আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ আশা করি সকলেই ভাল আছেন তো আজকে আমি একটি ঘটনা বলতে চাইতেছি সেটা হলো একজন ব্যক্তি যার নাম বাদশা মিয়া তারেক ঘটনা আমাদের দিল কে তার ঘটনা ঐতিহাসিক একটি ইতিহাস তিনি প্রথমত অনেকঅনেক দরিদ্র ছিলেন এবং এমন দরিদ্র ছিলেন যে তার তিন বেলা ভাত খেতে পারতেন না মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তার খাবার চেয়ে খেতে হতো এবং কে মানুষের কাছ থেকে খাবার চেয়ে এনে পরিবারকে খাওয়াতেন বা নিজে খেতেন এবং কি কোন দিন যত খাবার না আনতে পারত তাহলে তার না খেয়ে থাকা লাগছে এত কষ্টর দিকে তাকিয়ে তিনি চিন্তা করলেন আসলে মানুষের কাছ থেকে খাবার চেয়ে খাওয়া এটা অনেক নির্মল মানুষের কাজ তাই তিনি চিন্তা করলেন আসলে আমার কিছু করতে হবে তিনি কথা ভাবার পরে বললেন যে আমি ঢাকা থেকে কিছু করতে পারি কি না এই কথার উপর অটল থেকে তিনি ঢাকায় চলে আসলেন ঢাকায় এসে কোন এক কোম্পানি কাজ খুঁজলেন কোন এক অবস্থায় একটা সুতার ফ্যাক্টরিতে তিনি কর্মচারী হিসেবে জয়েন করলেন কোন এক ঘটনা কর্মে ওই কোম্পানিতে তীব্র বৃষ্টি হয় এবং কিছু সংকট সুতা তীব্র বৃষ্টিতে ভিজে যায় তারপরে ওই কোম্পানির মালিক বললেন যে এই সুতোগুলো কে বাইরে ফেলে দাও বাদশা মিয়া ওই সময় গিয়ে বললেন যে মালিক সূত্র গুলো আমাকে দিয়ে দিন মালিক বললেন কাছে নিয়ে যাও বাদশামিয়া ঐ সুতা গুলা এনে বাহিরে রোদ্দুর এনে দিলেন বা বিছিয়ে দিলেণ কিছুদিন যাওয়ার পরে ওগুলোকে বিক্রি করার চিন্তাধারা মাথা আসলো তারপর তিনি ওগুলোকে বিক্রি করলেন কিছু শংকর টাকা অল্পকিছু টাকা দিয়ে আবার তিনি সুতা ক্রয় করেন এবং আবার তিনিই কিছু সুতা কিনেন এভাবে তিনি ব্যবসা চালিয়ে যান কোন এক সময় তার কিছু অংকের টাকা হয়ে গেল এবং ওই টাকা নিয়ে বাড়িতে চলে আসেন বাড়িতে এসে তিনি চিন্তা ধারা করেন যে টাকা দিয়ে আমি একটা হল বানাবো তিনি গ্রামে এসে। গ্রামবাসীদের কে বললেন যে আমি একটা হল বানাতে চাচ্ছি গ্রামের বাসীরা প্রস্তাব গ্রহণ করলেন এবং বললেন তুমি কোথায় হল বানাবে তিনি বললেন জামার কিছু জায়গা আছে সেখানে আমি হল বানাবো গ্রামবাসীরা বললেন যে তা আচ্ছা ঠিক আছে আমাদেরকে ওখানে নিয়ে যান তিনি ওখানে নিয়ে গেলেন এবং সবাই দেখলেন সবাই বললেন আচ্ছা ঠিক আছে এখানে হবে কোন নির্দিষ্ট করলেন এবং ছোট করে প্রথমত একটি টিনের ঘর বানিয়ে রাখলেন গ্রামবাসীরা বলল যে তুমি কত টাকা নিয়ে আসছো তিনি বললেন জানি 5 লাখ টাকা নিয়ে আসছি গ্রামবাসীরাও টাকার অ্যামাউন্ট শুনে বললেন এই টাকায় তুমি হল বানাতে পারবে না আরো কিছু টাকার প্রয়োজন এই কথা শুনে তিনি আবার ঢাকাতে চলে আসেন এবং সু জুতার ফ্যাক্টরি তে জয়েন করেন তারপর তিনি আস্তে আস্তে বেশ অংকের টাকা আয় করেন তারপর তিনি নিজের দেশ মাদারীপুরে আসার চিন্তা ধারা করেন এবং তিনি মাদারীপুরে নিজের দেশে চলে আসেন তিনি যে স্থানে হল বানানোর চিন্তা ধারা করেছিলেন সেখানে যান সেখানে গিয়ে দেখেন একজন বাচ্চা কোরআন পরতেছে এইগুলো দেখে তার মাথায় চিন্তা ঘুরপাক খেলো যে যেখানে সিনেমাহল বানানোর চিন্তা করলাম সেখানে কোরআন পরতেছে ফল থেকে তো গুনা হবে আমারও গুনার ভাগ হতে হবে এই দৃশ্য দেখে পায়ে দৃশ্য মনে পড়ার পরে তার চোখে দেখে তার অন্তরে কম্পন সৃষ্টি হল আসলে হল বানানোর থেকেও আমার এখানে মাদ্রাসা বানিয়ে নেই আমার দুনিয়াতে নেকি হাসিল করতে পারবো আখেরাতেওহাসিল করতে পারবো সেটাই ভালো তার পরে তিনি ওইখানে মাদ্রাসায় করলেন প্রথমত ওই মাদ্রাসায় একজন থেকে ছাত্র শুরু হয় তার পরে তিনি বড় আকারে মাদ্রাসা করার চিন্তা ধারা করেন এবং কি তার অন্তরে আস্তে আস্তে করে আল্লাহর ভয় সৃষ্টি হয় এবং তিনি ওইখানে ওই তিনজন ছাত্র নিয়েই মাদ্রাসা করলেন এবং তিনি আবার ঢাকায় চলে আসেন যাত্রাবাড়ী সায়েদ আল্লামা মাহমুদুল হাসান সাহেবের সাথে তিনি মাদ্রাসা বড় করার চিন্তা পেশ করলেন এবং তাকে বলল হে বাদশা তুমিতো মাদ্রাসা চালাতে পারবে না বা করতে পারবেনা বাদশা বললেন হুজুর আপনি দোয়া কোরেন ইনশাআল্লাহ পারবো শায়খ আল্লামা মাহমুদুল হাসান আবার বললেন বাদশা তুমি পারবেনা এরকম কথা তিনি তিনবার বললেন তারপরে বাদশামিয়া বললেন হুজুর আমি শুধু টাকা দিব হুজুর বললেন টাকা দেওয়ার পরে মাদ্রাসা কিভাবে চলবে সেটা নিয়ে তুমি কোন মাথা ঘামাতে পারবে না বাদশামিয়া বললেন অবশ্যই হুজুর মাদ্রাসা চালানোর মত আমার তো কোন যোগ্যতা নাই আমার শুধু এতোটুকুই আছে আমি টাকা দিতে পারব বাট আমি এটার উপরই আস্থা থাকবো আপনি যেভাবে চালাবেন ঠিক সেইভাবে মাদ্রাসা চলবে এই বলে তিনি এই অঙ্গীকারনামা শায়খ আল্লামা মাহমুদুল হাসান সাহেব দামাত বারকাতুহু মনালিয়া তার কাছে বললেন আচ্ছা হুজুর সভাপতি আমি গ্রহণ করবো এবং কি গ্রহন আপনিতো দিয়েছেন পরিপূর্ণভাবে আদায ইনশাআল্লাহ তারপরে সে গ্রহণ করে নিলেন তারপরে ইনশাল্লাহ তিন নাম্বার পাঠে বলা হবে এটা দুই নম্বর শেষ হল আজকে এই পর্যন্তই

