১
আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ সম্মানিত বন্ধুগণ আপনারা কেমন আছেন আমি আশা করি আল্লাহর রহমতে অনেক ভাল আছেন আমিও আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ার বরকতে অনেক ভাল আছি আজকে যে বিষয় নিয়ে পোষ্ট করব সেটা হল বিপদ কখনো পরীক্ষা আর কখনো শাস্তি
কেউ যখন আল্লাহর আনুগত্য মূলক কোন কাজ করতে গিয়ে বিপদের সম্মুখীন হয় কিংবা ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয় তখন সেই বিপদ হচ্ছে পরীক্ষা
যেমন কোন মুজাহিদ যদি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করতে গিয়ে আহত হয় কোন মুজাহির যদি হিজরত করতে গিয়ে ধনসম্পত্তি হারায় কিংবা সুন্নতের অনুসরণ করতে গিয়ে আবার ইসলামের বিধান মানতে গিয়ে যদি কারো চাকরী চলে যায় তবে বুঝতে হবে সে এই ধরনের বিপদ হলে পরীক্ষা
যারা এই ধরনের বিপদের সময় সবার করবে তারা উত্তম বিনিময় পাবে আর যারা অসন্তুষ্টি প্রকাশ করবে তারা আল্লাহর ক্রোধের শিকার হবে
গুনাহের কাজ করতে গিয়ে যখন কেউ দুর্দশায় পতিত হয় তখন এটি আজাব যেমন মদ বা অন্যকোন নেশাগ্রস্ত গ্রহণের কারণে যদি কেউ অসুস্থ হয়ে যায় তখন তা আল্লাহর তরফ থেকে শাস্তি
এমতাবস্তায় এর সাথেসাথে গুনা ত্যাগ করতে হবে তাওবা করে আল্লাহর নিকট প্রত্যাবর্তন করতে হবে আল্লাহর কাছে রযু হতে হবে তাহলে আল্লাহ পাক হয়তো মাফ করতে পারেন আর না হলে জেনে রাখা উচিত কিয়ামতের শাস্তি এর চেয়েও আরো অনেক ভয়াবহ যন্ত্রণাদায়ক আর অসভ্য হয় কবে
অনেক সময় বিপদ আমাদের সাথে নেকীর কাজ বা গুনাহএর কাজে সরাসরি কোনো সম্পর্ক থাকে না যেমন কেউ রোগাক্রান্ত হলে সন্তান হারা লখিন্দর ব্যবসায় ক্ষতিকর শিকার হলো এমতাবস্থায় একজন মুসলিমের উচিত নিজের আমলের পর্যালোচনা করা কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে কর্মের উপর ভিত্তি করেই বিপত্তি হয় অথবা অনেক সময় আল্লাহ তাআলা বান্দার ধৈর্য পরীক্ষা করার জন্য বিপদ আপদ দেন তো যখনই আল্লাহপাক দিবেন তখন এটাকে বলা যাবে না যে শুধু আল্লাহপাক আমাকেই দেখেন শুধু আমাকে বিপদ দেন তখন যদি এ কথা বলিয়ে উচ্চারণ মুখে আমরা করি তাহলে হয়তো পরীক্ষায় ফেল হয়ে যেতে পারি আল্লাহপাক আমাদেরকে সবাইকে তৌফিক দান করুক আল্লাহ পাক যখন পরীক্ষা করেন সে পরীক্ষায় উৎপন্ন হয় তো আজকের পোস্ট এ পর্যন্তই ইনশাল্লাহ দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে আসব

