একটি গল্প
একটি মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছে বিয়ের জন্য বাড়ির সবাই প্রস্তুতি নিতেছে যে কিভাবে বিয়ে টা ভালো ভাবে সম্পন্ন হয় এজন্য মেয়ের শ্বশুর বাড়ি থেকে অনেক অনেক স্বর্ণ দেয়
মেয়েটির বিয়ে একটি কমিউনিটি সেন্টারে হবে এর জন্য একদিন আগে তাদের যত আত্মীয়-স্বজন আছে তারা সবাই কমিউনিটি সেন্টারে চলে যায়
তারা সবাই যখন কমিউনিটি সেন্টারে চলে যায় মেয়েটির ভাই একটি মেয়েকে অনেক পছন্দ করত তখন বাড়ি থেকে কমিউনিটি সেন্টারের যাবার আগে মেয়েটির ভাই তার প্রেমিকার সাথে কথা বলতেছিলো অনেক ঝগড়াঝাটি করতে ছিল ফোন দিয়ে
ছেলেটির প্রেমিক অনেক কথা বার্তার পর ছেলেটি বলে মেয়েটিকে যে আমি আসতেছি তুমি কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে অপেক্ষা করো সেখানে থাকো আমরা দুজন পালিয়ে যাব মেয়েটি ছেলেটির কথামতো রেলওয়ে স্টেশনে অপেক্ষা করতে থাকে
অপরদিকে যে কাণ্ডটি হয় কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের জন্য সেন্টার টেবিল সাজানোর জন্য দুইজন লোক চলে যায় বাড়িটাকে আলোকসজ্জার লাইট লাগানোর জন্য তারা ছাদে যখন লাইট লাগাইতে ছিল তখন একটি মেয়েকে বলতে শুনেছে অমুক ওয়ারড্রবে অনেক অনেক স্বর্ণ রয়েছে ।
পরী দুইজন যারা আলোকসজ্জার লাইট লাগাইতে ছিল তারা একথা শুনে ফেলে তখন তাদের মনে প্রবল ইচ্ছা জাগে যে তারা এই স্বর্ণগুলো চুরি করে নিয়ে যাবে তারা দুজন একে অপরকে জ্বলতে থাকে যে কিভাবে স্বর্ণগুলো এখান থেকে নিয়ে দীঘায় যাওয়া যায়
তারপরে লাইটম্যান দুজন যে ঘরের স্বর্ণ রয়েছে সে ঘরে আসে এবং সবাইকে বলে ঘর থেকে চলে যেতে সেখানে তাদের বিদ্যুতের লাইন টানতে হবে হবে ঘর থেকে চলে যায় তারপরে লাইটম্যান দুজনে ওয়ার্ডরোব খুলে সবগুলো স্বর্ণ দেখলে পরে রুম থেকে বের হয়ে যায় সেখান থেকে তারা রেলওয়ে স্টেশনে চলে যায়
একটি কথা বলা হয় নাই এর মাঝে কমিউনিটি সেন্টারে যে মেয়েটির বিবাহ হচ্ছে তার ভাইয়ের সাথে চোর দুটোর ঝগড়া হয়ে যায় চোখ দুটো স্টেশনে গিয়ে ট্রেনের টিকিট কাটে তারপরও তারা ট্রেনে উঠে পড়ে কিন্তু তারা বসার জন্য কোন চেয়ার পাই নাই কারণ তারা দেরিতে টিকিট কেটেছে
এরকম করে তারা যেতে থাকে অপরদিকে মেয়েটির ভাই তার প্রেমিকার জন্য ট্রেন স্টেশনে চলে যায় এবং মেয়েটির সাথে দেখা করে এবং টিকিট কেটে তারাও ওই ট্রেনে চলে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে
ট্রেন চলতেছে চোখ দুটো দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি বুকের মাঝে তার পর পুলিশ আসে পুলিশকে তাকা তারা বলে যে আমরা বই বিক্রেতা অনেকগুলো বই থাকে বইয়ের নিচে লুকিয়ে রাখে মেয়েটিকে দেখে ছেলের চুল গুলো অন্য দিক দিয়ে চলে যায় এভাবে তারা চলতে থাকে যখন তারা রাজশাহীতে পৌঁছে
তখন তারা সেখান থেকে নেমে পড়ে এবং পুলিশ বিভিন্ন কারণে তাদেরকে সন্দেহ করতে থাকে তাদের সাথে একটা মেয়ে থাকে তারা একটি হোটেলে উঠি হোটেলে কিছুদিন যাবত সেখানে থাকে এদিকে তাদেরকে পুলিশে ফলো করতে থাকে যে তারা এমন করতেছে কেন তাদের আচরণ এর মধ্যে চোর চোর মনে হচ্ছে
তারপরে চোখ দুটো টানা গুঙিয়ে হোটেল ওঠে সাথে একটি মেয়েকে যখন প্রেমিক প্রেমিকা তারা ট্রেন স্টেশনে নামে তখন পুলিশ তাদেরকে ধরে ধরে থানা মধ্যে নিয়ে কিছু পিটা দেয় এবং ছেড়ে দেয়
অপরদিকে ছেলেরা যখন সে স্বর্ণগুলো কোন স্বর্ণের দোকানে বিক্রি করতে যায় তখন তারা জানতে পারে যে এই গুলো স্বর্ণ ছিলনা সিটি গোল্ড ছিল তখন তাদের মন ভেঙ্গে যায় কারণ এত কষ্ট করে চুরি করে আনল অথচ সেটা শুধু কষ্টই হয়ে গেল কোন কিছুর ফল পেল না আর এখানেই গল্পটি শেষ হয়ে যায়।

