আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু সবাই কেমন আছেন আশা করি সকলে ভালো আছেন আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে আমিও ভাল আছি।
আজকে আমি যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব সে বিষয়টি হলো সন্তানকে ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব আল্লাহতালা আমাকে কিছু লেখার তৌফিক দান করুন আমিন।
শৈশবে শিশুর মহান অত্যন্ত পবিত্র ও নরম থাকে নরম মাটি কে তোমার যা ইচ্ছা করে তা করতে পারে অনুরূপভাবে মা-বাবা পবিত্র নরম হৃদয়ের শিশুকে যেরূপ প্রশিক্ষণ দান করবেন সেভাবে জীবনের বাকি দিনগুলো অতিবাহিত করবে।
তাই আদরের সোনামণি কে ছোটবেলা থেকেই কার্পেট হিসাবে গড়ে তুলতে হবে আমরা সাধারণত ভাবি এর সন্তান আমার তাকে আমি একান্ত আমার ইচ্ছা অনুসারে গড়বো। কে আছে বাধা দেয়ার কার কী বলার আছে তার ওপর একমাত্র আমার অধিকার।
কিন্তু যদি আমরা একটু ভেবে দেখি কে কাকে সৃষ্টি করেছেন যাকে একান্ত আমার মনে করেছে করছি তার অঙ্গ প্রত্যঙ্গ মেয়েদের বুদ্ধি ও শক্তি সামর্থ্য সহ তার পুরো অস্থিত্ব কে দান করেছেন পৃথিবীতে আগমন আগমন এর পর তার জীবনের জন্য আলো-বাতাস ভূমি সহ যাবতীয় আবশ্যকীয় উপকরণ কে দান করেছেন।
আমিনা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমি শুধু তাকে জন্ম দিয়েছি এবং লালন পালন করছি তাহলে এখন তাকে তার ইচ্ছা অনুযায়ী লালন পালন করা হবে আমার ইচ্ছা না আল্লাহর ইচ্ছা । আমি সন্তানকে আল্লাহর হুকুমের বিপরীত লালন পালন করছি বিজাতীয় কালচারে তাকে গড়ে তুলছি হাশরের ময়দানে আমার সন্তান যদি আমার বিরুদ্ধে আল্লাহর দরবারে অভিযোগ করে আমাকে সম্বোধন করে বলে আমি ভাবছিলাম তোমরা কেন আমার পথ জান্নাত থেকে ঘুরিয়ে দিলে।
দিন কবুলের সহজাত শক্তিকে কেন বিনষ্ট করে দিলে আমাকে যদি ছোটবেলা থেকেই আমার সহজাত পথে রাখতে এবং আমাকে জান্নাতের পথে পরিচালিত করতে তাহলে আজ আমার এই অবস্থা হতো না তা না করে কেন তোমরা আমাকে বিপথগামী করলে তখন আমরা কি জবাব দেব।
তাই মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে সাবধান করছেন কোরআন কারীমে জানিয়ে দিয়েছেন হাশরের মাঠে কাফেররা বলবে হে আমাদের পালনকর্তা যেসব জিন ও মানুষ আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছিল তাদেরকে দেখিয়ে দাও আমরা তাদেরকে পদদলিত করব যাতে তারা যথেষ্ট অপমানিত হয়।
আমরা যদি সন্তানদের আল্লাহর পথে পরিচালিত না করি আমাদের দায়িত্বহীনতার কারণে যদি দ্বারা পথ ভ্রষ্ট হয় তাহলে হাশরের ময়দানে আমাদের আদরের সন্তান রাগে-ক্ষোভে আমাদেরকে পদদলিত করার জন্য আল্লাহর নিকট আবেদন করবেন এর চেয়ে লজ্জার বিষয় আর কি হতে পারে ।
ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা মানুষের পরীক্ষা নেন যে এসবের ভালোবাসায় লিপ্ত হয়ে সে আল্লাহর বিধান লিকে অপেক্ষা করে না ভালোবাসাকে যথাসময়ে রেখেছি ও কর্তব্য পালনে সচেষ্ট হয় অর্থাৎ যারা এ দুটি কে সঠিকভাবে ব্যবহার করে আল্লাহর পথে অটল থাকবে তারা কৃতকার্য হবে।
আর যারা এ জুটিকে আল্লাহর চেয়ে অধিক প্রাধান্য দিবে তারা ব্যর্থ হবে। স্ত্রী ও সন্তান সন্ততির শিক্ষা-দীক্ষার ব্যবস্থা করা প্রত্যেক মুসলমানের অবশ্য কর্তব্য স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি কর্মসমূহ এবং হালাল হারামের বিধান বলি শিক্ষা দেয় এবং তা পালন করার চেষ্টা করা প্রত্যেক ব্যক্তির উপর ফরয সন্তানকে কর্মবিমুখতা স্বাধীন ছেড়ে দেয়া সন্তান হত্যার মতো অপরাধ।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে তৌফিক দান করুন যেন আমরা আমাদের সন্তানদেরকে দ্বীনের শিক্ষা দিতে পারে যেন তারা আমাদেরকে কিয়ামতের ময়দানে লাঞ্চিত না করেন আল্লাহ তাআলা আমাদের তৌফীক দান করুন সকলের সুস্থতা কামনা করে এখানে শেষ করছি আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ

