ভালোবাসার বটি কাবাব
একটি মেয়ে তার বিয়ের সম্বন্ধ এসেছিল 29 টি 30 নাম্বারটি যখন আসে ছেলে বলে আমি এখন বিয়ে করবো না তখন মেয়ের বাবা-মা অনেক কিছু বলার পরে মেয়েটির আজা হয় এবং বলে তোমাদের যে ছেলের সাথে ইচ্ছে বিয়ে দেওয়ার আমি বিয়ে বসবো অসুবিধা নেই আমি বিয়ে করবো তখন তাদের বাবা-মা সবগুলা ফোনে রেকর্ড করে নেয় এবং বলে তুমি কিন্তু বলেছ আমরা যে ছেলেকে দিয়ে বিয়ে করবো সে ছেলেকে বিয়ে করবে এখন আর না বলতে পারবে না তখন মেয়েটা বাধ্য হয়ে যায়।
30 নাম্বার যে ছেলেটি এই ছেলেটি বিদেশ থেকে মাস্টার্স করে এসেছেন তিনি ছিলেন একজন বিশেষজ্ঞ জাকের পর্যায়ে বলা হয় কিভাবে মাংস কাটতে হবে সে বিষয়টি তিনি মাস্টার্স করে এসেছেন বিদেশ থেকে তোমার বান্ধবী যখন মেয়েটিকে বলে ছেলেটি তখন মেয়েটির বলে এটা কোন কথা হল কথা কেন হবে তারপর যখন তার মা বাবাকে জিজ্ঞেস করে ছেলেটি কি করে মা বাবা বলে ছেলেটি কসাই এ কথা শোনার পর মেয়েটি বলে 29 টা রিজেক্ট করেছি এখন একটি ছেলেকে বিয়ে করবো।
মা-বাবার থেকে মেয়েটি এ কথা শোনার পর মেয়েটির অনেক মন খারাপ হয় এবং মেয়েটির ছেলেটির নাম্বার চায় তার মা-বাবার কাছে মেয়ের মা মেয়েটাকে ছেলে নাম্বার দেয় মেয়েটি ছেলেটিকে ফোন দিয়ে বলে আমি কি আপনার সাথে একটি রেস্টুরেন্টে দেখা করতে পারি তখন ছেলেটি বলে অবশ্যই আপনার সাথে আমি কালকেই দেখা করব তারপর মেয়েটি একটি রেস্টুরেন্টের ঠিকানা দিয়ে দেয় এবং ছেলেটি মেয়েটির সাথে দেখা করতে।
এভাবে তাদের চলতেছিল তারা একে অপরের সাথে দেখা করতো ফোনে কথা বলত একজন অপরজনকে ভালবাসতে থাকে একদিন মেয়েটি একটি হোটেলে যায় এবং তার সাথে দেখা সাক্ষাত করে এবং তাদের একজন অপরজনকে তাদের মনের কথা খুলে বলে মেয়েটিকে ছেলেটি তার অফিসে যায় সে অফিসের অনেক বড় উচ্চপর্যায়ের ছেলেটি যাবার পর অফিসে যাবার পরে সেখানে তার একজন পরিচিত ছেলেকে দেখতে পায় তখন ছেলেটি মেয়েটিকে বলে তুমি অবশেষে একটা কষাই কে বিক্রি করবে আমাকে ভালো লাগেনা অনেক কথাবার্তা বলার পর মেয়েটির মন খারাপ হয়ে যায় ছেলেটি সব কথা শুনে পেলো এবং সেখান থেকে চলে আসে।
এভাবে তাদের চলতে থাকে একদিন মেয়েটি ছেলেটিকে বলে আমি আপনাকে বিয়ে করতে পারব না এ কথা বলার পর ছেলেটি বলে আচ্ছা ঠিক আছে তারপর ছেলেটি আমেরিকা চলে যাবে তখন মেয়ের মা-বাবা বলে তোমার ভাই আমেরিকা থাকে সে প্রথমে ট্যাক্সিচালক ছিল সে এখন একটি কোম্পানির মালিক হয়েছে তাহলে আমরা কি তাকে ভুলে গিয়েছি তাকে কি আমরা অসম্মান করি তাহলে সে একজন কোম্পানির বড় উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে তাহলে তুমি তাকে কেন পছন্দ করো না কেন সে যেই কাজটা করে না করুক না কেন সেটি তো কাজ।
এই কথাগুলো মেয়ের মনে লাগে অন্তরে লাগে এই কথাগুলো শোনার পর মেয়েটি ছেলেটির জন্য পাগল হয়ে যায় ভালবাসার জন্য তারপর মেয়েটি ছেলেটিকে আবার আসতে বলে এদিকে ছেলের বাবা জানায় যে সে আমেরিকা চলে গেছে তখন মেয়েটা অনেক কান্না করে আসলে ছেলেটি আমেরিকা যায় নাই কিছুক্ষণ পর ছেলেটি একটি ঘোড়া নিয়ে আসে মেয়েকে নিয়ে যাওয়ার জন্য মেয়েটি ছেলেটিকে দেখে অনেক খুশি হয় এবং মেয়েটিকে ঘোড়ার উপর বসে নিয়ে যায় আর এখানেই গল্পটি শেষ হয়ে যায়।

