বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু
সম্মানিত সাথীবৃন্দ আপনারা কেমন আছেন? আল্লাহর অপার মহিমায় এবং তার, করুনার ফলে। আজকে আমি একটি বিরল প্রজাতি অর্থাৎ পাখির বৈশিষ্ট্য এবং স্তন্যপায়ী প্রাণীর বৈশিষ্ট্য নিয়ে পৃথিবীতে টিকে থাকার প্রচেষ্টা। এই পোস্টে আপনাদের সবাইকে সু-স্বাগতম।
সষ্টিকর্তার বিস্ময়কর সৃষ্টি । এই প্লাটিপাস যেতা প্রাণীটি আজ আমাদের পৃথিবী হতে বিলুপ্তির পথে। এই প্রাণীটি ডিম পাড়ে অথচ স্তন্যপায়ী বা পাখি এবং স্তন্যপায়ী প্রাণীর বৈশিষ্ট্য একসাথে বিদ্যমান।
প্রাণীটির বৈজ্ঞানিক নামঃ Ornithorhynchus anatinus) বর্গ হলঃ মনোট্রিমাটা। প্রাণীটি ছোট্ট স্তন্যপায়ী। এরা বেশিরভাগ অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষিণ ও পূর্ব এলাকায় সিংহ ভাগ।
প্লাটিপাস দেখতে বীভারের মতো একই ধরনের। দেহ বাদামী প্রকৃতির, দেহ লোমে আবৃত এবং প্রশস্ত এবং সমান্তরাল লেজ দেখা যায়। পায়ের আঙ্গুল গুলো হাঁসের মতো তাই এরা দ্রুত সাঁতার কাটতে পারে । নাক রবারের মতো আকারে বড় হয়ে থাকে।। এই নাকের কারণে এটির নাম হংসচঞ্চু। হাঁসের ঠোঁটের মতো এদের ঠোট। প্রতিটি প্লাটিপাস এর ওজন ১ কেজি (২ পা) থেকে ৩ কেজি (৭ পা) ওজনের হয়।। এর দেহ ১২ ইঞ্চি থেকে ১৬ ইঞ্চি লম্বা হয়। লেজ ৪ ইঞ্চি থেকে ৬ ইঞ্চি লম্বা হয়।
জীবনপ্রণালী সম্পাদনাঃ
সাধারণত প্লাটিপাস দিনে ঘুমায়। রাতে এরা চলাফেরা করে থাকে। সাঁতারে দক্ষতা থাকায় এরা দ্রুত এগিয়ে যেতে পারে।। পায়ের সাথে সংযুক্ত রয়েছে পায়ের পাতা।
অন্য প্রাণীকে সাধারণত প্লাটিপাস নিজেদের জীবন বাঁচায়। প্লাটিপাসের প্রধান খাদ্য হিসেবে তথা কেঁচো, পোকামাকড়ের ডিম, স্বাদু জলের চিংড়ি ইত্যাদি ।
সাঁতারের সময় চোখ বন্ধ করে এরা সাঁতার কাটে । তখন তারা বিভিন্ন ইন্দ্রিয় দিয়ে শ্রবণ, স্পর্শ কিংবা বিদ্যুতায়িত তরঙ্গ ব্যবহার করে।
জীবনচক্র সম্পাদনাঃভূমিতে অবস্থান কালীন সময়ে প্লাটিপাস খরগোশের গর্তের মতো ছোট, সোজা, ডিম্বাকৃতি গর্তে বসবাস। গর্তগুলো ৩ মি থেকে ৮ মি মধ্যে হয়ে থাকে। ডিম পাড়ে এবং দশ দিন পর ডিম ফুঁটে বাচ্চা বের হয়ে থাকে। স্ত্রী প্লাটিপাস সাধারণত বাচ্চাগুলোকে দেখাশোনা করে থাকে। শাবকের বাচ্চার জন্য দুগ্ধস্থান তৈরী করে।প্লাটিপাস কোন দুগ্ধস্থান থাকেনা।
সম্মানিত সাথী বিন্দু আসুন আমরা একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই প্রাণীটি বিলুপ্তির হাত হতে রাখার চেষ্টা করি। আমার আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আল্লাহ হাফেজ।


