নিহত ইয়ার মুহাম্মদের ভাই সুলতান মুহাম্মদ খান সামাহ অঞ্চলের খানদের সাথে দেখা করে তাদেরকে এ মর্মে শাসিয়ে যায় যে, তোমাদের এলাকায় আমার ভাই ইয়ার মুহাম্মদ নিহত হয়েছে, তাছাড়া মারদান ও হুতীও তোমরা সহযোগিতা করে মুজাহিদদের হাতে তুলে দিয়েছ, এর খেশারত অবশ্যই তোমাদেরকে দিতে হবে। আমরা এর প্রতিশোধ নিতে সৈন্যবাহিনী নিয়ে আসছি। এ সংবাদ জানতে পেরে রিসালাদার আব্দুল হামীদ খান, ফাতাহ্ খানসহ স্থানীয় খানদের সাথে পরামর্শ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেন যে, 'এ মুহুর্তে সাইয়্যিদ সাহেবের এখানে আগমন জরুরী'। সুতরাং এ মর্মে একটি চিঠি তাঁর নিকট প্রেরণ করা হউক যে, দুররানী সৈন্যরা আমাদের দিকে আসছে, আমরা সবাই মিলে পরামর্শ করেছি যে, আপনি এখানে তাশরীফ আনবেন এবং আমরা আপনার বাহিনীর সাথে মিলিত হয়ে তাদের মুকাবেলায় অগ্রসর হব।
জবাবে তিনি রিসালাদার সাহেবকে লিখলেন, আপনি আপনার বাহিনী নিয়ে আমানযাই এর গড়ে তাবু ফেলুন, তাতে স্থানীয় লোকদের সাহস ও মনোবল বৃদ্ধি পাবে। আর ফাতাহ খান যেন স্থানীয় খানদের শান্তনা দিয়ে আশ্বস্ত করে রাখে। আমরা অতিসত্ত্বর আসছি। ছতররাই ও আম্বের নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করেই তিনি পাঞ্জতারে এসে পৌঁছেন এবং অবস্থার পর্যালোচনার জন্য স্থানীয় খানদের সাথে পরামর্শ করেন। দুররানীরা উত্থানযাই-এ এসে তাবু ফেলে ছিল। কিন্তু তারা যখন জানতে পারল যে, সাইয়্যিদ সাহেব আমানযাই গড়ে অবস্থান নিয়েছেন তখন তারা হুতীতে অবস্থান নেয়। এ সংবাদ পেয়ে সাইয়্যিদ সাহেবও তার অবস্থান পরিবর্তন করে তুরুতে এসে তাবু ফেললেন।

