মদ পানের শাস্তি পর্ব 3
কেউ যদি মদ কে পানি দুধ অথবা অন্য কোন তরল বস্তুর সাথে মিশ্রিত করে তা পান করে তবে এক্ষেত্রে মোদের পরিমাপ বেশি হলেও এটা ফোটা পান করলেও তা হদ মাপা হবে। আর যদি মদের পরিমাণ কম হয় তথাপি তোয়তা পান করার হালাল হবে না যবে নেশাগ্রস্ত না হওয়া পর্যন্ত এ জাতীয় পানীয় দ্রব্য পান করল দণ্ড প্রদান করা হবে
কাউকে জোর পূর্বক মদ পান করানো হলে তাতে দণ্ড প্রদান করা হবে না
মদ পান করার কারণে যাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে তাতে লাঞ্চ করা যায় অর্থাৎ জায়েজ নেই হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে আব্দুল্লাহ নামক এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এর জামানা মদ পানের কারণে শাস্তি দেওয়া হয়েছিল তাকে লক্ষ্য করে একদা এক সাহাবী বলেছিলেন হে আল্লাহ আপনি তার প্রতি লানত বর্ষণ করুন একথা শুনে আল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন লাঞ্চ করো না সে তো আল্লাহ তাআলা আল্লাহর রাসূল সাল্লাহু সাল্লাম কে ভালোবাসে অত পড়না রয়েছেন হে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিন এবং তার প্রতি রহমত করুন
এতে কথা প্রমাণিত অপমান হচ্ছে যে শাস্তিপ্রাপ্ত কোন মদখোর ব্যক্তিকে লাভ করা জায়েজ নেই এমনকি কোন গুনাহগার ব্যক্তিকে তার গুনাহ এর কথা উল্লেখ করা লজ্জা দেওয়া শরীয়ত নির্দিষ্ট নিষিদ্ধ
প্রাণরক্ষা নিমিত্তে মদ পান করলে তার হুকুম
চরম পিপাসা আবার ক্ষুধার্ত অবস্থায় পানাহারের কোন বস্তু না পাওয়া গেলে এবং এতে প্রাণ সত্যের অংশ দেখা দিলে এর অনুপ্রেরণায় অবস্থায় প্রাণ রক্ষার লক্ষ্যে মদ পান করা জায়েজ কোরআন মাজিদে আল্লাহ করেন নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা যন্ত্রাংশ এবং যার উপর আল্লাহর নাম বেতন নাম উচ্চারিত হয়েছে তা তোমাদের জন্য হালাল করেছেন কিন্তু যে অনন্যপায় অথবা নাফারমান কিংবা সীমালংঘনকারী নয় তার কোন পাপ হবে না আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু সম্মানিত বন্ধুগণ আজকের পোষ্টে পর্যন্তই আগামীতে ইনশাল্লাহ পরবর্তীতে নিয়ে,4 আসব

