আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু সবাই কেমন আছেন আশা করি সকলে ভালো আছেন আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে আমিও ভাল আছি আজকে আমি আপনাদেরকে আমি যখন ঢাকায় কওমি মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়ার জন্য ইন্টারভিউ দিতে যাই তার সম্পর্কে আমি কিছু কথা বলবো আমি কিভাবে ঢাকায় ইন্টারভিউ দেওয়ার জন্য গিয়েছিলাম এবং আমার ফলাফল কি হয়েছিল এবং আমি ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে ঢাকার কোন কোন জায়গায় গিয়েছি এবং কোন কোন জাদুঘরে গেছে তার সবকিছু আজকের লেখায় তুলে ধরার চেষ্টা করব সাধারণত কওমি মাদ্রাসা রমজান ঈদের অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের সাতদিন পরে ভর্তি শুরু হয় আমি বাড়িতে থাকা কালিন আমি ইন্টারনেটের মাধ্যমে কয়েকটি মাদ্রাসার ভর্তি পরীক্ষার সংবাদ জানতে পারি এবং কোথায় কোন দিন পরীক্ষা তার সম্পর্কেও জানতে পারি আর কয়টা থেকে কয়টা পর্যন্ত ইন্টারভিউ নেওয়া হবে তার সম্পর্কেও জানতে পারি আমি ঈদুল ফিতরের সপ্তম দিনে বাড়ি থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেই কিন্তু আমার ঢাকাতে আপন কোন মামা ছিলনা আমার চাচাতো ভাইয়ের এক মামা ঢাকায় থাকতো তিনি ট্রাভেলসের অফিসে কাজ করতেন তার সাথে আলোচনা করে যোগাযোগ করে আমরা ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেই এবং তার কাছে গিয়ে আমরা যে কয়দিন ইন্টারভিউ দেবো সেই কয়দিন তার বাসায় থাকব তো আমরা তার সাথে যোগাযোগ করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয় এবং আমরা ঢাকায় গিয়ে পৌঁছায় আমরা ঢাকায় রাত দশটার সময় পৌছে যায় কারন আমরা বিকালের দিকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম এজন্য রাত্র হয়ে যায় আমরা রাত্রে দশটার সময় যখন তার বাসার কাছে যাই বাসার পাশে গিয়ে তাকে আমরা ফোন দেই এবং বলি যে আমরা চলে আসছি তিনি বললেন পাশের একটি হোটেলে বসে এবং নাস্তা করলে বললেন আমার অফিসে এখনো কাজ শেষ হয় নাই আমি অফিস থেকে 30 মিনিটের মধ্যে বাসায় চলে আসবো কাজ শেষ করে তোমরা এই কিছু সময় নাস্তা করা এবং একটু ঘোরাফেরা কর ও আমাদের অনেক খারাপ লাগতে ছিল কারণ বাসে ভ্রমন করলে আপনি বাসে ভ্রমন করেন অথবা বিমানে ভ্রমণ করেন সেটাই প্রমাণ করেন না কেন আপনার খারাপ লাগবে কারণ তাদের একটা যাকি আছে আর যাকির কারণে শরীর খারাপ হয়ে যায় এজন্য আমাদের অনেক খারাপ লাগতেছিল শরীর ব্যথা করতেছিল কি আর করার তিনি তো আর চাকরি থেকে অফিস থেকে চলে আসতে পারে না এজন্য আমরা এদিক-সেদিন ঘোরাফেরা করে সময় পার করতে ছিলাম এক পর্যায়ে তিনি চলে আসেন আমরা তার বাসায় চলে যায় তিনি অফিস থেকে এসে আমাদের জন্য রান্না বসান এবং আমাদের জন্য মুরগি এবং ভাত রান্না করেন আমরা সেগুলো রাত্রে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পরি পরদিন ছিল আমাদের ঢাকা মোহাম্মদপুর সাত মসজিদ এর ইন্টারভিউ ছিল আমরা সকাল ভোরে ঘুম থেকে ওঠে মাদ্রাসায় চলে যাই মাদ্রাসায় গিয়ে আমরা সর্বপ্রথম ফ্রম তিনি ফরম কিনে তারপর ফর্ম ফিল করে তারপরে ইন্টারভিউ দিতে যাই ইন্টারভিউ হয় একটি ক্লাসের সিস্টেমে প্রায় আমি যে জামাতে ইন্টারভিউ দিয়েছিলাম সেই যে আমাকে প্রায় 400 জন ছাত্র ছিল কিন্তু ওই মাদ্রাসায় ভর্তি করা হবে মাত্র 100 জন 400 জনের থেকে মাত্র 100 জনকে বাছাই করবে আমি একটি বিষয় খুব ভালো পারতাম সেই বিষয়ে আমি পঞ্চাশের মধ্যে 50 নাম্বারে পাই কিন্তু অন্য আরেকটি বিষয়ে আমি কিছুই পারতাম না এজন্য আমি তারপর আমি অন্য একটি মাদ্রাসা ভর্তি হওয়ার জন্য তারপর জানতে পারি বসিলা মোহাম্মদপুর আরেকটি মাদ্রাসা আছে সেখানে ভর্তি হওয়ার জন্য ফরম কিনে নিয়ে আসি নাই তার পরদিন আমরা আবার ওই মাদ্রাসায় ইন্টারভিউ দিতে যাই সেখানে একই অবস্থা হয় সেখানেও ইন্টারভিউতে টিকি নাই তারপর অন্য মাদ্রাসা খুঁজতে থাকি কারণ আমার ঢাকায় ভর্��ি হওয়ার ইচ্ছা ছিলো তাই অনেক মাদ্রাসা খুজতেছিলাম তারপর ফরিদাবাদ মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য সেখানে এসে জানতে পারি তাদের ছাত্র নেওয়া শেষ হয়ে গিয়েছে তারপর যাত্রাবাড়ী বড় মাদ্রাসা ভর্তি হওয়ার জন্য কিন্তু সেখানেও ছাত্র ভর্তির শেষ হয়ে গিয়েছে তারপর যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসা ছাত্রের কাছে জানতে পারি সাইনবোর্ডে একটি মাদ্রাসা আছে সেখানে অনেক ভালো লেখাপড়া হয় তারপর যাত্রাবাড়ী থেকে সাইনবোর্ডে আসি এবং সেখানে ইন্টারভিউ সেখানে দিকে যাই এবং সেখানে লেখাপড়া শুরু করি তারপর আমরা দুইজন পুনরায় বাড়িতে চলে যায় কারণ আমরা যখন ইন্টারভিউ দিতে আসছিলাম মাদ্রাসায় থাকার জন্য সিট কাপড় চোপড় কিতাব কোন কিছুই নিয়ে আসি নাই সেগুলো আনতে বাড়িতে চলে যায় এবং দুই দিন পর পুনরায় আমি আবার ঢাকায় চলে আসি এবং এই ভাবেই ঢাকায় লেখাপড়া শুরু হয়ে যায় এবং আরেকটা কথা বলতে ভুলে গিয়েছি আমি যখন ঢাকায় প্রথম ইন্টারভিউ ইন্টারভিউ বারোটার আগে শেষ হয়ে যেত এবং আমি আর আমার চাচাতো ভাই ঢাকার বিভিন্ন বিনোদনের জায়গায় বেড়াতে যেতাম এবং ওই সময়ে আমি ঢাকার একটি জাদুঘরে গিয়েছিলাম আহসান মঞ্জিলে আমার অনেক ভাল লাগছিল অনেক সুন্দর সুন্দর জিনিস দেখতে পেয়েছিলাম একটা কথায় আছে লেখাপড়া করে করেন যিনি গাড়িঘোড়ায় চলেন তিনি বাস্তবে তাই লেখা পড়ার কারণে অনেক কিছু দেখতে পেরেছি অনেক কিছু শিখতে পেরেছি অনেক জায়গায় ভ্রমণ করার সুযোগ পেয়েছি এই ছিল আমার ঢাকায় প্রথম ইন্টারভিউ দেওয়ার ঘটনা আজকের পর্যন্তই ইনশাল্লাহ সামনে আরেকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব আজকে এই পর্যন্তই সকলের কাছে দোয়া চাই সকলের দোয়া করবেন আমিও সবার জন্য দোয়া করব ধন্যবাদ আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ

