লোভন
মারদের
তাদের
সালে
কর্মতৎপরতা শুরু করে তখন থেকে বর্তনে মনুষ্যত আন্দোলন
দলগত প্রশ্নের শিকার হয়। একারনে জমিয়ত নেতৃবৃন্দ এই পবিত্র আন্দোলনকে দলায় সংকীর্ণতার উর্ধ্বে রেখে এটিকে একটি জাতীয় আন্দোলন হিসাবে দুর্বার ও গতিশীল করার লক্ষ্যে ১৯৮৯ সালের ২রা ও তরা মার্চ আরজাবাদ মাদ্রাসায় হযরত মাও. শামসুদ্দীন কাসেমীর সভাপতিত্বে দুইদিন ব্যাপী খতমে নবুয়াত মহা সম্মেলন আহবান করে । এই সম্মেলনে দেশের সকল রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দকে আহবান জানানো হয়। প্রতিনিধিত্বকারী সহস্রাধিক উলামায়ে কিরাম ও সুধীদের উপস্থিতিতে এমনে সম্মেলনে উপস্থিত সিদ্ধান্ত না যে, খতমে নবুয়াত আন্দোলনকে করার লক্ষ্যে এ কাজের জন্য একটি পৃথক অরাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তোলা হউক। এ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই ১৯৯৯ইং সালের ২৬শে অক্টোবর দেশের গণ্যমান্য উলামায়ে কিরাম ও চিন্তাশীল ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে "খতমে নবুওয়্যাত আন্দোলন পরিষদ বাংলাদেশ" নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলা হয় এবং মাওঃ শামসুদ্দিন কাসেমী রাহ. কে সভাপতি ও মুফতী নূরুল্লাহ বাহ, কে সাধারণ সম্পাদক করে ৪১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়। এরপর থেকে আবার নবউদ্যমে সারাদেশে আন্দোলনী তৎপরতা শুরু হয়ে যায় এবং মাত্র চার মাসের ব্যবধানে দেশের প্রায় ৫০টি জিলায় এ আন্দোলনের জিলা সংগঠন গড়ে উঠে। উলামাগণ এ ব্যাপারে স্বতস্ফূর্ত সাড়া দেন। ফলে সারা দেশে কাদিয়ানী বিরোধী আন্দোলনে গণজোয়ার সৃষ্টি হতে থাকে এবং মানুষের মাঝে কাদিয়ানীদের ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। ব্যাপক হারে মিটিং মিছিল চলতে থাকে এবং এ সংগঠনের উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে ধর্মীয় জলসার নামে কাদিয়ানীদের অপতৎপরতা সম্পর্কে গণ সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ অব্যাহত গতিতে চলতে থাকে। অদ্যবধি এ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। গত বি.এন.পি সরকারের আমলে এ আন্দোলন গণজোয়ারে পরিণত হয়। সর্বদলীয় আলেম উলামাদের সম অনুষ্ঠিত মানিক মিয়া এভিনিউয়ের বিশাল জনসমাবেশ থেকে কাদিয়ানীদেরকে অমুসলিম ঘোষণার জোর দাবী জানানো হয়। কিন্তু জানিনা কোন অজানা কারণে পৃথিবীর সব মুসলিম দেশে কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা করা সত্ত্বেও বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন শক্তি কেন কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণার ব্যাপারে গরিমসি করছে। মনে হয় আমাদেরকে তৎপরতা আরো বলিষ্ঠ করতে হবে এবং প্রয়োজনে ১৯৫৩ সালের ন্যায় শাহাদতের রক্ত দিয়ে আন্দোলনকে সফল করার জন্য একটি চূড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং সারওয়ারে কায়েনাডের খতমে নবুয়্যতের আকীদার হিফাযতের জন্য শাহাদতের অমীয় সূধা। পানের নিমিত্তে মানসিকভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। রাসূল সা. এর উম্মত হিসাবে এদেশের তাওহিদী জনতা এ আন্দোলন সফল করার জন্য যে কোন ত্যাগ ও কুরবানী স্বীকার করার জন্য সর্বদাই প্রস্তুত রয়েছে। সরকার যদি চায় যে, দেশ একটি চরম মারমুখী পরিস্থিতির দিকে চলে যাক, তাহলে আমাদের করার কিছুই থাকবে না। কারণ আমাদের কাছে ঈমানের দাবীর মূল্য সব কিছুর চেয়ে বড়। আল্লাহ আমাদের আন্দোলনকে সফল করুন।


অভিনন্দন, আপনার পোস্ট @sereybd দ্বারা কিউরেট করা হয়েছে। Serey Bangladesh কমিউনিটিতে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ