আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু সবাই কেমন আছেন আশা করি সকলে ভালো আছেন আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে আমিও ভাল আছি।
আজকে আমি আমার জীবনের একটি স্মরণীয় রাতের ঘটনা বলব ওই রাত্রে আমি সারারাত ঘুমাই নাই যে গেছিলাম একটু ঘুমাই নাই সারা রাত্র আমি কি করেছি কিসের জন্য ঘুমাতে পারি নাই সেই বিষয় নিয়ে বলবো।
বছরের শুরুতে যখন আমি মাদ্রাসায় আসলাম ঐদিন ঘটনাটা কবে ঘটেছিল কারণ আমি যখন বাড়ি থেকে রওনা দিন তখন ছিল জোহরের নামাজের পর। আমাদের মাদরাসাতুল এই বছরের শুরুতে খোলা হয় নাই বরং খোলা হয় কোরবানি ঈদের প্রায় অনেকদিন পরে অর্থাৎ যেদিন সরকারিভাবে স্কুল কলেজ মাদ্রাসা খুলে দেওয়া হয় ওই দিন আমি বাড়ি থেকে রওনা দেই মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে।
আমি বাড়ি থেকে জোহরের নামাজ পড়ে এক্টিভেট দুইটি ব্যাগ হাতে নিয়ে বের হয় তারপর আমি আমাদের অটো স্ট্যান্ড আসি এসে ওই জায়গায় একাউন্টটা পরিমাণ সমান লেট হয় গাড়ি ছাড়তে কিন্তু কিছু করার ছিলনা যাত্রী কম ছিল তাই তারা অটো ছাড়তে দেরি করতে ছিল প্রায় এক ঘন্টা বসে থাকার পর অটো টি মুক্তাগাছার উদ্দেশ্যে ছেড়ে দেয় কারণ আমি মুক্তাগাছায় একটি কারণে যায় সে কারণটি হলো আমার কিছু কিতাব পড়তে হবে।
মুক্তাগাছায় কি আমি সর্বপ্রথম একটি বাসের টিকেট কাটি বাসের টিকিট কাটার পর আমি চলে যাই কিতাব কেনার জন্য সেখানে গিয়ে অনেক দেরি হয় তারা কিতাব গুলো খুঁজে পাচ্ছিল না তাই অনেক দেরি হয় আর ভয়ে পড়েছিলাম আমি না জানি বাস ছেড়ে দেয় তারপর আমি যখন কিতাব নিয়ে আসি তখন দেখি বাস ছাড়ে নাই তারপর আমি বাসে উঠে পড়ি ওঠার 10 মিনিট পর বাস ছেড়ে দেয়।
একটা কথা বলে রাখি আমাদের ওই জায়গায় লোকাল বাস ঢাকা টু ময়মনসিংহ চলাফেরা করে কিন্তু ময়মনসিংহ থেকে যদি আপনি এনা বাসে ওঠেন তাহলে সময় কম লাগে এমনি লোকাল বাসে চললে আপনার কাছ থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগে ময়মনসিংহতে ঢাকায় আসা যাওয়া করতে তো আমার ডাকা পৌঁছাতে সময় লেগে যায় রাত আটটা পর্যন্ত।
তারপর আমি যখন ঢাকায় পৌছালাম আটটার সময় তারপর আমি মহাখালী থেকে গুলিস্তানের উদ্দেশ্যে রওনা দেই গুলিস্তানে গিয়ে আমি খুঁজতে থাকি বালিগাও যাওয়ার । মহাখালী থেকে গুলিস্তান যাওয়ার পথে অনেক জ্যামে আটকে থাকতে হয় প্রায় দুই ঘণ্টা আমি জ্যামে আটকে থাকে তারপরও কষ্ট করে যখন আমি গুলিস্তানে পৌঁছায় তখন রাত বেজে যায় দশটা তখন সব বাস বন্ধ হয়ে যায়।
তারপর আমি বাস খুঁজতে থাকি খুঁজতে খুঁজতে যখন কোন বাস পাচ্ছিলাম না তখন আমি হতাশ হয়ে যাচ্ছিলাম তারপরে একটিবার দেখতে পেলাম ইলিশ বাস বাস ওয়ালা 100 টাকা পাঠাচ্ছিল মাওয়া পর্যন্ত তারপর কি আর করার আমার তো যেতেই হবে তারপর 100 টাকা দিয়ে টিকিট কেটে বাসের ড্রাইভার বললেন জাতীয় বড় হলেই বাসটি ছেড়ে দেওয়া হবে আমরা 12 জন লোক হই তারপর আর লোক হয়না এইভাবে এগারোটা বেজে যায়।
তারপর 1 ঘন্টা পড়ে বাসের ড্রাইভার বলে যে বাস যাবে না কারণ তাদের বাস যাত্রী ধারা ভরে নাই
। একঘন্টা পরে বাসের ড্রাইভার আমাদের বলল আপনাদের জন্য ছোট একটি গাড়ী রেডি করেছি আপনারা ওই গাড়িতে উঠে যান তারপর আমরা ওই ছোট্ট গাড়িতে উঠে তারপর ওই গাড়িটা আমাদের দুই ঘন্টা সময় লাগে মাওয়া পর্যন্ত আসতে আমরা মাওয়া পর্যন্ত এসেছে বারোটার সময়।
বারোটার সময় যখন আমরা মাওয়া পৌঁছায় তখন । বালিগাও চাওয়ার কোন গাড়ি পাইতেছিলাম না প্রায় দুই ঘন্টা বসে থাকার পর একটি অটুট বলল আমাদের বাজারে চলেন সেখানে বাজারের গার্ডের সাথে থাকবেন। থাকলেই আপনার মোবাইল হারিয়ে যাবে চুরি করে নিয়ে যাবে আমি বললাম আচ্ছা ঠিক আছে তারপর আমি ওই বাজারে চলে যাই।
আমি ওই বাজারে গিয়ে ওই অটো ওয়ালা আমাকে বাজারের গার্ড এর সাথে পরিচয় করে দেন বলেন উনি সকাল হলে চলে যাবে উনাকে দেখে রাখবেন আমি ওই জায়গায় থাকী। তারপর আমি ওই বাজারে সারারাত্র গার্ডের সাথে বসে থাকি মোবাইল টিপাটিপি করি এইভাবে চলতে থাকে যখন ফজরের নামাজ হয়ে যায় তখন একটি উপায় মাদ্রাসা যাওয়ার তারপর আমি ওই অটোযোগে মাদ্রাসায় চলে যায়।
এটাই ছিল আমার জীবনের একটি স্মরণীয় রাত যে রাত্রে আমি একটুও ঘুমাতে পারি নাই বরং সারা রত আমার টেনসনে চোটে ছিল যে আমার সবকিছু হারিয়ে না যায় আমি অনেক টেনশনে ছিলাম সার রক্ত চোখের পাতা এক করতে পারিনি।
তো বন্ধুরা সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন আমি একটু শারীরিক অসুস্থ আছি সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন আমিও সকালের জন্য দোয়া করি সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে আজকে আমি এখানে শেষ করছি আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।

