বাদশা মিয়ার একটা মাদরাসার ওস্তাদদের নিয়ে কিছু কথা

A

আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ আশা করি সবাই ভাল আছেন তো আজকে আমি যে বিষয় নিয়ে কথা বলবো বা বলতে চাচ্ছি সেটা হলো বাদশা মিয়ার জীবনকাহিনী সেটা হলো ওনার জীবনে অনেক অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন বা কুরবানী পেশ করেছেন এজন্য আল্লাহ পাক উনাকে আজকে অনেক বড় মাকাম দান করেছেন সাধারণ মানুষ তো বটেই উনাকে আলেমরা অনেক সম্মান করেন একটাই কারণ উনি দিনের কাজে লেগে রয়েছে এবং কি আখেরাত লাভের উদ্দেশ্যে উনি সিনেমা হল করতে চেয়েও উনি মাদ্রাসা করলেন এটা আল্লাহর এক অশেষ মেহেরবানি তা না হলে উনার মত মানুষ মাদ্রাসা করা অসম্ভব হয়েছিল কিন্তু আল্লাহ পাক কবুল করা সত্ত্বেও উনি করতে পেরেছেন প্রথমত উনার জীবনে অনেক কষ্ট ত্যাগ স্বীকার করেছেন অনেক সময় ওনার তিন বেলা ভাত খেতে পারতেন না এতই অভাব ছিল উনি মানুসের ধার ধারে গিয়ে হাত পেতে মানুষের কাছে চেয়েছে খেতেন পরিবারকে এটা খাওয়াইতেন একটা জিনিস ভালো ছিল যে উনি বোজমান হওয়ার পর থেকে উনার মা কে উনি কখনো কারো সামনে যেতে দিতেন না হয়তো আল্লাহ পাক উনার এই মনের আশা আকাঙ্ক্ষা দেখে উনাকে আস্তে আস্তে উনার কষ্ট জীবনকে আজকে সুখময় জীবনের পরিণত করেছেন তো উনি যেই সম্মান পান আমার মনে হয় না কোন রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী ও পান আমরা আশাবাদী উনি দ্বীনী খেদমতের সাথে লেগে থাকার কারণে পান আমরা আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করি যেন ওনাকে মৃত্যুর পরে পরকালেও উনাকে এই সম্মান যেন আল্লাহ পাক দেন হ্যাঁ বাদশামিয়া যে মাদ্রাসা টা করেছেন সেটার মধ্যে আস্তে আস্তে করে আজ এমন এক অবস্থায় পরিণত হয়েছে যে হাজার হাজার ছাত্র ওখানে লেখাপড়া করে এবং ওই মাদ্রাসায় ওস্তাদরা রয়েছেন পদের সংখ্যা হল 130 জন তাদের প্রত্যেকের বেতন সর্বনিম্ন 10000 টাকা করে বেতন প্রত্যেকের বেতন নির্দিষ্ট করে বলে দেই মক্তবের হুজুর 10000 নাজেরার হুজুরের বেতন 10 হাজার 100 টাকা হেফজখানার হুজুরের বেতন 10500 টাকা ইয়াজদাহুম এর হুজুরের বেতন 11000 টাকা তাইসিরুল হুজুরের বেতন 11000 হাজার100 টাকা মিজান জামাতের হুজুরের বেতন 11 হাজার600 টাকা নাহবেমীর জামাতের হুজুরের বেতন 11হাজার 700 টাকা হেদায়াতুন্নাহু জামাতের হুজুরের বেতন11 হাজার আটশত টাকা কাফিয়া জামাতের হুজুরের বেতন 11 হাজার 900 টাকা শরহে বেকায়া জামাতের হুজুরের বেতন 12,000 টাকা জামাতের হুজুরের বেতন 20000 টাকা মেশকাত জামাতের হুজুরের বেতন 40 হাজার টাকা দাওরায়ে হাদিস জামাতের হুজুরের বেতন 50 হাজার টাকা ইফতা জামাতের হুজুরের বেতন 55 হাজার টাকা সাহেবের বেতন 1 লক্ষ 30 হাজার টাকা তো এগুলো বেতন ছাত্রদের থেকে নেওয়া হয়না এই সমস্ত খরচ বহন করেন বাদশা মিয়া ঘটনা আমি আমার পরিচয়ের পরে প্রথম এবং দ্বিতীয় খন্ড করেছিলাম সে নিজেই গুলো বহন করেন আল্লাহ তাআলা এত কম টাকা বেতন পাওয়ার পরে যে হুজুর তার স্ত্রীকে পর্দায় রাখতে খাওয়ার চিন্তা ফিকির করে চেষ্টা করে টাকা পয়সার কোন দিন রিজিক দিতে পারেনা রিযিক দেওয়ার মালিক আল্লাহ এত কম টাকা বেতন পেয়ে সবাই চেষ্টা করে যে পর্দার ভিতর থেকে চলাফেরা করা আর নিজের স্ত্রীকে পর্দায় রাখা বাহারাম বেচলা সেটাই আমাদের ইসলাম সেটাই আমাদের শুননা সেটাই আল্লাহর বিধান আল্লাহ পাক যেন আমাদেরকে হালাল-হারাম দিয়েছে এবং কম টাকার ভিতরে আল্লাহ যেন বরকত দান করে টাকা উপার্জন করার তৌফিক দান করে আজকে ইনশাল্লাহ পর্যন্তই আগামীতে আরো সুন্দর আলোচনা করার চেষ্টা করবো তো আমি একটু ছোট মানুষ বা অনেক সুন্দর লিখতে পারিনা তো সবাই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ

Comments