কভার পেজ
একটা ছেলে সে মূলত মানুষের অনেক ভালো কাজ করতাম মহল্লার যত খারাপ ছেলে ছিল তাদেরকে ডেকে ডেকে বুঝিয়ে শুনিয়ে চুপ করতো কেউ যদি তার কথা না মন তো ভালো না হতে চাইত তাহলে সে তাকে মারধর করতো এলাকার যত খারাপ লোকেরা ছিল তার কথায় অনেক ভালো হয়ে গেছে যে খারাপ লোকদেরকে বালা করত।
একদিন ছেলেটি তার বাসার ছাদ থেকে ঘুড়ি পুরাইতে ছিল আর ঘড়ির মধ্যে নাম দিয়েছিল আসমানের রাজা মেয়ের একটি মেয়ে ছিল তার বাসার পাশেই তারা নতুন ভাড়াটিয়া আসছিল তার মা একটি সরকারি অফিসে কাজ করতো এজন্যই তারা এখানে এসেছে ট্রান্সফার হয়ে।
দিন যখন ছেলেটি গরী বাড়িতে ছিল তখন মেয়েটির একটি ঘড়ি নিয়ে আসেন পড়িয়ে দেওয়ার জন্য তখন মেয়েটি আসমানের রাজা নাম দেখে সে তার তার নাম দেয় আসমানের রানিং এটা ছেলে দেখে তখন ছেলেটি আশ্চর্য হয়ে যায় এবং সেদিন এভাবেই চলে যায়।
তারপর দিন ছেলেটি আবার যখন ঘরেই মুরাবে তখন এই অবস্থা দেখে ছেলেটি মেয়ের গুড়ি কেটে দিতে চাই কিন্তু কাটতে পারে নাই বরং মিটিং ছেলের ঘড়ি কেটে দেয় ছেলেটি কষ্ট পায় এবং মেয়েটিকে খুঁজতে থাকে।
এদিকে একদিন আয় দোকানে যায় চকলেট কেনার জন্য তখন দোকানের সামনেই ছেলের বন্ধুরা সিগারেট খাইতে ছিল তখন মেয়েটি বলে আপনি ক্লাব পাবলিক প্লেসে সিগারেট খেতে পারেন না এটা ছেলের ভালো লেগে যায় এবং তার বন্ধুকে একটা চড় মেরে বের করে দেয়।
আরেকদিন ছেলেটি মেয়েটির বাসার ছাদে যায় মেয়েটি তখন আলপনা করতেছিলো তখন ছেলেটিকে দেখে নিতে আশ্চর্য হয়ে যায় এবং বলে আমি আপনাকে পুলিশে দিব আর একবার যদি আপনি আমাকে ডিস্টার্ব করেন আরেকদিন মেয়েটি তার বাসায় ফোন নিয়ে যায় এবং মেয়েকে ফোন দেয়।
একদিন মেয়েটি তার মাকে বলে আমাকে একটি ছেলে ডিস্টার্ব করতেছে তখন মেয়েটির মা পুলিশকে ফোন দেয় এবং পুলিশ ছেলেটিকে ধরে নিয়ে যায় রাত্রে যখন ঘরে পড়া মেয়েদের বাসায় আসে তখন বলে সে আমাদেরকে রাতের বেলায় হোটেলের বেড়ে যাওয়া খাবারগুলো আমাদেরকে খাওয়া তো আমরা আমরা এখন কিভাবে খাব তারপর তাকে মেয়ের মা ফোন দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে আসে এবং ছেলে মেয়ের বিয়ে হয়ে যায় আর এখানে গল্পটি শেষ হয়ে যায়।

