মহান আল্লাহ তাআলার গুণাবলী নিয়ে সামান্য কিছু কথা।

alim236

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

 আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি বারকাতুহু।

 

 

 প্রিয় সাথী বৃন্দ, আপনারা সবাই কেমন আছেন জানিনা আল্লাহ আর আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন আমিও আল্লাহর মেহেরবানীতে অনেক ভাল আছি সুস্থ আছি।

 

আজকে আমি এই মহান আল্লাহ তায়ালার কিছু গুনো কীর্তন আপনাদের সামনে তুলে ধরব। মহান আল্লাহ তা'আলা যখন পৃথিবীতে বা সাত আসমান জমিন লাহরে মাহফুজ নদ নদী পাহাড় পর্বত জিন ইনসান মাখলুক কিছুই ছিল না তখন মহান আল্লাহতালা ছিলেন এখনো আছেন ভবিষ্যতেও থাকবেন। তার কোন প্রকার জন্ম নেই মৃত্যু নেই।

তিনি হাই উল কাইয়ুম চিরঞ্জিব। তিনি একাই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। প্রথমে মহান আল্লাহতালা সাত আসমান সাত জমিন সাত দিনে তৈরি করেছে। এরপর স্তরে স্তরে সব কিছু সৃষ্টি করেছেন এবং সর্বশেষ তিনি তার লাহারে মাহফুজ অর্থাৎ আহরণ করেছেন। এরপর তিনি সব কিছু পরিচালনা করছেন কোন প্রকার চিন্তা কোন প্রকার কষ্ট কোনো প্রকার সাহায্য ছাড়াই।

মহান আল্লাহ তা'আলা যা ইচ্ছা যখন ইচ্ছা যেভাবে ইচ্ছা তখন সেটা সেভাবেই করে থাকেন। মুহূর্তের মধ্যে আকাশে কোন মেঘ নেই রোদে ভরপুর সেই আকাশ থেকে মুহূর্তের মধ্যে বৃষ্টি নামাইয়া থাকে। আবার বৃষ্টি অবিরাম বৃষ্টি হচ্ছে মুহূর্তের মধ্যে বৃষ্টি সব ছেড়ে যায় এটাও মহান আল্লাহতালা করে থাকেন।

কালকে বিকালে আকাশের কিছু চিত্র আমি তুললাম স্মৃতিগুলো দেখে অনেক ভালো লাগে যে আল্লাহ এই মেয়েকে কত আকৃতি দিয়ে থাকেন। আর এই মেঘগুলো আকাশে ভেসে বেড়ায় যখন যেদিকে নির্দেশ দেওয়া হয় মেঘগুলো তখন সেদিকেই চলে যায় আর যদি মহান আল্লাহতালা স্থির থাকতে বলেন তাহলে ম্যাচ দিয়ে থাকে কোন দিকে যাওয়ার ক্ষমতা তার নেই।

আবার যদি মেয়েকে বলা হয় তুমি এখন বৃষ্টি ঝরাও তখন মেঘ বৃষ্টি ঝরাইয়া থাকে। এটা মহান আল্লাহতালা নিজ গুনেই করে থাকেন এর জন্য কারো সাহায্য সহযোগিতা প্রয়োজন হয় না তার। মহান আল্লাহতালা যখন যা ইচ্ছা করেন তখন তাই হয়ে যায়। হুকুম করেন হয়ে যাও যদি কয় ধ্বংস হয়ে যাও অমনি তার ধ্বংস হয়ে যায় অর্থাৎ এই পৃথিবী সবকিছু আল্লাহর নিয়ন্ত্রণাধীন চলে থাকে কেউ নিজের ইচ্ছায় চলতে পারে না।

নিজের ইচ্ছায় নিজের চিন্তাধারা চলতে পারে একমাত্র জিন এবং ইনশাল্লাহ। এদের কি ইচ্ছা শক্তির উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং পরীক্ষার হল পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছে। এখানে একটা মানুষ আল্লাহর হুকুম মেনে জীবন যাপন করতে পারে অমান্য করেও জীবন যাপন করতে পারে। এর জন্য মহান আল্লাহতালা কোন প্রকার বাধ্যবাধকতা যার উপর চাপাবেন না।

 

হাশরের ময়দানে জিন এবং স্থানের বিচার হবে বিচারে তাকে হয় জাহান্নাম নয় জান্নাতের প্রবেশ করানো হবে। এই জ্বীন ইনসান বাদে যা কিছু আছে কারো কোন জান্নাত নাই জাহান্নামও নাই। তাই আসুন আমরা আমাদের বিভাগ ভালো পথে পরিচালিত করি আল্লাহর হুকুম মানে নবীর তরিকায় জীবন সুখ ও শান্তিময় হবে আজকের মত এখানেই শেষ করছি আল্লাহ হাফেজ।

Comments

asad18
আল্লাহ তায়ালার গুণাবলী কখনো গুনে শেষ করা যায় না। তিনি অসীম এবং অঘাত জ্ঞানের জ্ঞানী।