সুখের সংসার শেষ পর্ব

A
arif567

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

 

 

বিষয় : সুখের সংসার নিয়ে কিছু কথা

 

 

21 নম্বর/ স্বাধীনতা মানুষের মৌলিক অধিকার ।অধিকার সম্পর্কের প্রতি মানুষের বৃতিশ না এবং আচরনে অসঙ্গতি দেখা যায় ।কমে যায় শ্রদ্ধাবোধ ।জীবন সঙ্গীকে তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতার স্থানগুলো অবশ্যই উপভোগ করতে দিতে হয়। তাতে একে অপরের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি হয় 

 

22 নাম্বার / ওপেন ফ্রেন্ডশিপ বর্জন করা জরুরি ।বিয়ের আগে ছেলে মেয়ে বিভিন্ন ধরনের ফ্রেন্ড থাকলেও বিয়ের পর এসব সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলা আবশ্যক। কোন স্বামী চায় না তার স্ত্রীর ছেলে বন্ধু থাকোক। কোন স্ত্রী চায়না তার স্বামীর মেয়ে বন্ধু থাকুক।

 

২৪ নাম্বার/ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোন বিষয় নিয়ে লুকোচুরি কিংবা গোপনীয়তা কখনোই কাম্য নয় ।একজন আরেকজনের কাছে থাকা জরুরি ।যদি একজন কিছু গোপন রাখে এবং পড়ে প্রকাশ পায় তবে তা নিঃসন্দেহে আরেকজনের মন খারাপের কারণ হয়। ব্যক্তিগত স্বাধীনতা দেখাতে গিয়ে ফেসবুক বা সেলফোনের আড়ালে এমন কিছু না করা যেটি জীবনসঙ্গী জানলে বিপদ হতে পারে। এসব সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাপার গুলো একে অন্যের কাছে খোলাসা রাখা ভালো ।সবচেয়ে ভালো হয় স্বামী-স্ত্রী দুজন একই আইডি ব্যাবহার করা ।এটা সম্ভব না হলে দুজনেই একে অন্যের সাথে পাসওয়ার্ড শেয়ার করেন ব্যবহার করা ।পরস্পরের স্বচ্ছতা সততা এবং খোলামেলা কথাবার্তা একে একে প্রতি অন্যের বিশ্বাস অটুট রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে ।

 

২৫নাম্বার / মোবাইল ব্যবহারে ট্রান্সফারের রাখা। বাসায় থাকা অবস্থায় নিজের কাছে না রাখালেই ভালো ।মোবাইল রাখা আর মেন্টালিটি এরকম রাখা যে কেউ ফোন করলে রিসিভ করে বলে দিও আমি ওয়াশ রুমে আছি কিংবা ব্যস্ত ।এর দ্বারা স্বামী স্ত্রীর উপর নির্ভরশীলতা। প্রতিদিন মধ্য দিয়ে যাবে এমন মনোভাব না রেখে বরং নিজেকে তৈরি রাখা ।টেনশনের মুহূর্তে ভালো থাকার ধৈর্য ধরার খারাপ সময় স্বাভাবিক থেকে হাসিমুখে জীবনসঙ্গীকে সান্তনার বাণী শোনালে উচিত ।এই জীবন সঙ্গীকে অতিরিক্ত থেকে মুক্তি দেয় এবং পারস্পরিক সমঝোতা'র ভিত্তিতে সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে 

 

25 নম্বর/ মনে সন্দেহ রাখা সবচেয়ে বড় খারাপ অভ্যাস ।প্রিয়জনকে সন্দেহ করা সবচেয়ে বড় অন্যায়। দাম্পত্য জীবনে একবার সন্দেহ করলে সেই সংসার কঠিন। যে বিষয়গুলো সন্দেহের কারণ হতে পারে সে বিষয়গুলো আগেই শেয়ার করা উচিত ।কখনো কোনো সমস্যা দেখা দিলে প্রকৃত ঘটনা বলে বলা আবশ্যক যার ভুল সে অকপটে স্বীকার করার অভ্যাস তৈরি করা জরুরী।

 

 26 নম্বর / যে যাই বলুক তাতে কান না দিয়ে বরং জীবনসঙ্গীকে মন দিয়ে বিশ্বাস করা শ্রদ্ধা করা অপরিহার্য কর্তব্য ।কোন কিছু নিজে থেকেই ভেবে না বসে রাগারাগি না করে সরাসরি প্রশ্ন করা ভালো প্রয়োজনে ব্যাখ্যা চাওয়া যেতে পারে।

 

 27 নাম্বার/ গুরুত্বপূর্ণ কিংবা যেকোন সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় একবারের জন্য হলেও জীবনসঙ্গীকে জিজ্ঞেস করে নেওয়া উচিত আস্থা ও বিশ্বাস' মজবুত হয় ।

 

28 নম্বর / জীবনসঙ্গীকে সাফল্য পেতে উৎসাহিত করা ।সেটা পড়ালেখা করা লেখার ক্ষেত্রে চাকরি বা ব্যবসার ক্ষেত্রে হোক না কেন এতে একে অন্যের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ এর যত্ন নেয়া প্রকাশ পায় পরস্পরের ভালোবাসা শক্তিশালী হয়।

 

 29 নম্বর/ জীবনসঙ্গীর ভালবাসা পূর্ণ বিশেষ দিনগুলো মনে রাখা। ডায়মন্ড কিংবা দামি স্মার্টফোন দিতে না পারার কারণে মন খারাপের দরকার নেই ।বরং ছোটখাট জিনিস যেমন একটি এসএমএস সুন্দর মুহূর্ত যেন স্মৃতি ইত্যাদি উপহার দিয়ে চমকে দেয়া যেতে পারে। এতে একে অন্যকে কতটা মিস করে কতটা ফিল করে তা প্রকাশ পায় ।এবং পরস্পরের হৃদয়ের বন্ধন মজবুত হয় ।

 

30 নম্বর / ভালোবাসা হবে তুলনাহীন। জীবনসঙ্গীকে অন্য কারো সঙ্গে তুলনা করা একেবারেই অনুচিত। সুন্দর তুমি সুন্দর না এটা করে তুমি পারোনা অমুকের এই গুণ আছে তোমার নেই ইত্যাদি। পুরনো করা অন্যায় সে যেমন আছে সে অবস্থায় তাকে ভালবেসে যেতে হবে ।

 

31 নাম্বার/ যদি কোনভাবে বুঝতে পারে বুঝতে পারেন যে আপনার স্বামী বা স্ত্রীর পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ছে ।তাহলে চারটি বিষয় মাথায় রাখবেন। এক নাম্বার / ঝগরা করবেন না দুইনাম্বার/ গায়ে হাত তুলবেন না কাউকে জানাবেন না সেই থার্ড পার্সন কে শুধু জানার চেষ্টা করবেন যে আপনার সঙ্গী কেন অন্যের প্রেমে মুগ্ধ হয়েছে। আপনার মধ্যে কোন বিষয়টি রয়েছে এই খোঁজার চেষ্টা করুন ।আপনার বিবেক দিয়ে ভাবুন নিজেকে তার জায়গায় রেখে বিচার করুন তার সাথে খোলাখুলি কথা বলুন যদি অন্যের প্রেমে মগ্ন হওয়ার কারণটা দূর করতে পারেন তবে আপনার সঙ্গী আপনার হৃদয়ের খাঁচায় বন্দী থাকবে এতে কোন সন্দেহ নেই ।

 

34 নাম্বার / ভালোবাসা আর পারস্পরিক বোঝাপড়ার সঙ্গে দৈনন্দিন জীবনের ছোট বড় সব গুলো সমানভাবে কাজে লাগাতে হবে ।নিজেকে শান্তিপ্রিয় এবং সুখী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। নিজেকে শান্তিপ্রিয় এবং সুখী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে ধৈর্যসহ চেষ্টা করতে হবে শান্তির নীড়ে পৌঁছানোর তুমি সুখ দিতে ভাগ্য।

 

 

এখানেই শেষ করছি ।আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু।

Comments