মুসলিম এবং অমুসলিম এর মধ্যে পার্থক্যটা কি

A

আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ আপনারা কেমন আছেন আশা করি আল্লাহর রহমতে অনেক ভাল আছেন তো আপনাদের দোয়ার বরকতে আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে আল্লাহপাক আমাকে অনেক ভালো রেখেছেন তো আজকে আমি যেই পেছন পোস্ট করব সেটা হলো মুসলিম অমুসলিম এর পার্থক্

 

একজন অমুসলিম এবং একজন মুসলমানের মধ্যে পার্থক্যটা কি

 

 

কোন ব্যক্তি মুসলিম নাকি অশ্লীলতা আমাদের প্রাপ্য করার প্রধান মানদণ্ড হচ্ছে সালাত বা নামাজ মহান আল্লাহ বলেছেন মানুষের মধ্যে এবং কুফর শিরক এর মধ্যে পার্থক্য হল সালাত ত্যাগ করা আর নামাজ ত্যাগ করা অর্থাৎ

 

 নামাজ ছেড়ে দেওয়া কাফের মুশরিকদের আলামত মুসলমান কখনো নামায ছাড়তে পারে না তবে কোন মুসলমান নামাজ না পড়লে তাকে কাফের বলা যাবে না বরং সে বাসে গুনাহগার হবে মুসলমান তখনই হবে যখন সে নামাজের অঙ্গীকার পর্বে কিংবা অপছন্দ করবে অথবা নামাজ নিয়ে কটুক্তি করে হাসি ঠাট্টা করবে

 

 

 

সর্বোত্তম আমল হচ্ছে সময়মতো নামাজ পড়া নামাজ আদায় করা

 

 

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযিআল্লাহু তা'আলা আনহু বলেন আমি রাসূল সম্মেলনে সাল্লাম এর জিজ্ঞেস করলাম কোন আমল আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয় তিনি বলেন যত সময় নামাজ আদায় করা আমি পূর্ণ বার জিজ্ঞেস

 

 

 

 করলাম এরপর তিনি জবাব দিলেন আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শেষ সালাত নামাজ নামাজ পড়া নামাজের ব্যাপারে সচেতন ও যত্নবান হওয়া

 

 

 

 গোলাপগঞ্জের ব্যাপারে আল্লাহর ভয় কর আল্লাহকে ভয় কর আল্লাহকে ভয় করুন

 

সালাতের গুনাহের কাফফারা নামাজের গুনাহের কাফফারা অর্থাৎ সালাত কায়েম করো দিনের অংশে প্রথম অংশে ফজর ও ধ্বংসের দ্বিতীয় আসরে ভারতের প্রথম অংশে মাগরিব ও এশা নিশ্চয়ই পূর্ণ সময়ের পাপসমুহকে দূর করে দেবে

 

 

হযরত আবু হোরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত মহানবী হযরত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জুম্মার সালাত থেকে আরেক জুমার সালাত এবং এক রমজান থেকে অপর রমজানের

 

 

 

 রোজার কাফফারা হয় সেসব গুনাহে বা এদের মধ্যবর্তী সময় হয় যখন কবিরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা হয়

 

অস্ট্রেলিয়ার একটি হাদীসে হযরত আবহাওয়ার জন্য থেকে বর্ণিত তিনি মহানবী সাঃ কাছ থেকে শুনেছেন তোমরা বলো যদি তোমাদের কারোর দরজার সামনে একটি নহর ঝরনা প্রমতিং

 

 

 

 

 কুলপুকুর ইত্যাদি খাল-নদী থাকে তা থেকে তাকে সে দৈনিক পাঁচবার গোসল করে তবে কি তার শরীরে কোন ময়লা থাকবে থাকতে পারে না

 

 

 

সাহাবাদের কেরাম উত্তরে বললেন না কোন মহিলা অবশিষ্ট থাকবে না এরপর মহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন পাঁচ অক্ত নামাজের দৃষ্টান্ত এমনি এর বিনিময়ে আল্লাহ পাক নামাজের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেন

 

 

 নামাজের দারাজে গুনাহ মাফ হয় সেটা হল ছবি রাখবো না আর কবিরা গুনা তাওবা ছাড়া কবিরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা জরুরী শয়তানের প্ররোচনা আমরা বিভিন্ন গুনাহে লিপ্ত হয়ে পড়ি তাই প্রত্যেক নামাযের পরে তাওবা করা উচিত যাতে

 

 

 আল্লাহ তাআলা উনাকে মাফ করিয়া দেন কবিরা গুনাহ ক্ষমা চেয়ে নিব তো বন্ধুরা আসক্ত নামাজের অনেক গুরুত্ব রয়েছে পাঁচ অক্ত নামাজ আল্লাহতালা পড়তে বলেছেন আদেশ করেছেন এবং করতে বলেছেন কায়েম শব্দের অর্থ যে যারা এলাকা নামাজ না পড়ে তাদেরকে ডেকে নামাজ পড়া

 

তো ভাই দোস্ত বুজুর্গ সবাইকে আমার অন্তরের স্থল থেকে আগ্রা আকুল আবেদন এই যে যার এই পোস্টটা পড়েন প্রত্যেকের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কিন্তু ফরজ হয়েছে যারা মুসলমান তাদের জন্য যারা ঈমান এনেছে আল্লাহ তালার উপরে আল্লাহ তাঁর আদেশ করেছেন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার জন্য এবং অপরদিকে ঢাকা আজকের পোস্ট এ পর্যন্তই

Comments