আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ। সকল ভাই ও বোনেরা কেমন নাম্বার
চরিত্র ছাড়া আজকে নিকিয়া কনফারেন্স ত্রিত্ববাদের জয় নিয়ে কিছু কথা বলবো ইনশাআল্লাহ।
নিকিয়া কনফারেন্স বিস্তারিত আলোচনা এমন সব খ্রিস্টান ঐতিহাসিক করেছে, যারা নিজেরাই তিত্তবাদে বিশ্বাসী ছিল। ধন্যবাদ এবং 325 সালে বাদশাহ কোন স্টাইন খ্রিস্ট ভালো করে তাদের মাঝে মতানৈক্য নিশ্চিত করার জন্য তার রাজ্যের প্রায় 1500 আলীমকে দাওয়াত নামা পাঠায় যাদের প্রত্যেকের সাথে দুজন করে চাকরি কেউ আনার পরামর্শ দেওয়া হয় কিন্তু এই 1000 এর মধ্যে আড়াইশো থেকে 300 জন অংশগ্রহণ করেন এদের মধ্যে সামান্য তুর্কির সদস্য বেশি ছিল অর্থাৎ রাজ্যের পূর্ব থেকে বেশি লোক অংশগ্রহণ করেছিল অন্যদিকে রাজ্যের পশ্চিমে অংশগ্রহণে কম ছিল।
এই কনফারেন্সের এজেন্ডা ছিল ত্রিত্ববাদে বিশ্বাসী এবং তার বিরোধীদের একটি ঐক্যবদ্ধ তৈরি করা এই কনফারেন্সের কয়েক মাস আলোচনা-পর্যালোচনা পর সকলেই একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয় সেখানে ত্রিত্ববাদের বিশ্বাসকে খ্রিস্টাব্দে রচনা করা হয় এবং পুরো দুনিয়ার বুকের উপর একমত হয় বাকি সমস্ত ইঞ্জিল বাতিল ঘোষণা করা হয় যেকোনো এই বাতিল ঘোষিত ইঞ্জিনের মধ্যে আল্লাহ তা'আলা এর কিতাবু অন্তর্ভুক্ত ছিল নবী ঈসা আলাই সাল্লাম এর উপর অবতীর্ণ হয়েছিল এই সিদ্ধান্তের উপর তিনজন ব্যতীত স্বাক্ষর করেছিল যার ফলে খ্রিস্টানদের মধ্যে থেকে সরানো শিরকি বিশ্বাস একটি সরকারি ধর্মে পরিণত হয় নিকিয়া কনফারেন্সের এই সিদ্ধান্ত আজকের সমস্ত খ্রিস্টানদের যদিও পরবর্তীকালে 381 431 সালের কনফারেন্স গুলোতে কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে কিন্তু মৌলিক বিশ্বাস তাই ছিল জা নেকিয়া তে সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
নিকি আর সিদ্ধান্তগুলো সেদিন ছিল না যা ঈসা আলাইহি ওয়াসাল্লাম এনেছেন এবং সেখানে সেই ইঞ্জিল গ্রহণ করা হয়নি যা আল্লাহর নাযিলকৃত ছিল সেখানে সেন্ড পৌলের বিকৃত বিশ্বাস এর লিখিত বই সমূহ সন্দেহ একটি দিনের আকার ধারণ করে ফলে খৃষ্টবাদ সরকারি ধর্ম ও লিখিয়া কনফারেন্সের বিশ্বাসগুলো তাদের মূল বিশ্বাসে পরিণত হয় কেউ যদি এই আকিদা ইঞ্জিনগুলোর সমালোচনা বা বিরোধিতা করত তখন প্রশাসনের নির্যাতনের শিকার হতো যার ফলে ঈমানদারদের উপর জুলুম এর নতুন ধারা শুরু হয় যা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুয়াত পর্যন্ত চলমান ছিল শত মানুষের দৃষ্টি থেকে বিলুপ্ত হয় শুধু সরকারি বিশ্বাসগুলো টিকে থাকে মোটকথা খ্রিস্টান ধর্ম রোমান বাদশাহদের দরবারে প্রতিপালিত হতে থাকে এজন্য তার জন্ম থেকেই অপস বাদী ও চাটুকারিতার করাই হল ধর্মে পরিণতি হয় শুরু থেকেই খ্রিস্টানদের দুটি বড় কেন্দ্র ছিল একটি কনস্টান্টিনোফল যা আজকের তুর্কির ইস্তাম্বুল ও অপরটি আজকের ইতালির শহর রুম।
আজ এ পর্যন্তই,আর আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন, আমি যেন সুস্থ এবং ভাল ভাবে চলতে ফিরতে পারি। এবং আমিও আপনাদের জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে দোয়া প্রার্থনা করি আপনারাও সুস্থ এবং ভাল থাকুন।
আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ। আল্লাহ হাফেজ।

