আমাদের সবার ঠিকানা জান্নাত!!!

alim236
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
 আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
প্রিয় সাথী বৃন্দ, মহান আল্লাহতালা আমাদের জন্য জান্নাতে এমন কিছু তৈরি করে রেখেছেন যা কোন কান কোনদিন শুনে নাই কোন স্বপ্ন দিন দেখা নাই কোন দিন চিন্তা করে নাই। এরই সামান্য কিছু বর্ণনা আপনাদের সামনে পেশ করলাম।

আমার প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে জান্নাতিরা নবী এবং ওলীদের সাথে অবস্থান করবে। বেহেশতিবাসীরা সোনার পালঙ্কে হেলান দিয়ে বসে থাকবে এবং হুরপরীরা এসে তাকে বিভিন্ন প্রকার সেবা যত্ন করবে কেউ তার হাত মেসেজ করে দিবে কেউ তার পায়ে তেল মালিশ করে দিবে কেউ তার মাথা আওলাইয়া দিবে অর্থাৎ ভেস্তি বাসির সুখ এবং সুখ বৃদ্ধি করতে যা যা প্রয়োজন সে তখন তাই করবে। এছাড়া প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ বলেছেন বেহেস্তিবাসীরা আল্লাহতালার কাছে তখন যা চাইবে তাই পাবে। এই বয়ান শুনে এক মহিলা হঠাৎ করে দাঁড়িয়ে গেলেন। মাওলানা সাহেব জিজ্ঞেস করলেন আপনি কিছু বলবেন তখন ওই মহিলা বলল জি হা আমার কিছু বলার আছে যদি আপনি অনুমতি দেন তবে আমি একটি কথা বলতে চাই। কথাটি হল আপনাকে আমি একটি প্রশ্ন করতে চাই মাওলানা সাহেব বললেন বলেন কি বলতে চান অনুভূতি দেওয়া হলো ওই মহিলা বলল হুজুর আমার দাঁতের কুল লাগানোর অভ্যাস আছে আল্লাহর কাছে গোল চাইলে কি গুল দিবেন। মাওলানা সাহেব হেসে বললেন আল্লাহ পাক যখন বলেছেন বেহেস্তি বান্দারা যখন যা চাইবে যা কামনা করবে তাই আমি পূরণ করব অতএব আপনি অবশ্যই গুল পাবেন ইনশাআল্লাহ। তখন মাওলানা সাহেব বললেন হে বোন হে মা-বোনেরা এত সুন্দর সুন্দর নেয়ামত থাকতে আপনার কেন গুল চাইবেন।
এরপর জান্নাতি ব্যক্তিরা যখন খেতে বসবেন তখন সামনে মাছ দেওয়া হবে তখন মাছগুলো একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করে বলবে আমাকে খান আর এক মাস বলবে আমাকে খান আমি বেশি টেস্টি অন্য একটি বাজবে আমাকে খান আমি টেস্ট আর এইভাবে প্রত্যেকটি মাছ নিজেকে বেহেস্তের বাসের সামনে সমর্পণ করতে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়বে। তখন বেহেশতিবাসীরা সমস্ত মাছ খেয়ে ফেলবে এমনকি ওই মাছের থেকেও সুস্বাদু হলো যে প্লেটে তাকে খাবার দেওয়া হবে সে জান্নাতি সেই প্লেটো খেয়ে ফেলবে। বেহেস্তের মধ্যে একটি আঙ্গুর হবে একটি মটকা মত এত বড় হবে আর কলার কাঁদি হবে এমন লম্বা যে প্রথম থেকে একটি পাখি শুরু করে ওই প্রান্ত যেতে এক মাস সময় লাগবে সুবাহানাল্লাহ। এমন বড় কলা দেখলে প্রাণ জুড়ে যাবে। এরা এরকম একাধিকলাও খেয়ে শেষ করবে। জান্নাতের একটি কমলা হবে একটি ডেগের মত অর্থাৎ ডেগের সমান হবে। জান্নাতের আর সে সমস্ত ফল ইচ্ছামাফিক খাদে এবং ঘুরবে এবং মনের সুখে সেখানে অবস্থান করতে থাকবে থাকবে না তাদের কোন ভাবনা থাকবে না তাদের কোন কষ্ট থাকবে না তাদের কোন পেরেশানি থাকবে না কোন তাদের কোন অভাব থাকবে না তাদের কোন হয়রানি থাকবে না তাদের কোন মন কষ্ট। জান্নাতি ব্যক্তিরা যেমন দুনিয়াতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তো ঠিক ওই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় প্রত্যেকের সামনে খাদ্য এবং মাওয়ায় পরিপূর্ণ থাকবে সবার সামনে একটি করে ফলের খাঁচা থাকবে যতই আহার করবে সেই খাঁচা কখনোই শেষ হবে না যতই আহার করবে তার সাধ কখনোই শেষ পাবে না শেষ হবে না শুধু সাতবারই থাকবে বাড়তেই থাকবে তবুও সে ততই খেতেই থাকবে।

আজকের মত এখানে শেষ করছি আল্লাহ হাফেজ।

Comments