ থেকে যৎসামান্য অনুদান নিয়ে উলামায়ে দেওবন্দ যে বৃহৎ খিদমাত আঞ্জাম দিতে পারছেন এটা তাদের অর্থনৈতিক সচ্ছতা ও মিতাচারী দৃষ্টিভঙ্গি ও আমানতদারীর কারণেই সম্ভব হচ্ছে।
তাছাড়া তাদের প্রচেষ্টার বলেই গড়ে উঠেছে হাজার হাজার মসজিদ ও মাদ্রাসা। যার পিছনে সরকারের কোন রূপ সহযোগিতা নেই। সমাজের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তারা এসকল খাতে বিশাল বিশাল খিদমাত আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছেন। আল্লাহ তাদের এই খিদমাতকে ব্যাপক ভিত্তিতে কবুল করুন।
ইসলামের প্রচার প্রসারে তাঁদের অবদান
দ্বীনের প্রচার প্রসারের জন্য তাঁদের সর্ববৃহৎ অবদান হল শিক্ষা সম্প্রসারণের আন্দোলন। এ ক্ষেত্রে তাঁরা যে অবদান রেখেছেন তা বিস্ময়কর।
ভারতবর্ষের সর্বত্র এমনকি উপমহাদেশের বাইরেও উচ্চ পর্যায়ের বহু দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাঁরা গড়ে তুলেছেন- যেখান থেকে প্রতি বৎসর শত শত আলেম দ্বীনি শিক্ষা সমাপন করে দ্বীনের খিদমাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে।কুরআনে কারীমের হিফজের জন্য তারা অগণিত হিফজ খানা স্থাপন করা।


অভিনন্দন, আপনার পোস্ট @sereybd দ্বারা কিউরেট করা হয়েছে। Serey Bangladesh কমিউনিটিতে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ