আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু সুপ্রিয় বন্ধুগণ আপনারা কেমন আছেন আমি আশা করি আল্লাহর রহমতে অনেক ভাল আছেন তো আজকে যে বিষয় নিয়ে পোষ্ট করব সেটা হল
কর্মের ফজিলত
আমাদের নবী নিজের কাজ নিজেই করতেন কাপড় সীরাতে নিজেই তিনি তো পারতেন অন্যদিকে করাতে কিন্তু তিনি পছন্দ করতেন না অন্যকে তার কাজ করিয়ে দিই তাও তা পছন্দ ছিল না আর হাত পাতা ভিক্ষা করা এটা কি তিনি মোটেও পছন্দ করতেন না
সব সময় কাজ করে জীবিকা উপার্জন করা তার সম লম্বি ছিল কারণ কাজ করে উপার্জিত জি জীবিকা ফজিলত অনেক আর যারা ভিক্ষা করে কিয়ামতের দিন তাদের কপালে কালো দাগ বা চিহ্ন থাকবে কি শরমের কথা বল এর চেয়ে কিছু জীবন অনেক ভালো নবীর যুগে সেই ঐতিহাসিক ঘটনা শোনো এক আনসারী সাহাবী রদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর ঘটনা
কিশোর সোনা মনি না সাহাবীদের নাম শুনলে যে রদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বলতে হয় জানো তো দেখো না বলাটা কিন্তু বড়ই দোষের ব্যাপার সালাফে সালেহীন দের প্রতি সম্মান প্রদর্শন অতি জরুরী তোমরা তো জানো ইসলামের যে যুগে কেমন অভাব-অনটন ছিল অনেক কষ্ট অনেক দুঃখ দুর্দশার মধ্যেও মানুষকে তার জীবন নির্বাহ করতে হতো এতটুকুও কল্পনা করে দেখো তো যন্ত্রনা কখনো কখনো পেটের পাথর বেঁধে রাখতে হত
তারা দিনের পর দিন ক্ষুধাও অনটনের চলে যেত কত দিন কত রাত আর পেটে পাথর রাখতেন পদার্থ জালাযে শব্দ হয় কল্পনা করলেও চোখ ভিজে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে
তখন এক আনসার সাহাবী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু খোলা তো সহ্য করতে না পেরে পেরে শেষে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে এলেন নবী দরবারে ক্ষুধার কারণে আরও অনেকেই এসে জোরে হতেন তখন তাকে জিজ্ঞেস করলেন
একটি কথা
তোমার ঘরে কি কিছুই নেই
জি আছে
কী
একটি চট মোটা পশমি কাপড় অর্ধেকটা গায়ে ব্যবহার করি আর অর্ধেকটা বিছিয়ে বসে ইয়া রাসুল আল্লাহ। চেয়ে
আরেকটি পানির পাত্র আছে তা দিয়ে পানি পান করি দুইটা নিয়ে এসো কিছুক্ষণ পর আনসার সাহাবী সেগুলো নিয়ে নবী করিম সাঃ এর হাতে দিলেন
সমাজের সাথেই বন্ধুগণ আজকের পোস্ট এ পর্যন্তই আগামীতে ইনশাল্লাহ দ্বিতীয় পর্বে আলোচনা করব

