সাক্ষাৎ করার ক্ষেত্রে লক্ষণীয়
যখন তুমি নির্দিষ্ট সময় ছাড়া কারো সাথে সাক্ষাৎ করতে যাবে অথবা পূর্বে নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হবার পর তার কাছে উপস্থিত হবে যখন তখন সে তোমার সাথে সাক্ষাৎ করতে পারবে না বলে ওযুর পেশ করলে তুমি তার ওপর ওজোন নেবে মেনে না
সুতরাং অসুবিধার সম্মুখীন হওয়া থেকে বাঁচার জন্য তোমার সাথে সাক্ষাত না-করা অধিকার তার রয়েছে পক্ষান্তরে তাবেই একটি উদাহরণ সমূহ তুমি ওই সমস্ত ব্যক্তিদের দরজার কাছে দাঁড়িয়ে থেকো না যারা তোমার দরজা হতে ফিরিয়ে সেন কেউ না তাদের কাছে তোমার প্রয়োজন রয়েছে অপরদিকে তাদের রয়েছে আপন আপন কর্ম ব্যবস্থা আরও জোর পেশ করার ব্যাপার তারা তোমার চেয়ে অধিক কতদ্বার হকদার
মুখ খুলে সবার ওজর পেশ করতে পারে না তাই অন্যের সাথে সাক্ষাত করার ক্ষেত্রে আকাবিরদের অভ্যাস এবং বড় বড় ব্যক্তিদের অভ্যাস
এই যে ছিল যে তারা যার সাথে সাক্ষাৎ করবেন তাকে আগে থেকেই এই মর্মে জিজ্ঞেস করে নিতেন যে অমুক সময় আপনার সাথে সাক্ষাতের কোন অসুবিধা আছে কি।
আর তারা এই পন্থায় এইজন্য অবলম্বন করতেন যাতে ওই ব্যক্তি কোন অসুবিধা থাকলে সহজেই তিনিও জল্পেশ করতে পারেন এই আদরের গুরুত্ব বোঝানোর জন্য এবং সাক্ষাৎ করতে পরিবারে কষ্ট বিরোধী করার জন্য অনুমতি প্রার্থনা গৃহে প্রবেশ সংক্রান্ত আলোচনা পেশ করে নিতেন যদি তোমাদেরকে বলা হয় ফিরে যাও তাহলে ফ্রিজেও এটি তোমাদের জন্য পবিত্র অসময়ের সাক্ষাৎ কারণে যে বিপদ মানুষের পতিত হয় পবিত্র কোরআনের উপরোক্ত আয়াত তা থেকে পরী আনতে লক্ষণ অবতীর্ণ হয়েছে কি হলো যখন শাক খাওয়ার মাধ্যমে ওই ব্যক্তিকে জটিলতার সম্মুখীন করা হয় যে ব্যক্তি এখন তার সাথে সাক্ষাৎ করতে আগ্রহী নয় ফলে শেষ ঘরে থাকা সত্ত্বেও ঘরে নেই বলে মিথ্যা সংবাদ দিতে বাধ্য হয় এ কারণে কোমরে হাত রেখে অনেক সময় তা এমন ব্যবহারের কারণ শত্রুতাও বিশেষত্বের সৃষ্টি হয় কোরান আদর্শ আমাদের এই সমস্ত সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার থেকে পরিত্রান তো দিয়েছেন যেহেতু যার সাথে সাক্ষাৎ করা হবে তাকে ওজর পেশ করা অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং সাক্ষাৎ প্রার্থনাকে ওজর কবুল করতে উৎসর্গ প্রদান করা হয়েছে আল্লাহ পাক আমাদেরকে আমল করে চলার তৌফিক দান করুক আজকের পোষ্টে বাসন্তী

