খারাপ কর্ম যখন নিয়ামত
কোন মুসলিম যখন বিপদের সময় ধৈর্য ধারণ করে আল্লাহর নিকট নিজেকে পূর্ণরূপে শপথ করে তখন সে তার জন্য নাকি এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জুনের কারণ হয় আর যদি সে অসন্তোষ প্রকাশ করে ধৈর্য হয়ে যায় তখন তা তার জন্য আল্লাহর গজব এবং শাস্তি নিয়ে আসে আলো রাসূল সাল্লাহু সাল্লাম বলেন বিপদ যত কঠিন হোক পুরস্কার কত বড়
আল্লাহতালা কোন জাতিকে ভালোবাসে ভালবাসলে তাদেরকে পরীক্ষা করেন সুতরাং যে তাদের সন্তুষ্ট থাকে আল্লাহ তা'আলা তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যান আর জেতাতে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে আল্লাহ তাআলা তার ওপর অসন্তুষ্ট হয়ে যাক।
তাহলে কি নেয়ামত নাকি শাস্তি আমরা বলবো যে এটি নির্ভর করে আল্লাহর বান্দারা আর মনের উপর যদি সে বিপদে আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি লাভের একটি সুযোগ হিসেবে নেয় এবং সে সুযোগ কাজে লাগায় তাহলে দিব তার জন্য নিরাপদ হয়ে পড়ে গত বাবি ব তার জন্য শাস্তি ও কষ্ট যন্ত্রণা সন্তুষ্ট বিপদ-আপদ মুমিনের জন্য কিছু উপকার নিয়ে আসে কষ্ট-যাতনা কে সহজভাবে বরণ করে নেওয়ার মাধ্যমে একজন মুসলমান মুসলমান ধৈর্য ও সহনশীলতার মহৎ গুণ অর্জন করতে পারে
কষ্ট মুমিনদের ধৈর্যশীল হতে শেখায় আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদেরকে পুরস্কার দান করেন দুঃখ দুর্দশার গুনাহগার মুসলিমদেরকে জীবনের সবচেয়ে বড় বিপদজনক মৃত্যুর কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া তাকে মনে করিয়ে দেওয়া যে সে যে কোন সময় মারা যেতে পারে আল্লাহর নাফরমানি করতে করতে মারা গেলে তাকে যে ভয়াবহ শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে সেই বোধহয় ঘটিয়ে
তার যখন কেউ আল্লাহ রাস্তা থেকে বিচ্যুত হয়ে যায় বাসরে যায় সে কারো উপদেশ কে তেমন পাত্তা দেয় না কিন্তু বিপদের সময় তার আল্লাহকে মনে পড়ে পরকালের ভয়াবহ শাস্তির কথা স্মরণ হয় তাদের জন্য সুখবর সুখবর তারা ঘোড়া থেকে ফিরে আসতে পারবে এবং উনার কথাগুলো স্মরণ করবে এবং মৃত্যুর কথাগুলো স্মরণ করবে তারপরে আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তাদেরকে জান্নাতের দিকে অগ্রসর করে নিবে তাই সম্মানিত সাথী ও বন্ধুগণ আমাদেরকে মৃত্যুর কথা স্মরণ করতে হবে কারণ আমরা গুনাগার উনার বিচার জর্জরিত ভিতরে পড়ে রয়��ছি তো আমরা সর্বদাই আল্লাহর আযাব কে স্মরণ করব এবং আল্লাহর জান্নাত-জাহান্নাম কে স্মরণ করব এবং আমাদের যেকোন সময় মৃত্যু হতে পারে এই কথাগুলো স্মরণ করবো তাহলে হয়তো আল্লাহ পাক রব্বুল আমাদেরকে জান্নাতে দিকে নিয়ে জাবেন ইন শা আল্লাহ আজকের পর্যন্ত ইনশাআল্লাহ নিয়ে আসব

