কৃষকদের এই বৃষ্টি না হওয়ায় অনেক খারাপ ফসল হয়।এই বৃষ্টির কারণে সবার ভালো হলো বৃষ্টির কারণে কৃষকদের অনেক পোকামাকড় থেকে রক্ষা পেল । যার কারণে কৃষকরা এখন অনেক ভালো ফলন নিতে পারবে এবং কৃষকদের ফসলের উৎপাদন অনেক হতে পারে। এই বৃষ্টির কারণে সমস্ত জমি বৃষ্টি না পাওয়ার কারণে মাটির উর্বরতা শক্তি হারিয়েছিল । বৃষ্টি নাষহওয়ার কারণে অনেকদিন ধরে মাটিরশক্তি কমে যাওয়ার কারণে কৃষকদের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছিল। কৃষকদের জমির ফলন কমে গিয়েছিলো ।
ধানের পোকা মাকর বেশি হয়েছিল বৃষ্টি না হওয়ায় কারণে ।বৃষ্টি না হলে সবকিছুতেই পোকামাকড়ের আক্রমণ বেশি হয় ।যার কারণে কৃষকরা ক্ষতির মুখে পড়েন এবং তাদের উৎপাদন থেকে তারা বঞ্চিত হন ।কৃষকদের ক্ষতি এড়াতে আমাদের ওষুধ ব্যবহার করেও কাজ করে না বৃষ্টি না হওয়ার কারণে। পোকামাকর অনেক বেশি হয় যার কারণে ফসল পোকামাকড় দমন করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।
বৃষ্টি কৃষকদের একটি নতুন জীবনের সন্ধান দিয়ে থাকে।বৃষ্টির কারণে অনেক কৃষকের অনেক লাভবান হয়। ফসলের পোকা অনেক বেশি হয়ে যায়।যার ফলে বৃষ্টির অনেক প্রয়োজন। সেজন্য বৃষ্টি আমাদের অনেক উপকার করে । যার কারণেশরৎকালে বৃষ্টি খুব কম হয়ে থাকে ।কিন্তু যখন বৃষ্টি হয় তখন আমাদের অনেক উপকার করে। শরৎকালে বৃষ্টি মাটির কাছে যেন অমৃতের সমান ।কারণ শরৎকালীন বৃষ্টি হয় না সে কারণে কৃষকরা ক্ষতির মুখোমুখি হন সেজন্য অনেক বছর বৃষ্টির দেখা যায় না । কৃষকদের বৃষ্টি খুবই উপকার করে।
শরৎকালে বৃষ্টি যেমন ধানের উপকার করে যেমন বিভিন্ন ফসলের উপকার করে। যেমন লালশাক ,বেগুন ,পটল, লাউ সহ বিভিন্ন ফলের উপকার করে এই বৃষ্টি ।শরৎকালীন বা কার্তিক মাসে বৃষ্টি খুব কম হয়ে থাকে। যার কারণে কৃষকদের কাছে অনেক পরিচিত হয়ে থাকে এই বৃষ্টি । মাটির উর্বরতা ধরে রাখতে সাহায্য করে এই শরৎকালের বৃষ্টি।এই বৃষ্টির কারণে কৃষকরা অনেক উচ্চ ফলনশীল ফসল পান ।এবং তাদের এই বৃষ্টির জন্য উপকার হয়। সে কারণে ভালো ফসল পাওয়ার বৃষ্টি যেন হয় অন্যতম কারণ ।
শরৎতের বৃষ্টি মাটির শক্তি বাড়াতে অনেক উপকারে করে। বৃষ্টি কৃষকরা মনেপ্রাণে চান। শরৎকাল বৃষ্টি খুব কম দেখা যায়। এবং শরৎকালের বৃষ্টি কৃষকদের ফলনের একটি অন্যতম কারণ হিসেবে পরিচিত। শীতকালে বৃষ্টি হয় না যার কারণে শরৎতকালের বৃষ্টি আমাদের উপকার করে। শীতকালে বৃষ্টিপাত বেশি হয় না মাটির উর্বরতা হ্মমতা ও অনেক বাড়িয়ে তোলে।
কৃষকদের সাথে সাথে অনেক লাভবান হচ্ছে মাছ চাষী ভাই। এর কারণ শরৎতের বৃষ্টিতে মাছের অনেক উপকার হয় ।কারণ সরৎকালের বৃষ্টি মাছের একটি অন্যতম বৃদ্ধির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শরৎকালের বৃষ্টি অনেক মাছ এই বৃষ্টির সময় তাদের পোনা ছেড়ে অনেক বড় হয় ।যার কারনে মাছের বাবসায়ীরা অনেক লাভবান হয়েছেন ।
কৃষকদের এই বৃষ্টিতে উপকারের কথা বলে শেষ করা যাবে না কারণ সত্যের বৃষ্টি ছাড়া কৃষকদের ফসল কোনরকম ভালো হবে না ।কারণ এই বৃষ্টির কারণে তাদের পোকা দমন সহ উচ্চারণ ভালো নেই তারা লাভবান হচ্ছে যা করলে ধীরে ধীরে বৃষ্টি খুবই প্রয়োজন ।এবং তারা এই বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করে এই বৃষ্টি তাদের জন্য উচ্চফলনশীল বিভিন্ন পোকামাকড় দমনে করে।বৃষ্টির জন্য মাটির উর্বরতা শক্তি বেড়ে যায় যার কারণে মাটির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। কৃষকরা ব্যাপকভাবে লাভবান হন সেজন্য শরৎতের বৃষ্টি কৃষকদের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ।