আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ সবাই কেমন আছেন আশা করি সকলে ভালো আছেন আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে আমিও ভাল আছি।
আজকে আমি যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব সেই বিষয়টি হলো বউ শাশুড়ির সম্পর্ক কেমন হবে সে বিষয় নিয়ে আলোচনা করব আল্লাহ তাআলা আমাকে বলার তৌফিক দান করুন আমিন।
স্বামী-স্ত্রীর দাম্পত্য জীবনে সুখ কিংবা দুঃখের আগমনের পিছনে বউ শাশুড়ির সম্পর্ক সম্পর্কের বিরাট ভূমিকা রয়েছে মূলত বউ-শাশুড়ি শুধু একটি সম্পর্কের নাম নয় এর বাইরেও যোগ হয় দুটি প্রজন্মের সময় ও পরিবেশ নিয়ে তাদের মাঝে চলে ঝগড়া বিবাদ।
এতদিন যে সংসার শাশুড়ির অধিকার পরিচালক ও বৌমা সেখানে যোগ করে নতুন নৈপুণ্যের ছোটখাট ভুল বুঝাবুঝি মতের অমিল নতুন করে পাওয়া দায়িত্ব ইত্যাদি দুজনের সম্পর্কের মাঝে তৈরি করে ঝগড়া বিবাদ।
অথচ বউ শাশুড়ির মধুর একটি সম্পর্ক এনে দিতে পারে অকৃত্রিম ভালবাসা পূর্ণ একটি পরিবার শাশুড়ি ও বউ মা তখন ঐ দূরে সরে যায় যখন তাদের সম্পর্ক বউ শাশুড়ির মতো থাকেন শ্বাশুড়ী বৌমাকে নিজের মেয়ের মত করে দেখা ঠিক তেমনি বউ মারা উচিত শাশুড়িকে নিজের মায়ের স্থানে রাখা।
শাশুড়ির দায়িত্ব সন্তান তাই নিজের মেয়েকে যেমন কষ্ট লাগার মত কথা বলতে বিবেক বাদে ঠিক তেমনি বৌমার ব্যাপারে কথা বলা উচিত তাকে এমন কোন কথা বলা ঠিক নয় যাতে সে দিনে দিনে নিজের দূরত্ব ট্রেনে না কিন্তু মেয়েকে দিয়ে দাসী-বাঁদির মত কাজ করে না কথায় কথায় ফোটা দেয়না বকাঝকা করে না বরং তার মেয়েকে পরম মমতায় কাজ শিখিয়ে দেয় না বুঝলে সুন্দর করে বুঝিয়ে দেয়।
তাই ঘর গোছানো রান্না করা ইত্যাদি কাজে বৌমার পাশে থাকুন বৌমা আপনাকে দেখে শিখে নেবে তাকে শিখিয়ে দিন কিভাবে ঘর গোছাতে হয় কিভাবে রান্না করতে হয় রান্না বাজে হলো অসন্তুষ্ট না হয় ভাল রান্না করতে উদ্বুদ্ধ করুন এর সহযোগী হোন আপনিও নববধূ হয়ে এসেছিলেন তাই বৌমার ত্যাগ কষ্ট চাহিদা উপলব্ধি করা আপনার জন্য সহজ এক কথায় নিজের মেয়ে দেখে তোমাকে আলাদা চোখে দেখা যাবে না প্রত্যেক শ্বাশুড়ী।
বৌমার দায়িত্ব শাশুড়ি বৌমার কাছে মায়ের তাই নিজের মাকে যেমন কষ্ট লাগার মতন কথা বলতে বিবেকে বাধে ঠিক তেমনি শাশুড়ির ব্যাপারেও ভেবে কথা বলা উচিত তাকে এমন কোন কথা বলা ঠিক নয় যাতে তিনি দিনে দিনে নিজের দূরত্ব ট্রেনে আনেন।
মেয়ে কিন্তু মায়ের সাথে অভিমান করে গাল ফুলিয়ে ফুলিয়ে বসে থাকে না মায়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটি তর্ক-বিতর্ক করে করে না অভিমান করে আবার ঠিক সেবা-যত্ন করে আল্লাহ চাইলে একদিন আপনিও শাশুড়ি হবেন এটা মাথায় রাখবেন এক কথায় শাশুড়িকে নিজের মায়ের থেকে ভিন্ন চোখে দেখা যাবে না এটা বৌমার দায়িত্ব ও কর্তব্য।
স্বামীর কর্তব্য হলো মা তিনি যিনি আপনাকে জন্ম দিয়েছেন আর স্ত্রী তিনি যিনি আপনার জন্য জন্ম নিয়েছেন যদি মা আপনার অক্সিজেন হয় তবে স্ত্রী আপনার মিশার মায়ের যেমন আপনার প্রতি অধিকার রয়েছে যেমন স্ত্রীর প্রতি আপনার দায়িত্ব রয়েছে সুতরাং মাকে খুশি করতে গিয়ে স্ত্রীকে কষ্ট দেয়া যাবে না আবার স্ত্রীকে কষ্ট করতে গিয়ে খুশি করতে গিয়ে মাকে কষ্ট দেয়া যাবেনা মাকে মায়ের স্থানে এবং স্ত্রীকে স্থানে রেখে উভয়ের অধিকার আদায় করতে হবে এবং খুশি রাখতে হবে।
আমার কথাগুলো যদি ভাল হয়ে থাকে তাহলে সকলে আমল করার চেষ্টা করবেন আর যদি কোথাও ভুল হয়ে থাকে তাহলে আমাকে ভুলটা ধরিয়ে দিবেন আমি পরবর্তীতে সংশোধন করে নিব আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে মাফ করে দিন সকলের সুস্থতা কামনা করে এখানে শেষ করছি আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু

