কিছু কথা ১
যেহেতু বিজ্ঞান অদৃশ্য কোন বস্তু বা বিষয়ের অস্তিত্বের স্বীকৃতি দেয় না অতএব কুরআন ও হাদীসে বর্ণিত সকল অদৃশ্য বিষয়াশয়কেই তিনি অস্বীকার করেছেন। যেমন জান্নাত, জাহান্নাম, ওয়াহী, ফিরিশতা, জ্বীন, শয়তান, হুর, গিলমান, মিরাজ, মু'জিযা কারামত ইত্যাদি। স্বীকৃত এসব বিষয়কে অস্বীকার করে কুরআনে ব্যবহৃত এসকল শব্দের মনগড়া ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি।
তাছাড়া তিনি শুকর, কুকুরকে পবিত্র মনে করতেন, বাণিজ্যিক সুদ, মৃত জানোয়ারকে হালাল মনে করতেন, এবং নারী পুরুষের অবাধ মেলা মেশা নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টিকে তিনি অযৌক্তিক মনে করতেন। এ ক্ষেত্রে তার একটি মাত্রই যুক্তি ছিল যে এগুলো প্রকৃতি ও স্বভাবের দাবী, সুতরাং স্বভাব ধর্ম ইসলাম তা নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে পারে না।
তবে তার এসকল উদ্ভট ব্যাখ্যার সবচেয়ে বড় অন্তরায় ছিল রাসূল সা. এর হাদীসের ভাণ্ডার ও আকাবিরে উম্মার তাশরিহাত ও ব্যাখ্যা। যে কারণে তিনি হাদীসের নির্ভরযোগ্যতাকে অস্বীকার করেছেন এবং পূর্ববর্তীদের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণকে তাচ্ছিল্যের সাথে উড়িয়ে দিতে চেষ্টা করেছেন। তিনি স্পষ্টতই বলেছেন যে, ইসলাম বুঝার জন্য পূর্ববর্তীদের কিতাবে উল্লেখিত ব্যাখ্যা কিংবা আলেম উলামাদের থেকে শিক্ষা গ্রহণের কোনই প্রয়োজন নেই। আল্লাহ স্বয়ং কুরআনে ইরশাদ করেছেন, 'আমি কুরআনকে সহজ সরল করে অবতীর্ণ করেছি, কেউকি আছে উপদেশ গ্রহণকারী'। অতএব কুরআন বুঝার জন্য পূর্ববর্তী আলেমদের ব্যাখ্যার পিছনে পড়ার প্রয়োজন নেই। যে কোন ব্যক্তিরই কুরআন ব্যাখ্যা করার অধিকার রয়েছে। তিনি আরো মন্তব্য করেছেন যে, দ্বীন এমন দুর্বোধ্য কোন বিষয় নয় যে, তা অনুধাবনের জন্য আবু হানিফা বা গাজালীর অনুসরণ করতে হবে। এমনকি দ্বীন সম্পর্কে সাহাবীগণের উপলব্ধিকেও তিনি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, “এই উটের রাখালরা দ্বীনের প্রকৃত হাক্বীকত বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে। সাহাবায়ে কিরাম, আইম্মায়ে মুজতাহিদীন ও পূর্ববর্তী সকল মনীষী একে অপরের সান্নিধ্যে এসে দ্বীনের যে উপলব্ধি অর্জন করেছিলেন তাকে নাকচ করে দিয়ে স্যার সৈয়দ নিজে থেকে যে দর্শন পেশ করেছিলেন তাকে ইসলামের সাথে কোন কোন ক্ষেত্রে সঙ্গতি পূর্ণ পৃথক একটি ধর্ম-দর্শন আখ্যা দেওয়া যেতে পারে, তবে তাকে ইসলাম বলা যায় না। ইসলামত সেই উপলব্ধিরই নাম যা সাহাবায়ে কিরাম রাসূল সা. থেকে সরাসরি অর্জন করে ছিলেন এবং সান্নিধ্য পরস্পরায় যে উপলব্ধি আমাদের কাছে এসে পৌঁছেছে।
কিন্তু স্যার সৈয়দ তার এই বিভ্রান্তিকর দর্শনের উপর ভিত্তি করে দ্বীন সম্পর্কে স্বেচ্ছাচারী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন এবং যেখানে তার মন যে রূপ চেয়েছে সে রূপ ব্যাখ্যা পেশ করেছেন। তার এই সব বক্তব্য যেহেতু কুরআনের সর্বস্বীকৃত ব্যাখ্যার অনুকূল ছিলনা একারণে তিনি স্ব-মতের অনুকূলে 'তাফসীরে আহমদী'


আপনার পোস্টের লেখা সুন্দর হয়েছে। কিন্তু ছবি না ব্যবহার করার কারণে পোস্টের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় নাই। করুন। নিচের দেওয়া লিংকে ক্লিক করে নিয়মগুলো পড়ে নিন
https://serey.io/bn/authors/sereybd/7463atxgc-h4en8n3qxd-im6x6pfdo
যেকোন প্রয়োজনে আমাদের ডিসকোর্ড চ্যানেলে যোগাযোগ করতে পারেন। - https://discord.gg/P4UFyjaZ
আপনার পোস্ট @sereybd দ্বারা কিউরেট করা হয়েছে। Serey Bangladesh কমিউনিটিতে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ
realsort-elyas দ্বারা ম্যানুয়ালি কিউরেট করা হয়েছে
অন্ধকার যূগে এসব কর্মকাণ্ডের প্রচলিত ছিল