আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ আপনারা কেমন আছেন আশা করি আল্লাহর রহমতে অনেক ভাল আছেন আমি ইনশাল্লাহ আপনাদের দোয়ার বরকতে অনেক ভাল আছি আজকে যে বিষয় নিয়ে পোষ্ট করতে চাচ্ছি সেটা হল নৌকা ভ্রমন
তো একদিন সকালে হুজুর বললো হঠাৎ করে যে তারা প্রস্তুত থেকো তোমাদেরকে নিয়ে এক দিকে রওনা হতে পারে যেকোনো সময় তো আমরা হুজুরের কথার অপেক্ষায় ছিলাম কখন হুজুর বলবে আর কখন আমরা যাব তো প্রথমত হুজুর বলেনি যে কোথায় যাবে তোমরা হয়েছিলাম যে কোথায় যাবো কোথায় রওনা দিব কোথায় গিয়ে আশ্রয় নেব কোথায় থাকবো এইগুলো আমার মাথার ভিতরে আমাদের মাথার ভিতর ঘুরপাক খাচ্ছিল মস্তিষ্কে ঢুকে না কি করবো সকালে বললেন যে তোমাকে প্রস্তুত আমরা বললাম জ্বী হুজুর আমরা প্রস্তুত হুজুর সাহেব বললেন তোমরা কি প্রস্তুত আমার বললাম জ্বী হুজুর প্রস্তুত হুজুর বললো তাহলে চলে আসো আমার সাথে তো আমরা হুজুরের নির্দেশে চলে আসলাম চলে আসলাম নদীর তীরে ভোরের প্রভাত হাওয়া ঠান্ডা শীতল বাতাস সেটা আমরা ভ্রমণ করতে ছিলাম তো ওই মুহূর্তে উপলব্ধি সময় কই থেকে যেন ঠিকঠাক করতে করতে একটা টলার বালকো চলে আসলো আমরা আদৌ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পরলাম ডলারের উপরে তোমার সাহেব বললেন ডলারের মালিক বললেন ভাই আস্তে আস্তে নামেন আমরা শুনলাম না দৌড়ে গিয়ে যার যার জায়গা তৈরী করে নিলাম ভাই আমারটা কিন্তু ডুবে যেতে পারে আমরা বললাম না ভাই তলা ডুববে না ইনশা-আল্লাহ করব যেখানে যাচ্ছিলাম তখন বুঝতে পারছিলাম না যে কোথায় যাব তো বাড়ির ভিতরে আমাদের একটা ভুল হয়েছে যে সাধারণত মাত্র রওনা হলে সব মাছ আছে চলে আসে কিন্তু ছাত্র মাদ্রাসায় থাকে তো যদি থাকে তো মাদ্রাসায় যে হুজুর বললেন তোমরা তো একটা ভুল করছ আমরাও বালাম জি হুজুর আমরা কি ভুল করছি হুজুর সাহেব বললেন তোমরা তো মাদ্রাসার রেখেছো তাহলে কি করতে হবে খুঁজে নিয়ে আসো অন্যথায় রয়েছে তারা না খেয়ে থাকবে তাহলে মনে করলাম যে হয়ত সফর মনে হয় দীর্ঘ সময় নেই হবে তার মানে খাবার নিয়ে আসতে হবে তাহলে কি করব সসপেন নিয়ে আসলাম কি আর করার সফটওয়্যার নিয়ে আসার পরে এর ভেতর অনেক সময় অতিবাহিত হয়ে যায় তো কি আর করার রুদ্রপুর রুপ ধারণ করলো আজ তীব্র গতি দিচ্ছে চেহারায় রোদ লাগছে অনেক কষ্ট হল এ সময় গুলো বসে থাকতে কি করো বসে থাকতে হবে কারণ হুজুরের আদেশ অমান্য করা যাবে না তো রওনা হলাম আমাদের গন্তব্য স্থানে গিয়ে ওখানে উঠলাম তার বাড়িতে তো কলিমুল্লাহ মাদ্রাসার মোতাল্লি সাহেব ছিলেন তার ছেলে এসে বললেন হুজুর রা আপনারা আমি জানি অনেক ভালো মানুষ তো আপনারা কিছুদিন আগে আমার বাড়িতে খেদমত করে সবাইকে খাইছিলেন তো সবাই অনেক প্রশংসা করছে বাট আমিও চাই যে আমার পিতা মাতার জন্য দোয়া টা আপনারাই করাবেন তো কলিম উল্লাহ সাহেবের ছেলের আছিল যে হুজুর আমার বাপের যেখানটা আছে এটা কিন্তু জুড়ে করবেন তো কি আর করার আদেশ মানতে হবে কারণ তারা অনেক আশা নিয়ে বলছেন যে জান্নাতে নাকি আমাদেরই করাবেন জান্নাতি মানুষেরা ছোট বাচ্চারা তিনি যাচ্ছেন দুনিয়াতে তার বাবা খাবার খাওয়াবেন জান্নাতি মানুষেরাই তো তিনি বললেন যে আপনারা এক কাজ করেন তারা বললাম কি কাজ কাকীমা কিভাবে কি তাদেরকে খাওয়াবেন আমার এখানে মানুষ আসবে দুই থেকে তিন হাজার আপনারা এটাকে কিভাবে মেন্টরিং করবেন সেটা আপনাদের দায়িত্ব আমরা ঠিক আছে ইনশাল্লাহ আমরা চেষ্টা করব আমরা আমাদের গ্রুপিং করে নিলাম যে কিভাবে কোন টেবিলে কতজন মানুষ কিভাবে খাওয়াবে পরামর্শক্রমে প্রতি তিনজন করে সেট করলাম এবং চল্লিশটা টেবিলে আমরা 120 জন সেটেল হয়ে গেল তো পর্যায়ক্রমে এক এক করে আমরা তাদের মেহমান আসলো তাদেরকে খাওয়াইলাম এবং কি আমরাও মধ্যে কিছু খেয়ে নিলাম তো সবচেয়ে বড় আনন্দ বিষয় হল এখানে আমাদের সব শ্রেণীর ছাত্র এখানে ছিল বাট আমরা খাওয়ায় দিছিলাম সাধারন মানুষ আমাদের খাচ্ছিল আর প্রত্যেকে আবেশ করছিল যে হুজুর আপনাদের হাতের খানা খুবই মজা এবং খুবই ভালো লাগে সবচেয়ে সবচেয়ে বড় মানে ভালো লাগছে ভালো লাগছিল এটাই যে আমাদের প্রশংসা প্রত্যেকে করছে আর তারা বলত যে আজকে হুজুরে খাওয়াচ্ছে না একটা খানা অপচয় হবে না ঠিক শেষ সময় দেখতে ছিলাম যে কোন একটা খানা অপচয় হয়নি আপনাদের দোয়ায় ইনশাআল্লাহ হুজুরের যেটাই করুক না কেন সেটা বিনিময় করলাম ভাল ইনশাআল্লাহ তো আমরা যারা মনে করি যে কিছু পারেনা সেটা ভুল কারো হুজুরের কখনোই মানুষদেরকে খাওয়ায় নাই কিন্তু প্রথম খাওয়ায় প্রশংসাপত্র হয়েছে তারা আশাবাদী ইনশাআল্লাহ সব জায়গায় সব কিছু করতে পারবে আপনার দোয়ার বরকতে দোয়া রাখবেন সবাই আজকের পোস্ট এখানে শেষ পর্যন্ত ইনশাআল্লাহ পরে আবার আসব আর একটি পোস্ট নিয়ে

