সঠিক সন্ধান হে যুবক

A

আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ আপনারা কেমন আছেন বন্ধুগন আশা করি আল্লাহর রহমতে অনেক ভাল আছেন আমিও ইনশাল্লাহ আপনাদের দোয়ার বরকতে আল্লাহ পাক অনেক ভালো রেখেছে ভালো আছি আজকে যে কথা বলব বা পোস্ট করব সেটা হল সত্যের সন্ধানে হে যুবক

 

 

সত্যের সন্ধানে হে যুবক

 

তোর সত্যের সন্ধান বলতে আমরা কি বুঝি সত্যের সন্ধান আমরা কোন যুবকদের কে অনুসরণ করব আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান থেকে কিছু পোস্ট করব বাল লেখব

 

 

সেটা হলো আমার জ্ঞান থেকে আমি বলতেছি তো হাদিস কোরান অনুসারে এই দুনিয়ার যমীনে আমার মনে হয় আফগানিস্তানের যুবকরা সঠিক পথে রয়েছে তো আফগানিস্তানের প্রথম যুদ্ধ শুরু হয়েছিল রাশিয়ার বিরুদ্ধে

 

 

যুদ্ধের ঘটনাটি বলছি

 

কে অধিক শক্তিশালী আল্লাহ নাকি রাশিয়া

 

আফগানিস্তানের মুজাহিদদের অনুপ্রেরণা দিয়ে কি আব্দুল্লাহ আজ্জাম কথা বলেন

এটা ছিল হাজার 1979 হিজরী পঞ্চদশ শতাব্দীতে প্রথম বছরের একটি হাদিস অনুযায়ী প্রতি শতাব্দীর পর পর আল্লাহ তাঁর পছন্দনীয় ব্যক্তিদেরকে মাধ্যমে দিয়ে পূর্ণ করে

 

 

প্রতি শতাব্দীর শুরুতে আললাহুমমা থেকে একজন মানুষকে উল্লেখ করেন যে দিনের পুনরুজ্জীবিত করবেন 1924 সালে উসমানী খিলাফতের পতনের পর থেকেই ইসলামের জন্য একজনের প্রয়োজন ছিল আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে কমিউনিস্ট

 

 

 রাশিয়ার যুদ্ধ হয়ে ওঠে এক বহু প্রতীক্ষিত কারণ আফগানিস্তানের মুসলিম উম্মাহর পুরনো জাগ্রন এই 15 খান ঘটেছিল দুইজন ব্যক্তির মাধ্যমে আব্দুল্লাহ আজ্জাম ওসামা বিন লাদেন

টাইম ম্যাগাজিনে আব্দুল্লাহ আজ্জাম কে অভিহিত করেছিল বিংশ শতাব্দীতে

 

 

 জিহাদের পুনঃজাগরণের রূপকার বলে দখলদারিত্বের ভেতরের জীবনযাত্রা যাপন করার প্রতিক্রিয়া ও ফিলিস্তিনের জন্য নেওয়া আব্দুল আলীমের খুব ভালভাবেই জানা ছিল অল্প বয়স থেকেই আব্দুল্লাহ ছিলেন চিন্তা শালী এবং

 

 কর্তৃত্বপরায়ন এই কর্তৃত্ব পরায়ণা তাদের উদ্দ্যোগ করেছিলেন যাদের দল থেকে ইংরেজদের দখলদারিত্ব বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ঘোষণা দিতে কিন্তু তৎকালীন ফিলিস্তিনের বিরোধীদের অধিকাংশ ছিল জাতীয়বাদী যারা একেবারেই গুরুত্বপূর্ণ মনে পড়তো না আল্লাহর ইবাদত করার বদলে তাদের সময় কাটতো খেলে আর

 

 গান শুনে আর মদ খেয়ে আর জুয়া খেলে জীবন খালিদ অশ্লীল কাজে লিপ্ত ছিল তাদের কোনো আল্লাহর ইবাদত ভালো লাগতোনা আল্লাহ যে আদেশ নির্দেশ করেছেন সেটা তাদের ভালো লাগতোনা অশ্লীল কাজে তারা পছন্দ করতো ভালোবাসতো এবং মেয়েদের সাথে যেনা বেচারা লন্ঠন চুরি-চামারি এর ভিতরে ছিল তারা এসব কিছুই ছিল আবদুল্লাহ-এর অপছন্দনীয়

 

একদিন কথা চলছে তিনি এক সহযোদ্ধাকে জিজ্ঞেস করলেন ফিলিস্তিনের এই বিপক্ষে ধর্ম কি যার জবাবে জানিয়ে দিল তো এটা শুধু আব্দুল্লাহ সিমের অপছন্দ ছিল না বরং এটা কোরানের বিধান অশ্লীল কাজ রং তামাশা নিজে না বেচারা এগুলো কোরআনে নিষিদ্ধ তাই আবদুল্লাহকে পছন্দ করতেন না তো এগুলো ছিল

 

 

 হিন্দুস্থানের প্রথম কাজ যেটা কুরআন বিরোধী এবং প্রত্যেকটা মানুষ জাতির বিরোধী যেটা কোরআনের বিরুদ্ধে সেটা প্রতিটা মানুষ যদি হয়ে থাকে তার বিরোধী তো আব্দুল্লাহ আজম এটার বিরুদ্ধে রুখার জন্য তার কিছু সহকর্মীকে বললেন আসলে দেখেন আমাদের ভিতরে

 

 আমাদের দেশের ভিতরে আস্তে আস্তে করে দিন চলে যাচ্ছে দুনিয়ার মানুষ বেশি হয়ে যাচ্ছে যে না বেচারা লুণ্ঠন চুরি-চামারি ডাকাতি রাহাজানি গুলো বেশি হচ্ছে তাই আমাদের এখন দিন কে আঁকড়ে ধরতে হবে অন্যথায় কিন্তু এটা মুসলিম রাষ্ট্র থেকে ও মুসলিম রাষ্ট্রে

 

 পরিণত হবে মুসলমান ও মুসলমান হয়ে যাবে তাই আমাদের এই জাতির হাল ধরতে হবে তো ভাই দোস্ত বুজুর্গ যেটাই বলি না কেন আমাদের প্রত্যেককেই দিন ও দুনিয়ার ভিতরে যদি কোন অশ্লীল কাজ যে না বেকার হয়ে থাকে তার থেকে আমাদেরকে মানুষদেরকে ফ্রী রাখতে হবে এবং তিনি জেলে থাকতে হবে এটা ইসলামের বিধান এটাই হুকুম-আহকাম

 

 

 প্রথমত তারা ওই কাজ চালিয়ে গেলেন এবং কি আজকে আফগানিস্থানে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বা ইমারত সেখানে পরিপূর্ণ পরিপূর্ণ ভাবে ইসলাম আইন হুকুম-আহকাম বাস্তবায়নে এজন্য আমার কাছে ভালো লাগে যে কোরআনে যেটা আছে সেটাই হোক এটা আমরা চাই তো আমরা রাষ্ট্রবিরোধী কথা বলতে চাই না যদি এ রাস্তে গণতন্ত্র থাকুক এটা

 

 আমাদের কোনো সমস্যা নেই কিন্তু রাষ্ট্র গণতন্ত্র আজকে মুসলমান গণতন্ত্র একটি ভালো পন্থা বা মাধ্যম সেটা কিসের মাধ্যমে আমাদের ইসলামকে যেন না করা হয় ইসলামী জনতা মনে না করা হয়

 

 

 ইসলামকে যেন উপরে রাখা হয় এজন্য আমাদের সকলকেই সরকারের কাছে আবেদন করতে হবে যে সরকার কুরআনে যেটা আছে সেটা বাস্তবায়ন করেন হাতে যেটা আছে সেটা বাস্তবায়ন করেন গণতন্ত্র কোন সমস্যা নেই ঠিক আছে ওখানে থাকতে কিন্তু সবকিছুই ছিল এজন্য গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন তারা মোল্লা আজম ওসামা বিন লাদেন এজন্যই তারা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ

 

 

 করেছিলেন যদি গণতন্ত্র আর যদি কোরান ও হাদিসের চলতো তাহলে তারা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে না তাই মত যেটা আমরা বুঝতে পারছি সেটা হলো যে এটা আমরা চাই কিন্তু গণমাধ্যমে আমাদের ইসলামকে ইসলামকে বন্ধ করতে হবে স্থান কিছু করতে হবে কারণ আমরা মুসলমান জাতি কোন সমস্যা নেই সেটা আমি এখনো বলতেছি তো যাই

 

 হোক যে ইসলাম থাকলে যে হিন্দু থাকতে পারবে না থাকলে যে বন্ধু থাকতে পারবে না এসে থাকতে পারবে না এরকম থাকবে ওখানে সব ধরনের মানুষ থাকতে পারবে কোন ধর্মের মানুষ বসবাস করতে পারবে কোন মুসলমান ইসলাম ইসলামের নির্দেশ যাই হোক আমরা ভুল বুঝবোনা

 

 অমুসলিমরা থাকতে পারবে না সেটা না ইসলাম সবাইকে থাকার অনুমতি দেয় সবাইকে থাকার অনুমতি দেয় যাইহোক ভাই আল্লাহ পাক আমাদেরকে সঠিক দ্বীনের ওপর চলার তৌফিক দান করুক সঠিকভাবে আমল করার তৌফিক দান

 

 করুক সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন আজকের পোষ্টে পর্যন্ত ইনশাআল্লাহ আগামীতে আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলবেন ইনশাল্লাহ 

Comments