ডিগবাজি

A
arif567

ডিগবাজি

 

তারা দুইজন একে অপরের বন্ধু ছিল এডমন্ড বিবাহিত ছিল এবং তার একটি মেয়ে ছিল অপর বন্ধু তার কোনো ছেলে মেয়ে ছিল না অথচ বিয়েই করে নাই আর বিয়ে না করলে ছেলে মেয়ে কোথা থেকে হবে বন্ধুটি একটি বিবাহ ঠিক করে মিষ্টি কে নাচতেছে তখন তার বন্ধু বলে কোথা থেকে আসছো তখন তার বন্ধু বলে একটা কাজে গিয়েছিলাম তারপর বাড়িতে এসে পরে বাড়িতে আসলে তার স্ত্রী জিগায় মিষ্টি খারাপ বলে যে খুশির সংবাদ বিয়ে ঠিক করেছে নতুন বউ আসবে এ কথা শোনার পর বউ রেগে যায় এবং বলে মিষ্টি খেতে মিষ্টিটা নিয়ে ঘর থেকে ধরে এনে জামাইকে চেহারার সাথে বেঁধে ফেলে।

যখন চেয়ারের সাথে বেঁধে ফেলে তখন জামাই স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করে আমাকে টেনে বেঁধে ফেলেছো তাই বলে আপনি নতুন বিয়ে করবেন বুড়ো বয়সে এখন বিয়ে করার সময় তখন জামাই বলে আরে আমার জন্য না আমার বন্ধুর জন্য ঠিক আছে ইতিমধ্যে তার বন্ধু আসে এবং বলে যে আমার বিয়ে তোমাকে ঠিক করতে বলেছে বলে মেয়ে কেমন তারপরে সে বিয়ে করে ফেলে।

বাসর ঘরে যখন তার বন্ধু চায় তখন বউকে অনেক কথাবার্তা বলে কিন্তু কোন উত্তর দেয় না যখন তার বোনকে জিজ্ঞেস করে যে কথা বলে না কেন তখন ওর বোনের জিজ্ঞেস করে ভাবী কথা বলেন না কেন বলে কি বলবো কারণ স্ত্রী আসতে বললে শোনোনা জোরে বললে শুনে প্রথমে জামাই ভয় পেয়ে গেছিল যে তার স্ত্রী কানে শুনতে পায় না তারপর আবার কথাবার্তা বলেন তখন আর তাও শুনে না তখন তার বোনকে ডাকে পাবে আপনার কথা বললা কেন কয়টা বাজে কানে শুনে না তখন সে তার দোস তোর কাছে ধরা যায় এবং বলে কেমন বিয়ে করাই দিছো আমার স্ত্রী কানে শোনে না।

তারপরে তার বন্ধু তার স্ত্রীর জন্য কানের মেশিন কানে শোনার মেশিন কিনে দেয় এবং সে শুনতে পারে সবকিছু দেওয়ার বন্ধু খুশি হয় এদিকে অপর বন্ধু যে বন্ধু বিয়ে ঠিক করেছে সে একটি দোকান খুলে দোকানের নাম দেয় কোন চিকিৎসা এবং পরামর্শ কেন্দ্র এটা দেখে পুলিশ আসে এবং তাদের দুজনকে ধরে নিতে চায় তখন আমরা গরিব বলে সে আমার লোক তাকে নেওয়া যাবে না তার পরে তাদেরকে ছেড়ে দেয় তখন গ্রাম রইল তাদেরকে বিদেশে পাঠায় অফিসে কাজ করার জন্য হোটেলে তারা হোটেলে কাজ করতে পারেনা এজন্য হোটেলের মালিক অনেক রাগান্বিত হয়।

কিছুদিন পর তার মেয়ে বাংলাদেশ অসুস্থ হয় এবং তার পুঞ্জাবি দেশে যে কারণে অসুস্থ যখন সে জানতে পারে তার মা অসুস্থ তখন সে চলে আসবে এর মধ্যে তার বন্ধু বলে যে আমিও চলে যাব তোমার মেয়ে আমার অমনি তারপর তারা দেশে চলে আসে মেয়ের জন্য অনেক খেলা নিয়ে আসে কিন্তু মেয়ে তো মারা গেছে এজন্য অনেক কান্নাকাটি করে যখন তার স্ত্রীকে বলে অন্যের কথায় তখন নীরব ওর দিকে যায় এবং কান্নাকাটি করতে থাকি এবং কবরকে দেখিয়ে বলে মা আমার বাবা এসেছে তোমার জন্য অনেক খেলা নিয়ে এসেছি অনেক কান্নাকাটি করে বাবা-মা দুজনেই কবরের পাশে দাঁড়িয়ে আর এখানে গল্পটি শেষ হয়ে যায়।

Comments