আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,,, বন্ধুরা আশা করি আপনারা সবাই অনেক ভালো আছেন,,, আমিও আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো আছি,,, আবারো হাজির হয়েছি আপনাদের সামনে আমি আমার নতুন আরেকটি লেখা নিয়ে,,,, আশা করি আমার লেখাটা পড়ে সবার ভালো লাগবে,,, তো চলুন বন্ধুরা শুরু করা যাক আজকের লেখা।
জীবনে বেঁচে থাকতে হলে সাহসের অনেক প্রয়োজন। সাহস না থাকলে কোন কিছু হয়না। যেমন যে দুর্বল তার ওপরই সবল নিপীড়ন করতে থাকে। সমাজ জীবনে কিছু কিছু বিষয় আছে যেগুলো আমরা অতি সহজেই করতে পারি কিন্তু অনেক বিষয় আছে যেগুলো সাহসিকতার পরিচয় দিয়েই আমাদের সফলতা আনতে হয়।
কারণ সফলতা তো এমনি এমনি আসবেনা,, সফলতা আনতে হলে আমাদেরকে আত্মবিশ্বাসী এবং ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হবে। সৎকাজের দ্বারা এবং ভালো কাজ করে সমাজের লোকদের দেখিয়ে দিতে হবে সকলের সকলের বন্ধুর মত।
প্রকৃতপক্ষে একজন বন্ধু একজন বন্ধুর খুবই আপনজন। একজন বন্ধু বিপদে আপদে পাশে থাকা অন্য একটি বন্ধুর প্রতি তার দায়িত্ব কর্তব্য বলে মনে করি। বিপদে পড়লেই প্রকৃত বন্ধুর সন্ধান পাওয়া যায়। কারণ বিপদের মোকাবিলা করতে যে বন্ধু এগিয়ে আসে এবং সমবেদনা নিয়ে তা চালিয়ে যায় সেই প্রকৃত বন্ধু।
কিন্তু যে বন্ধু বিপদে পড়লে তার অন্য কোন বন্ধু এগিয়ে না আসে বরং হট্টগোল হাসাহাসি এবং আনন্দ নেই তার আসলে কোনদিনও প্রকৃত বন্ধু হতে পারেনা। একটা কথা বলি আমার,, যখন আপনি বিবাহ করবেন তখন আপনার স্ত্রীকে যদি বিভিন্ন কারণে মারধর করেন তাহলে কি আপনার স্ত্রী আপনার কাছে থাকবে? আমার মতে থাকবে না বরং সে চলে যাবে এবং আপনার বিরুদ্ধে আইনি অভিযোগ দায়ের করবে। কিন্তু আপনি একটা জিনিস লক্ষ্য করলে দেখবেন একজন বন্ধুকে আপনি যতই অপমান অপদস্ত করুন না কেন দিন শেষে আপনার কাছে আসবেই।
আমি বাংলাদেশের একজন নাগরিক,, তাই আমার নাগরিকের কর্তব্য গুলো অবশ্যই পালন করতে হবে। এটা খেয়াল করতে হবে যে আমার দ্বারা কোন অপকর্ম যাতে না হয় এবং দেশের সম্পদ যাতে নষ্ট না হয় তাহলেই একজন সচেতন নাগরিক হওয়া যাবে এবং দেশের কল্যাণ করা সম্ভব হবে। আসুন বন্ধুরা আমরা সবাই এক হয়ে দেশের কল্যাণে এগিয়ে আসি।
আমার লেখাগুলো কষ্ট করে পড়ার জন্য আপনাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন আপনারা সবাই।


