আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু। সবাই কেমন আছেন ?আশা করি সবাই ভাল আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে আমিও ভাল আছি।
আজকে আমি সমযয়দিকার এর দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে আলোচনা করব ।আল্লাহ তাআলা আমাকে লেখার তৌফিক দান করুন আমিন।
সম অধিকার দাবিকারীরা নারীর নিরাপত্তা দেয় নি। যদি প্রতিকার না এর জন্য কল্যাণকর হতো। যদি কথিত নারী স্বাধীনতা নারীকে নিরাপত্তা দিতে পারতো ?তাহলে কেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নারী হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের শিকার হচ্ছে?
এখানেই শেষ নয় পৃথিবীর অন্যতম ফ্রি সেক্সের দেশ এবং কথিত নারী স্বাধীনতা অধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রবর্তক হচ্ছে আমেরিকা। পশ্চিমাদেরকে অনুসরণ করতে গিয়ে আমাদের সোনার বাংলা আজ তামা তামা হয়ে যাচ্ছে।
প্রগতিশীলতার পশ্চিমা নারীরা আজও তির্যকভাবে পণ্যে পরিণত হচ্ছে। আমেরিকায়ও 32 মিনিটে একজন নারী ধর্ষিত হয়। আর প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ নারী ধর্ষিত হয় । ধর্ষণ সংক্রান্ত ঘটনার প্রায় 50% পুলিশকে রিপোর্ট করা হয় না।
পশ্চিমা বিশ্ব নারী স্বাধীনতা অধিকারের মিথ্যা স্লোগান নারীকে বাধ্য করছে। জঘন্যভাবে নবনিয়োগ দেহ প্রদর্শন করতে তারপর পুরো নগ্ন অর্ধনগ্ন সেইসব করছে ।।জঘন্যভাবে নারী দেহ কে কেন্দ্র করে গড়ে তুলছে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা।
শুধু নগ্ন নারীদেহের উপজীব্য করে এই পৃথিবীতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের পর্নোগ্রাফি ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠেছে। যদি কথিত সমঅধিকার নারীর জন্য কল্যাণকর হতো? যদি কথিত নারী স্বাধীনতায় নারীদের নিরাপত্তা দিতে পারতো ?তাহলে পশ্চিমা বিশ্বে নারীরা জঘন্যভাবে ধর্ষণ আর বুকের অসহায় শিকার হচ্ছে কেন?????
লক্ষ করে দেখুন তাদের অন্ধ অনুসরণ বাংলাদেশের নারীরা সমান অধিকারের দাবি তুলছে ।সেই তারাই আজও পর্যন্ত সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র নারীর তথাকথিত ক্ষমতায়নের প্রধান প্রবক্তা কিন্তু এখনও পর্যন্ত নারী প্রেসিডেন্ট হয়নি আমেরিকা।
ইউরোপের কয়েকটি দেশে দু-একবার সরকারপ্রধান হয়েছে নারী। যে সমাজে পর্দার বালাই নেই আছে অবাধ স্বাধীনতা সেখানেই ক্ষমতায়নের দৌড়ে নারী এত পেছনে। আর অবাধ স্বাধীনতা আর চেহারাটাও অমলিন নয়। তথাকথিত স্বাধীনতার স্রোতে ভেসে গেছে পশ্চিমা সংসার পরিবার। আমাদের বাংলাদেশে যে দু'জন নারী প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন তাদের একজন পিতার অন্যজন স্বামীর জনপ্রিয়তার ওপর ভর করে। এ পর্যন্ত এসেছেন এ দু'জন নারী ব্যতীত অন্য কোন নারী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে কিনা সন্দেহ রয়েছে। আর সেটা সুখকর নয়।
যাইহোক নারীর ক্ষমতায়ন কিছুটা বাড়লেও নির্যাতন থেকে নারীকে বাঁচানো যাচ্ছে না ।বরং নারী স্বাধীনতার আবার যত বাড়ছে নারী নির্যাতনের খবর তত বাড়ছে ।বর্তমানে বাংলাদেশের নারীদের বিচরণ বিস্তৃত হচ্ছে ততোই বাড়ছে ইভটিজিংয়ের খবর সংবাদ ।মেয়েরা নীরবে সহ্য করে যাচ্ছেন এসব জ্বালাতন অপমান।
অপমান সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন এসব খবর কথিত ক্ষমতায়নকে অমলিন করছে তা বলাই বাহুল্য। কিছু মহিলা পরিবর্তনে সমাজে প্রতিষ্ঠা করেন তাদের অসুবিধা হল না সত্য। কিন্তু আর বাকি লক্ষ-কোটি অসহায় নারীর নিরাপত্তা দিবে কি ?খোদাভীতির সম্পন্ন সমাজ ছাড়া এই ক্ষতি থেকে নারীসমাজ নিরাপদ থাকতে পারে না ।কাজেই সংযমী সমাজ গড়ার ইসলামী বিধান অনুসরণ করা অতি জরুরী।
যাত্রাপথে দুর্ঘটনা এড়াতে নানাপ্রকার গতিরোধক ও পরামর্শ মেনে চলেন ।তাহলে নারীর জীবন যাত্রার দুর্ঘটনা এড়াতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ দেশের হবে কোন যুক্তিতে. নিরাপত্তার সাথে জাগতিক তার নাম অগ্রগতি একজন উপরে উঠলো আর বাকিরা লাঞ্ছিত হল এর নাম উন্নতি হতে পারে না।
বন্ধুরা আজকে এই পর্যন্তই সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন। আমিও সকলের জন্য দোয়া করি। সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজকে আমি এখানে শেষ করছি। আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু।

