Photo Source By
এঅবস্থার মাঝেও সমাজের এক শ্রেণীর মানুষ যে অর্থনৈতিক সততা রক্ষা করে চলেছে এটা উলামায়ে কিরামের প্রচারণার বদৌলতেই। যদি সমাজের সকল সদস্য তাদের কথা মেনে চলত তাহলে আমাদের অর্থনৈতিক বিকাশ ও সমৃদ্ধি কতটা ত্বরান্বিত হত তা বোধ হয় ব্যাখ্যা করে বলার প্রয়োজন নেই।
সম্পদ যতই অর্জন করা হোক কিন্তু ব্যায়ের ক্ষেত্রে যদি কেউ মিতাচারী না হয় তাহলে তার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন করা কিছুতেই সম্ভব হবে না। কোটি কোটি টাকা কামিয়েও একজন চরম অভাবী-ই থেকে যাবে। একারণে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন করতে হলে অপচয় রোধ করা ও ব্যায়ের ক্ষেত্রে মিতাচারী হওয়া একান্ত অপরিহার্য। ইসলাম অপচয় রোধ করার ও মিতাচারী হওয়ার যে বিধান দিয়েছে তা সমাজের সামনে তুলে ধরেছেন উলামায়ে কিরাম। তাঁরা নিজেরা যেমন মিতাচারী জীবন অবলম্বন করেছেন ও অপব্যয় ও অপচয় বিবর্জিত জীবনকে বেছে নিয়েছেন সমাজকেও সে পথে আহ্বান জানিয়েছেন।
অর্থ যদি ব্যক্তির হাতে পুঞ্জিভূত হয়ে পড়ে তাহলে অর্থ সম্পদের আবর্তন বাধাগ্রস্ত হবে এবং অর্থনৈতিক ভারসাম্য বিনষ্ট হবে। এতে সমাজের এক শ্রেণীর মানুষ ফুলে ফেঁপে উঠলেও সমাজের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী হবে চরম দারিদ্রের শিকার। ফলে অর্থ ব্যবস্থা একটি জটিল রূপ ধারণ করে। সমাজের বৃহত্তর "জনগোষ্ঠী গুটি কতক মানুষের নিকট অর্থনৈতিকভাবে জিম্মি হয়ে পড়ে।
ইসলাম অর্থনৈতিক আবর্তনকে স্বাভাবিক রাখার জন্য এবং সম্পদ যাতে কারো হাতে বন্দী না হয়ে পড়ে সে জন্য যে সব বিধি-ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছে উলামায়ে কিরাম তা সমাজের সামনে তুলে ধরেছেন। কৃপণতার পরিণাম সম্পর্কে, দান খায়রাতের ফজিলত সম্পর্কে এবং যাকাত ফিরার বিধান সম্পর্কে সমাজকে সচেতন করার চেষ্টা করেছেন। তাঁরা নিজেরা যেমন কৃপণতা ও অর্থ সঞ্চয় করে সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলার প্রবণতাকে কঠোরভাবে পরিহার করে চলেছেন, সমাজকেও এর জন্য অনুপ্রাণিত করে যাচ্ছেন। ফলে অর্থনীতিতে একটি স্বাভাবিক আবর্তন অব্যাহত রয়েছে।


অভিনন্দন, আপনার পোস্ট @sereybd দ্বারা কিউরেট করা হয়েছে। Serey Bangladesh কমিউনিটিতে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ