আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ আশাকরি সকলে ভালো আছেন সকলের দোয়া আন্তরিক মোবারকবাদ তো আজকে বাদশা মিয়ার পাট 3 ।
তো শায়েক অনুমতি দিলেন মাদ্রাসা করার জন্য তো বাদশামিয়া সমস্ত আস্থা শায়েখ মহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমুদুল হাসান সাহেবের উপরই ছেড়ে দিলেন ওখান থেকেই প্রতিজ্ঞা করিয়ে নিলেন যে বাদশামিয়া আমার ওপর আস্থা ছেড়ে দিয়েছেন তো আমি ওই ভাবেই মাদ্রাসা চালাবো বা করব তারপর থেকেই ঢাকা বিভাগ জেলা মাদারীপুর শিবচর বাজার বাহাদুরপুর স্থানে একটি জামিয়াতুস সুন্নাহ মাদ্রাসা নামে প্রতিষ্ঠিত হয় বা করেন আজকে অনেক বছর অতিবাহিত হয়ে যায় মাদ্রাসার মাদ্রাসায় এখন বর্তমানে সাড়ে তিন হাজারের মতো ছাত্র রয়েছে ওই মাদ্রাসার ইতিহাস বিরল এক ইতিহাস ইতিহাস তুলে ধরলে অনেক সময়ের প্রয়োজন বা অনেক লেখা লিখতে হবে তাই আমি সংক্ষেপে কিছু লেখা লিখতেছি বা বলবো তো প্রথমত মাদ্রাসাছাত্রদের অনেক কষ্ট করতে হয় প্রথমত মাদ্রাসায় সাড়ে তিন হাজার ছাত্র নিয়েই শুরু হয়নি ওখানে প্রথমত একজন শুরু হয়েছে তারপরে আস্তে আস্তে করে হুজুরদের ব্যবস্থা বা মেহনত কষ্ট মুজাহাদা করে আজকে এমন এক অবস্থায় পরিণত হয়েছে যে কোন এক জামাতের ছাত্র নিতে হলে এক হাজার ছাত্র পরীক্ষা দিলে তার ভিতরে পাঁচ জন বা 10 জন ছাত্র নেওয়া হয়
এমনই এক কঠিন এক অবস্থায় মাদ্রাসার সেখানে
আমি দুই বছর আগে পড়াশোনা করেছি এবং কি ওখানের অনেক আইন কানুন মেনে চলা অনেকের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে অনেক কষ্ট করে ওখানে দুই বছর জীবন নির্বাহিত করেছি এখনো বর্তমানে এবছর আমার ভাই ওখানে দাওরা শেষ করবেন মাস্টার্স শেষ করবেন অনি আমাকে ওই মাদ্রাসায় ভর্তি করেছিলেন আমার ভাই উনি মক্তব বা প্রথম ক্লাস ছোট হন বা পেলে থেকেই পড়াশোনা করেছে তো ওখানেই শেষ করবেন আশা করি তো উনি অনেক ভালো ছাত্র তো উনার তুলনায় আমি ততটা ভালো নয় উনি তাই স্ত্রী জামাতে পুরা বাংলাদেশের ভিতরে 20 তম স্থান গ্রহণ করেন এবং নাহবেমীর জামাতের পুরা বাংলাদেশের ভিতরে 13 তম স্থান গ্রহণ করেন এবং শরহেবেকায়া জামাতে 31 তম স্থান গ্রহণ করেন তো মেশকাত জামাতের 52 তম স্থান গ্রহণ করেন বর্তমানে সে দাওরায়ে পড়ে বা মাওলানার শেষ বছর এখনো দাওরার পরীক্ষা দেওয়া হয়নি বা রেজাল আপনাদেরকে জানাতে পারছি না তো যেই কয়টা জামাতের নাম বলেছি প্রত্যেক জামাতেই এক থেকে দেড় লক্ষ ছাত্র পরীক্ষা দিয়েছিল তার ভিতরে তিনি 13 তম 31 তম 52 তম স্থান গ্রহণ করেন এরকম রেজাল্ট করার কারণে বাদশামিয়া তাকে থানা ফ্রি করে দিয়েছিলেন তো মাদ্রাসার নিয়ম করেও দিয়েছেন যে যারা মাদ্রাসায় 90 তম স্থান গ্রহণ করবেন তাদেরকে খানা ফ্রি করে দেবেন তো আমার ভাই এই নিয়ম করার পর থেকেই তার দশ বছর কোন খানার টাকা দিতে হয়নি প্রথমে তিনি খানার টাকা দিতেন আঠারোশো টাকা তারপরে তার খানা ফ্রি হয়ে যায় তো
আমি এত ভালো রেজাল্ট করতে পারিনি তাই আমার খানার টাকা দিতে হতো তো এতবার খারাপ ছিলাম না যে খাবারে গাধা মিডিয়াম শ্রেণীর ছাত্র ছিলাম হুজুর সবক বললে বুঝতে পারতাম একটু সময় লাগতো কিন্তু যারা অনেক ভাল ছাত্র বাই স্থান করে তারা হুজুর বলার সাথে সাথে সে বুঝতে পারতো বা বস্তুতঃ আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করি আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন যে এখন অনেকটাই মেহনত করতে করতে কিছুটা বুঝি ভালো তো যারা আমার এই পোস্ট টা দেখবেন তাদের সকলের কাছে আমার আকুল আবেদন এই যে আমার জন্য খাস করে আল্লাহ তাআলার দরবারে একটু দোয়া করবেন যেন এই ছেলেটা ভালো কিতাব বুঝে বা হালাল-হারাম বেঁচে চলতে পারে বা আপনার পার্সোনাল যেটা মনে আসে সেটা করবেন ইনশাল্লাহ তো আমি নিজেকে কখনো বড় মনে করিনি আশা করি কোন সময় করব না ইনশাল্লাহ আমি একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে তো আমি আল্লাহ তাআলার কাছে আশাবাদী যে কখনো আমার ভিতরে অংকার আসবে না ইনশাআল্লাহ আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন ইনশাআল্লাহ তো আমি আমার বাবা কি করার নিয়ত রাখেন বা তিনি কি করেন সেটা নিয়ে ইনশাআল্লাহ এটার পরের পার্ট এ কথা বলব তো আজকে এ পর্যন্তই বলতে চাচ্ছি ইনশাআল্লাহ

