আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু ।সবাই কেমন আছেন। আশা করি সকলে ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে আমিও ভাল আছি।
আজকে আমি যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব সেটি হল নর-নারী সমান নয়। আল্লাহ তাআলা আমাকে এ ব্যাপারে কিছু লেখার তৌফিক দান করুন আমিন।
ভালো করে খেয়াল করুন মহান আল্লাহপাক নর নারী সৃষ্টির কাঠামোর মাঝে মৌলিক পার্থক্য দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। এবং তাদের সৃষ্টির উদ্দেশ্য ভিন্ন দেখেছেন। একজন নারী যা পারবে একজন পুরুষ তা পারবে না। আবার একজন পুরুষ একজন নারী পারবে না।
যেমন সন্তান গর্ভধারন এবং সন্তান প্রসব শুধু নারীর পক্ষেই সম্ভব ।কোন পুরুষের পক্ষে সম্ভব নয়। এবং তা বাবাটা ও অযৌক্তিক। আবার নারীর গর্ভে সন্তান আনার জন্য পুরুষের প্রয়োজনীয়। শুধু নারীর পক্ষে কিন্তু এটা আদৌ সম্ভব নয়। এবং তা ভাবাটা বোকামি একজন পুরুষ যে পরিমাণ কাজ করতে পারে একজন নারী তা পারে না। কেননা নারীর শারীরিক শক্তিতে পুরুষের চেয়ে অনেক দুর্বল শুধু তাই নয় প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর থেকে নারীদের অসুস্থতা শুরু হয়ে যায় ।এর দ্বারা নারীদের যাবতীয় অঙ্গ-প্রতঙ্গ প্রভাবিত হয় এবং কর্ম ক্ষমতা কমে যায়।
পুরুষের সব কাজ যেমন নারীর জন্য মানানসই না তেমনি নারীর সব কাজ ও পুরুষের দ্বারা সম্ভব না ।একজন মা তথা নারী যেভাবে পরম মমতায় সন্তানকে লালন-পালন করতে পারেন। একজন বাবা তা কখনো কি পারেন? আবার বাবা তথা পরি পারেন মা ও তার সন্তানকে যথাযথ নিরাপত্তা দিতে।
বস্তুত নর নারী একে অন্যের পরিপূরক। একজনকে ছাড়া আরেকজন এর জীবনের পূর্ণতা পায় না ।পুরুষের পাঁজর থেকে যেমন নারীর উদ্ভব হয়েছে। তেমনি নারীর গর্ভ থেকেই পুরুষের জন্ম হয়। অতএব এই নির্ভেজাল সত্য স্বীকার করতেই হবে ।নারী ও পুরুষের শারীরিক অবস্থা সম্পূর্ণ ভিন্ন।
তারা উভয়ে ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীর জীবন প্রকৃতি পুরোপুরি আলাদা ।তাদের সৃষ্টির উদ্দেশ্য একেবারেই স্বতন্ত্র ।সুতরাং নারী-পুরুষের সমান অধিকার দাবি করা বোকামি।
সমঅধিকার দাবি নারী নির্যাতনের শামীল। নারী-পুরুষের সমান অধিকার দাবি করা সুস্পষ্টভাবে নারী নির্যাতনের শামিল। এর মাধ্যমেই সহজ-সরল নারীকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়া হয় ।কেননা নিয়ম-নীতি লংঘন করে সর্বক্ষেত্রে সবকিছুকে সমান বিবেচনা করা ধ্বংসের অন্যতম কারণ।
তথাকথিত নারীবাদীরা সমঅধিকারের কথা বলে ধোঁকা দিয়ে সরলমনা নারীদেরকে তাদের পিতা স্বামীর জান্নাত মধুময় উদ্যান আরাম-আয়েশের আনন্দ মহল থেকে টেনেহিঁচড়ে রাস্তা ঘাটে মাঠে ময়দানে অফিস-আদালতে ব্যবসায়-বাণিজ্যের অঙ্গনে এনে ছেড়ে দিয়েছে।
কিন্তু নারীরা আত্মমর্যাদার কথা একটুও ভাবেনি ।নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। একটু চিন্তা করে দেখুন এগুলো কোন ধরনের নারী স্বাধীনতা অধিকার।।
সুতরাং নারী স্বাধীনতার আন্দোলন নারীর উপর সুবিচার 915 অবিচার সমঅধিকার দাবি নর-নারীর সাম্য 900 বৈষম্য এ যেন প্রতিমাসের লোভ দেখিয়ে বোকা বোকা নই কৌশল যদি সর্বক্ষেত্রে নর-নারী সময় হবে তবে নারী পুলিশ সদস্য যৌন হয়রানির শিকার হয় কেন নারী যৌন হয়রানির শিকার হয় কেন নারী রাজনীতিবিদ যৌন হয়রানির শিকার হয় কেন। নারী সাংবাদিক যৌন হয়রানির শিকার হয় কেন নারী শিক্ষক যৌন হয়রানির শিকার হয় কেন?????
কারণ নারী নারীই। যতই সময় অধিকার দাবি করা হোক না কেন। বাইরের পর্দাহীন পরিবেশে নারীরা কখনোই পূর্ণ নিরাপত্তা লাভ করতে পারে না। এজন্যই সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পর্দা ফরজ করেছেন।
বন্ধুরা আজকে এই পর্যন্তই সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন ।আমিও সকলের জন্য দোয়া করি। সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজকে আমি এখানে শেষ করছি। আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু।

