হ্যালো
ও একটা ছেলে একটা মেয়ে তারা দুজনে স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে অনেক ভালোবাসে হাজব্যান্ড অফিসে চাকরি করে সারাদিন কি অবস্থায় থাকে কোথাও কোনো সমস্যা হয়েছে কিনা এই খোঁজখবর নিতে পারেনা একটি ফোনের কারণে তার স্ত্রী বলছেন এন্ড বারবার একই ফোন কিনতে কিন্তু হাজব্যান্ড বলছিলেন ফোন কেনার প্রয়োজন নেই এখন অনেকবার বলেছেন কেনার জন্য কিন্তু সে ফোন কেনে নাই হঠাৎ করে একদিন আর যখন অফিস থেকে চলে আসে তার কিছুক্ষণ পরেই তার অফিসে আগুন লেগে যায় আর লক্ষ্মীশ্রী ওই সময় বসে টিভি দেখতে ছিলেন হঠাৎ তিনি দেখেন যে তার হাজবেন্ডের অফিসে আগুন লাগছে তখন স্ত্রী অনেক টেনশন করেন এবং বলেন যে একটি ফোন কিনে দেয়ার কথা বলছিলাম যদি আজকে ফোন থাকতো তাহলে আমি খোঁজখবর নিতে পারতাম।
এই কথা বলার পরে কিছুক্ষণ পর হাজবেন্ড চলে আসছে এবং তারা জড়িয়ে ধরে এবং স্ত্রী কান্না করে এবং বলে দেখো যদি আজকে ফোন থাকতো তাহলে আমার এত টেনশন হতো না এগুলো বলার পরে যখন হাজব্যান্ড খাবার খেতে বসে তখন স্ত্রী বলে একটা ফোন কিনে আনলে ভাল হতো অনেক কথাবার্তা বললে তখন হাজব্যান্ড বলে আচ্ছা ঠিক আছে আমি ভাবতেছি তারপরে রাত্রে হাজবেন্ড দুইটি ফোন কিনে নিয়ে আসে বাটন ফোন একটি তার জন্য অপরটি তার স্ত্রীর জন্য স্ত্রী তার ফোন গুলো দেখে অনেক খুশি হয় এবং বলে আমার জন্য নিয়ে আসছো নাকি একটি হাসবেন্ড বলে স্ত্রী আরো অনেক খুশি হয় ফোন এনে দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই হঠাৎ একটি অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন আসে এবং লোকটির স্ত্রী যখন ফোন করে তখন ওই বকাটে ছেলেটি মেয়ের কন্ঠ শুনে উল্টাপাল্টা কথা বলতে থাকে তখন লোকটি বলে এই হল ফোনের সমস্যা এজন্য আমি তোমাকে ফোন কিনে দিতে চাই নাই।
এভাবে যাওয়ার পর তার পরের দিন হঠাৎ করে আবার ওই ছেলেটি ফোন দেয় তখন ঐ লোককে ফোন ধরে এবং তাকে গালিগালাজ করে এবং লোকটি কেটেছে এইভাবে প্রতিদিন ফোন দিতে থাকে লোকটি তার স্ত্রীর হাত থেকে ফোনটা নিয়ে নেয় তারপরে তার বন্ধুর কাছে যায় বন্ধুর কাছে গিয়ে বলবে এই মুহূর্তে বন্ধুর কাছে একটি মেশিন ছিল ওই যে শব্দ শুনে সে একটা পন্থা বের করে এবং যে ফোন দিত অন্য আরেকটি নাম্বারে সে ফোন দিত এবং একটি ছেলেকে বলতো যে আমি অমুক থানার অফিস অফিসার আমার অফিসে চলে আসো তুমি আমাকে ফোন দিতে না এগুলো বলার পরে ছেলেটি অনেক ভয় পেয়ে যায় এবং বড় ছাড় আমাকে মাফ করে দেন অনেক কথাবার্তা বলে তারপরে দিকে লোকটি ফোন কেটে দেয় এবং হাসতে থাকে।
এইভাবে ফোন দেয়ার পর ছেলেটি তার বন্ধুদের সাথে অনেক কথাবার্তা বলেন তারা একজনের কাছে যায় এবং বলে আমি লেখাপড়া করতে পারতেছিনা আমাকে থানাতে জেতে বলতেসে তারপরে তার মনে তার এক বড় আপুর কাছে নিয়ে আসে এবং তার বাসায় থাকে এবং কথাবার্তা লেখাপড়া করতে থাকে ওই ছেলেটা জানতো না যে যে লোকটি তাকে ফোন দিয়ে তো এটাই তার বাসা এভাবে যখন ছেলেটি পড়তে বসতো তখন ওর পিছা দিকে ফোন দিও তখন ছেলেটি ছাদে যেত তখন কেটে দিতে বলতো তুমি এখানে কি করতেছো অনেক কথাবার্তা চলতেছিল ফোনে এবং ছেলেটিকে ভয় দেখায় ছিল।
একদিন ছেলেটি এবং লোকটি গাড়িতে করে যাচ্ছে হঠাৎ করে আরেকটি অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন আসে তখন যেভাবে ছেলেটিকে ফোন দিত সেই ভাবে ওই লোকটিকে ফোন দেয় দেখে ছেলেটি বুঝা যায় এবং ছেলেটি লোকটিকে বলে আপনি সেই লোক আপনি আমাকে এতদিন যাবৎ ভয় দেখাচ্ছেন আপনি জানেন আমার কি অবস্থা তখন লোকটি বলে তুমি আমার স্ত্রীকে ফোন দিতেছ তারপরও অনেক কথাবার্তা হয় এবং লোকটি ছেলেটিকে একটা থাপ্পর দেয় এক পর্যায়ে গাড়ি চালায় এবং গাড়ি এক্সিডেন্ট করে তারা দুজনে হাসপাতালে চলে যায় যাবার পরে ছেলেটি লোকটির কাছে ক্ষমা চায় ছেলেটি ছেলেটি ওই লোক মাফ করে দেয় আর এখানেই গল্পটি শেষ হয়ে যায়।

