ব্যাংকার

A
arif567

I ব্যাংকের 

তারা দুই বোন জমজ ছিল তার জন্য ঢাকায় ব্যাংকে চাকরি করতো আরেকজন গ্রামে স্কুলের শিক্ষক ছিলেন মা শুধু বাড়িতে থাকত বাবা ব্যাংকার ছেলে ছোটবেলায় মারা গিয়েছিলেন বাবার অভ্যাস ছিল তিনি বই পড়তেন

একদিন মেয়েটি একটি লাইব্রেরীতে যায় এবং মেয়েটিও লাইব্রেরীতে যায় মেয়েটির মোবাইল টিপতে ছিল তখন ছেলেটি এবং মেয়েটিকে খায় মেয়েটি ছেলেটিকে ধরে ফেলে এদিকে ছেলেটির ধাক্কা খাওয়ার কারণে মোবাইল এবং চশমা ভেঙ্গে যায় মেয়েটির ওইদিনই ছেলেটিকে পছন্দ হয়ে যায় আসার সময় মেয়েটিকে বলে মেয়েটি ছেলেটিকে বলে যে আপনার চশমা ছেলেটি বলে যেমন চোখ অনেক সুন্দর তার পর যখন ছেলেটি চশমায় হাত দেয় তখন দেখি তার চশমা ভেঙ্গে গেছে

তার পরদিন ছেলে এবং তার বন্ধু একটি হোটেলে যায় নাস্তা করতে তারা নাস্তা করতে ছিল কিছুক্ষণ পর মেয়েটি এসে এবং ছেলেটি মেয়েটিকে দেখে উঠে চলে যেতে চায় তখন মেয়েটা বলে আমাকে দেখে কি আপনি চলে যাচ্ছেন তখন ছেলেটি বন্ধু বলে আমার অফিসে কাজ আছে আমি চলে গেলাম তারপর মেয়েটি বলে আচ্ছা চলেন আমরা কোথাও বসে গল্প করি তারপর ছেলেটি এবং মেয়েটিকে পার্কে গিয়ে গল্প করে তখন একটি ছোট ছেলে ফুল নিয়ে আসে এবং ছেলেকে বলে যে একটি ফুল নেম অফ উকে গিফট করেন তখন ছেলেটি বলে আমার ফুলের প্রয়োজন নেই।

 তখন মেয়েটি বলে যে যারা ফুল ভালোবাসেন তাদের কোন কিছুই ভালো লাগেনা তখন মেয়েটি ছেলেটিকে একটি ফুল কিনে দেয় ওই দিন তারা বাড়িতে চলে আসে এর পরদিন আবার ছেলেটি মেয়েটির দেখা করে তারা গল্প করতেসিলো পার্কে বসে হঠাৎ মেয়েটি ছেলেটিকেপ্রস্তাব দেয় যে তোমাকে আমার ভালো লেগেছে আমি আমার বাবার অনেক গুণ তোমার মাঝে খুজে পেয়েছি তোমাকে আমি বিয়ে করতে চাই আমি বিয়ের পর তোমার সাথে প্রেম করবো ।

ছেলেটি মেয়েটিকে না করে দেয় তার পরদিন ছেলের বন্ধু বলে এটা কোন কাজ করেছিস তার পরদিন ছেলেটি মেয়েটি আবার দেখা করে এবং ছেলেটি বিয়ে করতে রাজি হয় এবং বলে আমি এখন বেকার রয়েছি কোন চাকরি পাচ্ছি না টিউশনি করি তখন মেয়েটি বলে অসুবিধা নেই তারপর তারা বিয়ে করে ফলে কাজী অফিসে গিয়ে তারপর মেয়েটি তার বান্ধবীর বাসায় মিষ্টি নিয়ে যায় এবং ছেলেটি এবং মেয়েটিকে যখন বাড়িতে আসে তখন তার বন্ধুকে মিষ্টি খাওয়ায় বন্ধু অনেক রাগ করে।

 কারণ তাকে এই বিষয়টাকে জানানো হয় নাই এই জন্য এভাবে চলতে ছিল তাদের মেয়েটি যেহেতু ব্যাংকার ছিলেন এজন্য ছেলেটিকে অনেক কিছু কিনে দেয় এভাবে চলতে ছিল এদিকে হঠাৎ মেয়েটি একদিন ছেলেটিকে বলে যে আমার কয়েকদিনের জন্য ঢাকার বাইরে যেতে হবে আমার অফিস থেকে একটু দূরে যেতে হবে কিছু কাজ করার জন্য তখন ছেলেটি বলে আমার কিছু ইন্টারভিউ রয়েছে আমি ঐগুলো ভালোভাবে ধুয়ে নিন তারপর আমরা দেখা করব এদিকে 10 বছর চলে যায়।

 মেয়েটির সাথে ছেলেটির কোনো কথাবার্তা হয় নাই ছেলেটি মেয়েটিকে ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় খুঁজতে থাকে কিন্তু মেয়েটির কোন খোঁজ খবর পাইনা এদিকে ছেলেটির একটি চাকরি হয়ে যায় বীমা অফিসে যখন মেয়েটির বড় বোন অফিসে আসে যেহেতু তারা দুই বোন দুই বোন ছিল তখন মেয়েটিকে দেখে বলে তুমি এতদিন কোথায় ছিলে তারপর মেয়েটি তার বাসায় নিয়ে যায় তার মায়ের সাথে কথা বলি তখন জানতে পারেন যে তাঁর সে যে মেয়েটিকে বিয়ে করেছিল সে যখন ঢাকা থেকে বাহিরে এসেছিল অফিসের কথা বলে তখন তার পেটে বাচ্চা ছিল প্রেগন্যান্ট ছিলেন তখন তার ক্যান্সার হয়েছিল বাচ্চা হওয়ার পর কিছুদিন পরে মেয়েটি মারা যায় এজন্য মেয়েটি ছেলেটির সাথে আর দেখা করতে পারে নাই তারপর ছেলেটি পাশে বসেছিল তখন মেয়েটির মা বলে তোমার আব্বুর কাছে যাও তখন ছেলেটি ছেলে তার কাছে গেল তখন বলল এতদিন তুমি কোথায় ছিলে আর এখানেই গল্পটি শেষ হয়ে যায়।

Comments