আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহু।
প্রিয় সাথী বৃন্দ, আজকে আমি তেজস্ক্রিয়তা এবং আমাদের দেশের খামারগুলো অর্থাৎ মুরগির খামার গরুর খামার গুলোর মাধ্যমে কিভাবে টেস্ট করে তা আমাদের পরিবেশে ছড়াচ্ছে এবং একটু সিস্টেম নষ্ট করছে সেই বিষয় নিয়ে আজকের এই আয়োজন এই পোস্টটা আপনাদের সকলকে স্বাগতম এবং অভিনন্দন।
বর্তমানে আমাদের দেশে বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় খাবার সরবরাহ করা হয় যেমন বয়লার পালন কেন্দ্রে, গবাদি পশু পালন কেন্দ্র, এছাড়া যত খামার রয়েছে মুরগির খামার হোক গরুর খামার হোক ছাগলের খামার হোক এই সমস্ত খামারে কৃত্রিম কিছু খাবার এদের খাওয়ানো হয়। যে খাওয়া খাবারগুলো র মধ্যে তেজস্ক্রিয়তা পদার্থ রয়েছে।
তেজস্ক্রিয়তার কারণে পরিবেশের ক্ষতিঃ আমরা মুরগির খামারের চারপাশে দেখি যে এই মুরগির খামারগুলোতে মুরগিগুলো যে পায়খানা করে সেগুলো ধুয়ে সংরক্ষিত জায়গায় না রেখে খোলা জায়গায় এগুলো ছেড়ে দেওয়া হয় কোন প্রকার রিফাইন করা হয় না।
আপনারা দেখতে পাচ্ছেন।
এতে আমাদের দেশে পৃথিবীর যে কোন দেশের একটা ইকো সিস্টেম থাকে সেই ইকো সিস্টেম নষ্ট হয়ে যায় অর্থাৎ এই তেজকো পদার্থ যখন পরিবেশে খোলা জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে তখন সেখানকার অনুজীব বলতে কিছুই থাকেনা সবগুলো ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় আর অনুযায়ী ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়ার কারণে সেখানকার ইকো সিস্টেম নষ্ট হয়ে যায়। হ্যালো পরিবেশ কঠিন বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। পরিবেশ যখন বিপর্জন মুখে পড়ে তখন আমরা হুমকির মুখে পড়ে যায়। এই বয়লার মা খামারের গরুর মাংসগুলো যখন আমরা খাই তখন এক সময় আমাদের মধ্যে ক্যান্সার রোগের পদ দুর্ভাগ দেখা দেয় এমনকি বন্ধত্ব অন্ধত্ব ইত্যাদি উপসর্গ আমরা লক্ষ্য করতে পারি।
তাই আমরা এখন থেকেই যদি সতর্ক না হয় তবে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এর প্রভাব পড়বে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কে রক্ষা করার জন্য আমরা আজ হতেই এই তেজস্ক্রিয়তা খাবারগুলোর ব্যবহার কমিয়ে দেই। আসুন এ ব্যাপারে আমরা সবাই এগিয়ে আসি। তবে আমরা এই বিপর্য হতে রক্ষা পেতে পারি আজকের মত এখানে শেষ করছি আল্লাহ হাফেজ।



