আকীদা

A
arif567
৩. মুসলিম জাতির আকীদার সংশোধন ও কুরআনের প্রতি আহবান প্রকৃত পক্ষে কোন দেশে সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে মানুষের আত্মশুদ্ধি করা একান্ত কঠিন ব্যাপার। এর জন্য প্রয়োজন আম্বিয়া-ই-কিরামের সংস্কার ধারা বজায় রেখে দ্বীনের পূর্ণ জাগরণ। সম্রাট আকবর প্রবর্তিত তথাকথিত দ্বীনে ইলাহীর প্রভাবে মুসলমানদের ঈমান আকীদার ক্ষেত্রে যে বিশৃঙ্খলা বিরাজ করেছিল তা সকলেরই জানা। এর প্রভাবে মানুষের মাঝে কুরআনের আদর্শ হতে সরে আসার যে ব্যাপক মহামারী শুরু হয়েছিল, তা ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। শাহ সাহেব এ সত্যকে উপলব্ধি করে এ সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, এ বিপর্যয় থেকে মুসলমানদের উদ্ধার করতে হলে ব্যাপক ভাবে কুরআনের দাওয়াত প্রচার করতে হবে। মহাগ্রন্থ আল-কুরআন সর্বজনীন ও আন্তর্জাতিক। যে কোন যুগে যে কোন স্থানে এর বৈপ্লবিক নীতিকে অনুসরণ করলে ইসলামের প্রাথমিক যুগের ন্যায় (অর্থাৎ খোলাফায়ে রাশেদার যুগ) নব জাগরণের সূচনা সম্ভব। এ কাজ আঞ্জাম দিতে গিয়ে তিনি সর্ব প্রথম ফার্সী ভাষায় কুরআনের অনুবাদ করেন। যার নাম 'ফাতহুর রহমান'। একাজ করতে গিয়ে তাকে অনেক বিপদের সম্মুখীন হতে হয়েছে। এক শ্রেণীর আলেম তো বলেই উঠলেন কুরআনের ভাষান্তর দ্বারা এর অলৌকিকতা ও মাধুর্য ক্ষুন্ন হয়। সুতরাং একাজ কুরীর সমতুল্য। এক পর্যায়ে শাহ সাহেবকে কুফরীর ফতওয়াও দেয়া হয়। কিন্তু একথা চিরসত্য যে, কুকুরের ঘেউ ঘেউ পূর্ণিমার আলোকে নির্বাপিত করতে পারেনা।

Comments