রেজাখান
আলেম উলামারা সব সময়ই এসকল
উলামাদের বিরুদ্ধে ভীষণ ক্ষেপা ছিল।
উলামায়ে হক্কানী যখন ইংরেজ বিরোধী আন্দোলনে আপোষহীন সংগ্রামে রত, আহমদ রেজাখানের তৎপরতা 8 তখন সাম্রাজ্যবাদীরা এই বিদ'আতী শ্রেণীকে তাদের স্বপক্ষে টেনে নেয়। তাদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে উলামায়ে হক্কানীর বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেয়। ইংরেজদের পৃষ্ঠপোষকতায় ধন্য এদেশীয় ব্যক্তিবর্গের মাঝে গোলাম আহমদ কাদিয়ানীর পর বিদ'আতীদের বিশিষ্ট নেতা মাওঃ আহমদ রেজাখান ছিল অন্যতম ।
বহু বিদ'আতের উদ্ভাবনকারী এই লোকটি রায়বেরলীতে জন্মগ্রহণ করে। এদেশের গণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়া ইংরেজ বিরোধী জিহাদী চেতনাকে অবদমিত করার জন্য ইংরেজরা যেসব ব্যক্তিবর্গকে জিহাদের বিধান রহিত বলে অপপ্রচার চালানোর জন্য ভাড়াটে হিসাবে নিয়োগ করেছিল, আহমদ রেজা খান ছিল তাদের অন্যতম। তবে সে গোলাম আহমদের মত জিহাদের বিধান রহিত করার জন্য নিজেকে নবী হিসাবে দাবী না করে অন্যপন্থা অবলম্বন করেছিল। প্রথম দিকে সে একজন আশেকে রাসূল এবং আধ্যাত্মিক রাহবার হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করে এবং আশেকে রাসূল হিসাবে নিজেকে বৈশিষ্ট্য মণ্ডিত করার জন্য মিলাদ ও কিয়ামের বিশেষ প্রথার প্রচলন করে। নবী প্রেমের কিছু কবিতা ও না'ত সে রচনা করে সাধারণ্যে প্রচার করতে থাকে। ইংরেজরা তাদের স্বার্থেই এ ভণ্ড লোকটিকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য বিভি ন্নভাবে সাহায্য সহযোগিতা করতে থাকে। ফলে সেই নিমক হালালীর জন্য ইংরেজদের জন্য সহায়ক এমন কোন অপকর্ম নেই যা সে আঞ্জাম দেয়নি।
উলামায়ে হক যখন ইংরেজ বিতাড়নের সংগ্রামকে জিহাদ বলে ফতওয়া দিয়ে ভারতকে ‘দারুল হরব' ঘোষণা দিয়েছেন তখন এই লোকটি ইংরেজদের নিমক হালালীর জন্য সর্ববাদী উলামায়ে কিরামের বিপরীতে এদেশকে “দারুল ইসলাম” বলে ফতওয়া দেয় এবং সে জোর গলায় প্রচার করতে থাকে যে, ইংরেজ শাস নাধীন অঞ্চলে মুসলমানদের ধর্মকর্ম পালনে যেহেতু কোন বাধা নেই, অতএব এই প্রতিষ্ঠিত সরকারের বিরুদ্ধে জিহাদ করা সম্পূর্ণ রূপে হারাম। উপরন্তু সে তার


অভিনন্দন, আপনার পোস্ট @sereybd দ্বারা কিউরেট করা হয়েছে। Serey Bangladesh কমিউনিটিতে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ