কাজল রেখা
ছেলেটির নাম কাজল মেয়েটার নাম রেখা ছেলেটি একটি দোকানে কাজ করতো দোকানটি ছিল জুতার দোকান । ছেলেটি দোকানে জুতা বিক্রি করতো একদিন ছেলেটি দোকান খোলা মাত্রই চেয়ারে বসলো তখন হঠাৎ একটি লোক ছেলেটিকে খবর দিল যে অমুকের দোকানে আগুন লেগেছে তারপর ছেলেটি বালতি নিয়ে দৌড়িয়ে যায় দোকান বন্ধ করে।
যখন ছেলেটি বালতি নিয়ে দৌড়ে যাচ্ছে তখন একটি মেয়ের সাথে ধাক্কা খায় তখন মেয়েটি বলে আপনি দেখে শুনে যেতে পারেন না ছেলেটি ওইদিনই মেয়ের প্রেমে পড়ে যায়। তার পরদিন অনেক কাস্টমার আছে দোকানে মেয়েটি যখন দোকানে যায় তখন বাহির থেকে জুতা দেখছিল ছেলেটি বলে ভিতরে আসেন না আসলে তো ভালো ভালো জুতা দেখতে পাবেন তখন মেয়েটি দোকানের ভিতরে আসে।
তারপরে ছেলেটি অনেক জুতা দেখায় মেয়েটির পছন্দ হয় না তারপর ছেলেটি বলে আচ্ছা ঠিক আছে আমি আপনাকে এক জোড়া জুতা দেখাবো যদি আপনার পছন্দ না হয় আপনার দাম দিতে হবে না এমনিতেই নিয়ে যাবেন তারপর অনেক সুন্দর এক জোড়া জুতা নিয়ে আসে এবং মেয়েটিকে পায়ে পরিয়ে দেয় মেয়েটা অনেক ভালো লাগে তার পরেও ছেলেটিকে বলে আমার পছন্দ হয় নাই মেয়েটিকে ছেলে জুতাগুলো এমনিতেই দিয়ে দেয়।
এদিকে এ কথাগুলো দোকানের ঘটনাগুলো যখন ছেলেটি তার বন্ধুকে বলল তার বন্ধু বলল তুই প্রেমে পড়েছিস তার বন্ধু বলে আমি প্রেমে পড়ি নাই বন্ধু বললতুই কি আগে কখনো প্রেম করেছিস ছেলেটি বলল না তখন তার বন্ধু বলল আমি বারোটা প্রেম করেছি আমি জানি প্রেম কিভাবে হয়ে যায় তখন ছেলেটি লজ্জা পায়।
অন্য আরেকদিন মেয়েটি জুতা কিনতে আসে তখন আগের জুতার দাম দিতে যাবে তখন ছেলেটি বলে আপনার কাছ থেকে আমি দাম নিব না তখন বলে কেন আপনাকে আমি ওইগুলো উপহার হিসেবে দিয়েছি তার পরদিন আবারও জুতা নিয়ে যায় টাকা না দিয়ে এভাবে কিছুদিন চলতে থাকে মহল্লার লোকজনেরা জানতে পারে মিটিং জুতার দোকানদারের কাছে কিছুদিন পর পর যায়।
এইভাবে মেয়েটির মামা জানতে পারে তখন মেয়েটিকে বলে ছেলেটিকে বাড়িতে আনতে মেয়েটি ছেলেটিকে বলে যে আপনাকে কালকে আমার মামার সাথে দেখা করতে হবে তখন মেয়েটির কথায় ছেলেটি তার মামার সাথে দেখা করতে যায় তখন মেয়ের মামা বলে 15 লক্ষ টাকা দেনমোহর দিতে পারলে আমার ভাগ্নি কে বিয়ে করতে পারবে তখন ছেলেটি অনেক কষ্ট পায় কারণ সে এত টাকার মালিক ছিল না।
তার পরদিন ছেলেটি মেয়ের বাসায় যায় অনেক কথাবার্তা বলে মেয়েটির সাথে মেয়ের মামা কিন্তু মুখ দিয়ে বের করা যায় মহল্লার লোকজন জানতে পারে যে তার মামা 15 লক্ষ টাকা দেনমোহর চেয়েছেন এদিকে তার বন্ধুর দোকানে ছেলেটি কাজ করতো তার বন্ধুও মেয়েটিকে দেখে ভালো রাখে ছেলেটির বন্ধু মেয়ের মামাকে বলে আমি 30 লক্ষ টাকা দিব আমি মেয়েটিকে বিয়ে করবো পরদিন মেয়েটিকে মেয়ের মামা বলে ছেলেটিকে নিয়ে আসতে যখন ছেলেটি আসে তখন মেয়ের মামা বলে সেই দিন তোমার সাথে ঝগড়াঝাটি করে ভালোই হয়েছে আমি 30 লক্ষ টাকার জামাই পেয়েছি তখন দেখে ছেলেটি তার বন্ধু বসে আছে ছেলেটি অনেক কষ্ট পায়।
একদিন ছেলেটি মেয়ের বাসায় পেট্রোল এর একটি বোতল নিয়ে মেয়ের বাসার সামনে যায় তখন গিয়ে মেয়ের মামাকে বলে আমি তাকে 15 লক্ষ টাকা দিব এবং বিয়ে করবো তখন মেয়ের মামা অনেক গালিগালাজ করে অনেক কথাবার্তা বলে ছেলেটি তখন পেট্রোল এর বোতল দেখিয়ে বলে তাকে যদি না পাই তাহলে আমি পেট্রোল দিয়ে জ্বালিয়ে দিব আমার শরীর এরকম জায়গা জাতির মাঝে হঠাৎ মেয়েটির মামা ছেলেটির গায়ে চাদর ছিল আগুন ধরে মারে মেয়েটির মা মা বলে মরতে চাও যখন আগুনে পুড়ে মর ছেলেটির গায়ে আগুন লেগে যায় ছেলেটিকে হাসপাতাল লেখা হয় হাসপাতালে নেয়ার পর পুলিশ যখন ছেলেটিকে জিজ্ঞেস করে তখন ছেলেটি বলে আমার গায়ে আমি নিজেই আগুন দিয়েছি মেয়ের মামার কথা বলে না ছেলেটি।
এদিকে মেয়েটি অনেক কষ্ট পায় কারণ ছেড়ে রেখেছে মন প্রাণ দিয়ে অনেক ভালোবাসত মেয়েটিকে তার মা মা ছেলেটিকে আগুনে পুড়িয়ে মেরে দিয়েছে একদিন মেয়েটি পুলিশের কাছে আসে এবং পুলিশকে বলে আমার মামা ছেলেটিকে পুড়িয়ে মেরেছে আদালতে মেয়ের কথা সত্য হয় এবং মেয়ের মামাকে জেলে নেয়া হয় এবং মেয়েকে জেলে নেয়া হয় মেয়েটি কিছুদিন পরে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে মেয়েটির শুধু বলে আমি তার সাথে একটি বার কথা বলতে চাই। আর এখানেই গল্পটি শেষ হয়ে যায়।

